Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৫ মঙ্গলবার, জুন ২০১৯ | ১০ আষাঢ় ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

২২তম তারাবিতে যা পড়া হবে

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মে ২০১৯, ০৮:১৬ PM
আপডেট: ২৭ মে ২০১৯, ০৮:১৬ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


আজ ২২তম তারাবিতে সুরা হামিম সাজদার ৬ষ্ঠ রুকু পর্যন্ত, সুরা শুরার ১ম রুকু থেকে ৫ম রুকু পর্যন্ত, সুরা জুখরুফের ১ম রুকু থেকে ৭ম রুকু পর্যন্ত, সুরা দুখানের ১ম রুকু থেকে ৩য় রুকু পর্যন্ত এবং সুরা জাসিয়ার ১ম রুকু থেকে ৪র্থ রুকু পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২৫তম পারা। 

আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের মূলবিষয়বস্তু তুলে ধরা হল।

সুরা হামিম সাজদা 

সুরা হামিম সাজদার ৬ষ্ঠ রুকুতে কেয়ামত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তারপর মানুষের সুখের ও দুঃখের সময় কী অবস্থা হয় সে বিবরণ দেওয়া হয়েছে। দুঃখের সময় মানুষ আল্লাহমুখী হয়, দোয়া কান্নাকাটি করে। আর সুখের সময় আল্লাহকে ভুলে যায়।

সুরা শুরা : (আয়াত ১-৫৩) 

১ম রুকুতে (আয়াত ১-৯) আল্লাহ তায়ালা রাসুলকে (সা.) সম্বোধন করে বলেন, ‘তোমার কাছে এবং তোমার পূর্ববর্তীদের কাছে আল্লাহ তায়ালা ওহি প্রেরণ করেন, যিনি মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।’ সুতরাং ওহির উৎপত্তিস্থল একটাই, পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সবার কাছে এক আল্লাহই ওহি পাঠিয়েছেন। তারপর আল্লাহ তায়ালার কুদরতের কথা বর্ণনা করার পর পুনরায় ওহির আলোচনা করা হয়েছে।

২য় রুকুতে (আয়াত ১০-১৯) বলা হয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা আল্লাহ। তিনি মানুষকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। মানুষের বংশবৃদ্ধিও তার হুকুমে হয়। আল্লাহ মানুষের জীবন যাপনের জন্য যে সংবিধান দিয়েছেন তা মানতে আহ্বান জানিয়েছেন।

৩য় রুকুতে (আয়াত ২০-২৯) বলা হয়েছে যারা আখেরাতের ফল চায় আল্লাহ তাদের জন্য আখেরাত বরাদ্দ করেন। আর যারা দুনিয়ার ফল চায় আল্লাহ তাকে তাই দেন। আখেরাতে তার কিছু থাকে না।

৪র্থ রুকুতে (আয়াত ৩০-৪৩) বলা হয়েছে মানুষের দুনিয়াতে যে অবস্থা আসে তা তার কর্মের ফল। যে ভালো কাজ করে আল্লাহ তার ভাগ্য সুপ্রসন্ন করেন। আর যে মন্দ কাজ করে তার ভাগ্য অপ্রসন্ন হয়।

৫ম রুকুকে (আয়াত ৪৪-৫৩) বলা হয়েছে কন্যা বা পুত্র সন্তান দেওয়া অথবা সন্তান একেবারেই না দেওয়া সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর এখতিয়ারাধীন। মানুষের এতে কোনো হাত নেই। আল্লাহ যা দেন তাই মেনে নেওয়া মুমিনের কর্তব্য।

সুরা জুখরুখ (আয়াত ১-৮৯) 

১ম রুকুতে (আয়াত ১-১৫) বলা হয়েছে আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির জন্য হেদায়েত ও রহমতস্বরূপ এ কোরআন নাজিল করেছেন। মানুষের জন্য আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২য় রুকুতে (আয়াত ১৬-২৫) আদর্শ-বিমুখ জাতির পরিণতির কথা বলা হয়েছে। আল্লাহর কিছু নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে।

সুরা দুখান (আয়াত ১-৫৯) 

মক্কার মুশরিকরা দুর্ভিক্ষের দিনে যে ধোঁয়াচ্ছন্ন অবস্থা দেখতে পেয়েছিল তার বিবরণ রয়েছে এ সুরায়। তাই একে সুরা দুখান বলা হয়।

১ম রুকুতে (আয়াত ১-২৯) বলা হয়েছে আল্লাহ যেদিন অপরাধীদের পাকড়াও করবেন সেদিন খুব ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে। তবে আল্লাহ তাদের অবকাশ দেন। তাই সময় থাকতেই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত।

২য় রুকুতে (আয়াত ৩০-৪২) আল্লাহ তায়ালা বনি ইসরাইলকে যে ফেরাউনের কবল থেকে উদ্ধার করেছেন সে প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হয়েছে।

৩য় রুকুতে (আয়াত ৪৩-৫৯) কাফেরদের জন্য প্রস্তুতকৃত ভয়াবহ শাস্তি এবং মুমিনদের জন্য সুসজ্জিত নেয়ামতগুলোর বর্ণনা দিয়ে সুরাটি সমাপ্ত হয়েছে। 

সুরা জাসিয়া : (আয়াত ১-৩৭) 

জাসিয়া শব্দের অর্থ হাঁটু গেড়ে বসা। কেয়ামতের দিন মানুষ ভীতির কারণে আল্লাহর দরবারে হাঁটু গেড়ে বসে পড়বে। এ ভয়ানক অবস্থার বর্ণনা সুরায় থাকায় এটিকে সুরা জাসিয়া বলা হয়।

Bootstrap Image Preview