Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১২ বুধবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

কে হচ্ছেন পরবর্তী সৌদি বাদশাহ?

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৪৮ PM
আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৪৮ PM

bdmorning Image Preview


সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবাদের মুখে সৌদি রাজপরিবারের বেশ কয়েক সদস্য মোহাম্মদ বিন সালমানকে সিংহাসনে আরোহন থেকে প্রতিরোধ করতে ওঠেপড়ে লেগেছেন। সেক্ষেত্রে সিংহাসনে বসতে পারেন বাদশাহ সালমানের আপন ভাই প্রিন্স আহমেদ।

সৌদি রাজপরিবারের তিন সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি পরিবারের একটি শক্তিশালী শাখার কয়েক ডজন রাজপুত্র ও তাদের ভাইয়েরা সিংহাসনের উত্তরসূরির সারিতে একটা পরিবর্তন দেখতে চান। কিন্তু যুবরাজের বাবা ৮২ বছর বয়সী সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদি জীবিত থাকাকালে এটি কার্যকর হবে না বলে তারা মনে করেন। কারণ তারা দেখতে পেয়েছেন, কোনোভাবেই নিজের সন্তানের প্রতিকূলে যাবেন না বাদশাহ।

সূত্র জানায়, সে ক্ষেত্রে বাদশাহ সালমানের ভাই ও যুবরাজের চাচা প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজ সিংহাসনে বসতে পারেন।

বাদশাহ সালমানের একমাত্র জীবিত আপন ভাই হচ্ছেন প্রিন্স আহমেদ। পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো, নিরাপত্তা সংস্থা ও রাজপরিবারের সদস্যদের তার প্রতি সমর্থন রয়েছে। প্রায় আড়াই বছর দেশের বাইরে থাকার পর চলতি বছর অক্টোবরে দেশে ফিরেছেন আহমেদ। লন্ডনের বাসভবনের বাইরে সৌদি রাজতন্ত্রের পতনের দাবিতে বিক্ষোভের সময় প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তিনি সৌদি নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করেন।

জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারাও প্রিন্স আহমেদকে সমর্থন দেয়ার ব্যাপারে সৌদি উপদেষ্টাদের কাছে আভাস দিয়েছেন। গত ৪০ বছর ধরে সৌদি আরবের উপস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন আহমেদ।

সৌদি সূত্র জানায়, তারা আত্মবিশ্বাসী যে এমবিএস নামে পরিচিত যুবরাজ মোহাম্মদের নেয়া সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারে পরিবর্তন কিংবা বিরুদ্ধে যাবেন না প্রিন্স আহমেদ। এমনকি বর্তমান সৌদি সামরিক ক্রয় চুক্তির প্রতি সম্মান দেখাবেন ও পারিবারিক বন্ধন ফিরিয়ে আনতে তিনি কাজ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে চাপ সত্ত্বেও যুবরাজের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে তাড়াহুড়ো করবে না হোয়াইট হাউস।

কর্মকর্তারা বলেন, হোয়াইট হাউস দেখেছে- রিয়াদে সোমবার সুরা কাউন্সিলের ভাষণে নিজের ছেলের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন সালমান। কারণ পুরো ভাষণে তিনি খাশোগি হত্যার ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছেন- খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সিআইয়ের মূল্যায়ন অপরিপক্ব, তবে সম্ভব হতে পারে। ট্রাম্প বলেন, তিনি মঙ্গলবার এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেয়েছেন।

Bootstrap Image Preview