Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৪ শুক্রবার, মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

তারকাদের মুখে মায়ের ভালবাসা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ মে ২০১৯, ০২:০০ PM আপডেট: ১২ মে ২০১৯, ০২:০০ PM

bdmorning Image Preview


‘যেখানেতে দেখি যাহা, মা-এর মতন আহা, একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই, মায়ের মতন এত আদর সোহাগ সে তো, আর কোন খানে কেহ পাইবে ভাই’ কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার লাইন ধরেই শুরু করা যাক। মা-ই সব, মা-ই দুনিয়া। এত আদর সোহাগ ও মমতা দিয়ে দুনিয়ার আর কেই বা আগলে রাখে! ব্যক্তিজীবনে মায়ের ভূমিকা বাতলে দাঁড়ি টানা যাবে না। প্রত্যেকের জীবনেই মা নিয়ে থাকে হাজারটা গল্প। ব্যতিক্রম নয় পর্দার মানুষগুলো। আজ বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে এই প্রজন্মের কয়েকজন চলচ্চিত্র তারকা শুনিয়েছেন তাদের মায়ের গল্প...

পূর্ণিমা 

মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়ায় আমি আজকের পূর্ণিমা। তাই মায়ের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা। মহান আল্লাহের কাছে দোয়া করি তিনি যেন আমার মাকে সবসময় ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেন। সেই মায়েরই মেয়ে আমি নিজেও একজন মা। তাই মায়ের কষ্টটা এখন খুউব ভালোভাবে বুঝতে পারি। মায়ের কোনো তুলনা হয় না। না জেনে না বুঝে মাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। কিন্তু আর কখনো মাকে কষ্ট দিতে চাই না। সবাই আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন। আর আমার বাবাকে যেন আল্লাহ বেহেস্তবাসী করেন সেই দোয়াও চাই সবার কাছে।

পপি

আজ আমার জীবনের অন্যরকম দিন। কারণ চলচ্চিত্রে আমার সাফল্যের জন্য আমার মা আজ সকালে ‘গরবিনী মা সম্মাননা’য় ভূষিত হতে যাচ্ছেন। আমাদের সব ভাই বোনদের তুমি তোমার আশীর্বাদের মধ্যে রেখো সবসময়। তুমি ছাড়া আমার এত সুন্দর জীবন কখনই সুন্দর হয়ে উঠত না। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে আমি তোমার গর্ভে জন্মেছি মা। আমি এর আগে অভিনয়ের জন্য তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছি। কিন্তু আজ মা আমার জন্য সম্মাননা পাচ্ছেন, এটাই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম অর্জন।

বিদ্যা সিনহা মিম

মায়ের সঙ্গে গল্প বলে শেষ করা যাবে না। আমার সব কিছুই মাকে ঘিরে। মাকে ছাড়া আমি কিছুই কল্পনা করতে পারি না। সব জায়গায় মায়ের উপস্থিতি চাই চাই। সত্যি বলতে এই যে, মিডিয়ায় টুকটাক কাজ করি, সবটাই মায়ের অনুপ্রেরণায়। তিনি যদি আমার পাশে না থাকতেন তবে আমার এত দূর আসার সাহস হতো না। মা এখনো প্রতিটি শুটিং সেটে আমার সঙ্গি। আমি কোথাও বেড়াতে গেলেও তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাই। বড় হয়ে গেলেও মা ছাড়া কোনো কিছু করতে সাহস পাই না। 

সাফা কবির

আমার বাবা থাকেন জার্মানি। ছুটি পেলে দেশে আসেন। দীর্ঘসময় ধরে আমি বাবাকে পাশে পাইনি। আমার কাছে মা-ই আমার বাবা মা-ই আমার মা। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বাবা ও মায়ের ভূমিকা পালন করেছেন। আজকে দু'চারজন যারাই এই সাফা কবিরকে চিনে তা সম্ভব হয়েছে মায়ের জন্যই। তিনি না থাকলে এত দূরের পথ পাড়ি দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। শৈশব থেকে এখনো আস্থার জায়গায় আমার মা। ছোটবেলা মা আমাকে স্কুলে নিয়ে যেতেন, বড় হয়েও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।

বুবলী

মায়ের কথা বলতে গেলেই সবার আগে আমার নানুর কথা ভীষণ মনে পড়ে। বিশেষত রোজার মাস এলে নানুর কথা যেন একটু বেশিই মনেপড়ে। কারণ নানুর সঙ্গে থেকে থেকেই আমি নামাজ পড়া শিখেছি, রোজা রাখতে শিখেছি। সেই নানু যখন আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন তখন আমার আম্মুকে দেখেছি তিনি কতটা কষ্ট পেয়েছেন। সত্যি বলতে কী মা এমন একজন মানুষ প্রতিটি মানুষ তার মনের ভেতরে শ্রদ্ধার স্থানে রেখে দেন। নানু চলে গেছেন ঠিকই কিন্তু নানু আমার মায়ের মাঝে, আমার মাঝে বেঁচে আছেন।

মোনালিসা

আম্মুই আমার জীবনের সব। আম্মুই আমার জীবনের চলার পথের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা, শক্তি। আম্মুই আমার জীবনকে গড়ে দিয়েছেন। যে কারণে আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি দেশের বাইরে এসেও জীবনকে পরিচালিত করতে পারছি। আমার জীবনে আম্মুর শিক্ষা, আম্মুর আদর্শ, আম্মুর ভূমিকা অপরিসীম। আম্মু আমাকে অনেক ভালোবাসেন, আদর করেন, আর এটা আমি এখন খুউব মিস করি। প্রতিদিনই এখন আর আগের মতো বলতে পারিনা মাগো আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি।

Bootstrap Image Preview