Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ বৃহস্পতিবার, মে ২০১৯ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

টয়লেট থেকে পাওয়া সেই ফুটফুটে নবজাতককে দত্তক নিতে দাঁড়াতে হবে লাইনে!

নারী ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মে ২০১৯, ০৮:৪২ PM
আপডেট: ১৫ মে ২০১৯, ০৮:৪৩ PM

bdmorning Image Preview


রাজধানীর শিশু হাসপাতালের টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক নবজাতককে। এখনো পর্যন্ত শিশুটিকে নিজের বলে কেউ দাবি করেনি। কিন্তু ফেসবুকে ছবি ভাইরালের মধ্য দিয়ে নবজাতকের ফুটফুটে চেহারা দেখে অনেকেই ব্যাকুল হয়ে গেছেন শিশুটিকে দত্তক নিতে। আর সেজন্যই শত শত ফোন আসছে শেরে বাংলা নগর থানায়। এমতাবস্তায় আদৌ যদি কেউ শিশুটিকে দত্তক নিতে চায়, তার জন্য লাইণে দাঁড়াতে হবে। আইনী প্রক্রিয়ায় যে কেউই পেতে পারেন শিশুটিকে। এ ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তার জন্য হাসপাতালের ওই কেবিনের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের শৌচাগারে এক নবজাতককে পড়ে থাকতে দেখে রোগীর স্বজনরা ওয়ার্ড মাস্টারকে জানান। নবজাতকটি দুই দিনের বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত কেউ শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করেনি। তবে শিশুটির জন্য রাত থেকে আমার কাছে, শেরে বাংলা নগর থানার ডিউটি অফিসারের কাছে এবং ইন্সপেক্টর তদন্তের মোবাইলে শত শত ফোন আসছে। সকাল থেকে আমি নিজেই ১০০’র বেশি ফোন রিসিভ করেছি। সবাই শিশুটিকে দত্তক নিতে চাচ্ছেন। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তদন্তের কাজ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাত থেকেই শিশুটিকে দেখতে ও দত্তক নিতে হাসপাতালে অনেকেই ভিড় করেছেন। এতে শিশুর স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় শিশু হাসপাতালে তার কেবিনের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করেছি। চিকিৎসক ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।’

এদিকে শিশুটির বাবা-মাকে খুঁজতে তদন্ত করছে পুলিশ। হাসপাতাল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে শিশুটিকে কে বা কারা ফেলে গেছেন সেই রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে পুলিশের তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ‘শিশুটির বাবা-মাকে খুঁজতে রাতে ডিসি-তেজগাঁও-ডিএমপি ফেসবুক পেজে ছবিসহ একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এরপর থেকে অনেক ফোন আসছে শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য। অনেকে ফেসবুক পোস্টের নিচেই তাদের দত্তক নেওয়ার জন্য নাম-ঠিকানা ও সিরিয়াল দিয়ে রাখছেন। আমরা তার বাবা-মাকে খুঁজে বের করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পরবর্তীতে শিশু আইনে আদালত যা সিদ্ধান্ত দেবে পুলিশ সেটা মেনেই কাজ করবে।’

Bootstrap Image Preview