Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ বৃহস্পতিবার, মে ২০১৯ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

৬৭ টাকার খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ মে ২০১৯, ০৫:৫৮ PM
আপডেট: ১২ মে ২০১৯, ০৫:৫৮ PM

bdmorning Image Preview


রমজানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান কেন্দ্রিক খাবারের দাম কমলেও আমাদের দেশে রমজানকে টার্গেট করে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয় বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য। কয়েক মাস পূর্বে রেকর্ড পরিমাণে খেজুর বন্দর নগরী চট্টগ্রামে আসার পরও হাটহাজারীতে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। বিক্রেতারা খুচরা বাজারে খেজুরের মাত্রাতিরিক্ত মূল্য হাকানোর কারণে তা এখন ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

এক হিসেবে দেখা গেছে, রোজার আগের ছয় মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২৩৪ কোটি টাকায় ৩৫ হাজার ৪০৯ টন শুকনো ও ভেজা খেজুর আনেন ব্যবসায়ীরা। শুল্ক দেয়ার পর প্রতি কেজির দাম পড়ে ৬৭ টাকা। অথচ বাজারে খুচরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

নিজেদের খেয়াল খুশি মতো একটি অসাধুচক্র মাত্রাতিরিক্ত মুনাফার আশায় এ অবিশ্বাস্য কাজটি দেদারসে করে চলেছে। এই নিয়ে প্রশাসনের তেমন কোনো নজরদারী এখনও পর্যন্ত চোখে পড়েনি। তাই এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভোক্তভূগীরা।

বাজার ঘুরে জানা গেছে, সৌদি আরবের আজওয়া খেজুর প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে। মেকজেল খেজুর কেজিপ্রতি ১ হাজার ৩০০ টাকা। ইরানের কামরাঙ্গা মরিয়ম ১০০০ টাকা, সাধারণ মরিয়ম ৯০০ টাকা, তিউনিসিয়ার প্যাকেটজাত খেজুর ৪৬০ টাকা, দাবাস ২২০ টাকা, ফরিদা ৩০০ টাকা, বড়ই ২২০ টাকা, নাগাল ২০০ টাকা ও বাংলা খেজুর ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ওই হিসাবে প্রতি কেজি খেজুর আমদানি মূল্যের চেয়ে কমপক্ষে দুই গুণ ও সর্বোচ্চ ২০ গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

হাটহাজারী বাজারের ক্রেতা রাসেল জব্বার খান নামে এক কলেজ শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বেশ কিছু মিডিয়া মারফত জানলাম যে, আমদানিকৃত খেজুরের দাম পড়েছে ৬৭ টাকা কেজি। অথচ এসব খেজুর কয়েকজন বিক্রেতার হাত ঘুরে হাটহাজারীতে বিক্রি হয় কেজি ১৫০০ টাকা দরে। এ কোন বোকার স্বর্গ রাজ্যে বসবাস করছি আল্লাহ মালুম।

নাম প্রকাশ অনিশ্চুক এক ব্যবসায়ী বলেন, রমজানে এবার তেল, চিনি, পেঁয়াজ, ছোলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল আছে। খেজুরের দাম কেন লাগামছাড়া, তা খতিয়ে দেখা উচিত। আমরাতো ছোট ব্যবসায়ী। সামান্য কিনে এনে বিক্রি করি। দেশের মানুষ কষ্ট পাক, এটা আমরাও চাই না।

পৌর সদরের খেজুর ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, খেজুর পচনশীল পণ্য। যা আনা হয় তার অর্ধেক অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। তাই উন্নতমানের প্যাকেট খেজুরের দাম একটু বেশি।

Bootstrap Image Preview