Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৫ মঙ্গলবার, জুন ২০১৯ | ১১ আষাঢ় ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

ভোলায় ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত অর্ধশতাধিক, শয্যা সঙ্কটে ভোগান্তি

ভোলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারী ২০১৯, ০৯:০৮ PM
আপডেট: ১২ জানুয়ারী ২০১৯, ০৯:০৮ PM

bdmorning Image Preview


হঠাৎ করে ভোলায় নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অর্ধশতাধিক। এরমধ্যে বেশি সংখ্যকই হচ্ছে শিশু। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত ২০ জন রোগী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া ঠাণ্ডাজনিতসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আরো ৬১ জন রোগী।

সূত্রে জানা গেছে, শীতকালে বিভিন্ন রোগের উপদ্রব বেড়ে যায়। এ সময় শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হন। গত কয়েকদিনে ভোলায় শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। হঠাৎ করে রোগী বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ভোগান্তিতে পরছেন রোগীরা। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে ডাক্তাররা। বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে ২০ শয্যার বিপরীতে রোগী রয়েছে ৬২ জন। এতে একটি বেডে গড়ে ২/৩ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দৌলতখান উপজেলার চরসুফি গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুর মা ইয়াসমিন জানান, ঠাণ্ডার কারণে তার সন্তান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। দুই দিন ধরে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ফারিয়া ও ফাহিমার অভিভাবকেরা জানান, শ্বাসকষ্ট ও কাশির কারণে তাদের সন্তানদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাঁচদিন ধরে তারা হাসপাতালে রয়েছেন। আবহাওয়ার পরিবর্তন ও শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শিশুরা ঠাণ্ডাজনিত রোগে ভুগছে বলে জানিয়েছে অভিভাবকেরা।

শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহানাজ খান জানান, গত সাতদিন ধরে রোগীর চাপ একটু বেশি। এদের মধ্যে নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত শিশুদের সংখ্যা বেশি। আমরা শিশুদের সাধ্যমত চিকিৎসা দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ১২ দিনে এখানে ১৩৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে ৪১ জন নিউমোনিয়া ও ২০ জন ঠাণ্ডাজনিত রোগী। অ্যান্টিবায়োটিক, নেবুলাইজারসহ সব ওষুধ রয়েছে। চিকিৎসা দিতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রথীন্দ্রনাথ মজুমদার জানান, শীতের কারণে শিশুরা ঠাণ্ডাসহ নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ভোলা হাসপাতালে শিশু রোগীদের চাপ কম। যারা ভর্তি রয়েছে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে ২০টি থাকালেও সেখানে এখন ৪১টি বেড দেওয়া হয়েছে।

Bootstrap Image Preview