Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ বুধবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ৫ পৌষ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

সেন্টমার্টিন দ্বীপ কার?

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ০৪:৩০ PM
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ০২:৩০ PM

bdmorning Image Preview


আরিফ চৌধুরী শুভ।।

বাংলাদেশে এই মুহুর্তে আলোচিত বিষয় বাংলাদেশের পর্যটক সমবৃদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল সেন্ট মার্টিন দ্বীপএই আলোচনার জন্ম সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে মিয়ানমার নিজেদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে জোর করে বিতাড়ানোর উদ্দেশ্য, ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে নিজেদের দাবি করার মধ্যে মুদ্রাপিঠ সম্পর্ক স্পষ্ট। এটা অদূর ভবিষ্যতে দখলদারিত্বের একটি ইঙ্গিত মাত্র।

মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসাবে দেখিয়েছে দেশটি এই দ্বীপটিকে যে তারা এখনো পরোক্ষভাবে নিজেদের মনে করে এবং পেতে চায় এর মাধ্যমে তার ইঙ্গিত স্পষ্ট। যদিও বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদের মুখে বিষয়টি অনিচ্ছাকৃতভুল স্বীকার করে দু:খ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুইন

কিন্তু এতবড় একটি ভুলকে অনিচ্ছাকৃতভুল বলে উড়িয়ে দেওয়াটা বাংলাদেশের জন্যে শুভকর হবে না। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ যখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণে অনেকটা সফল, ঠিক তখনই কেন এই ভুল করবে মিয়ানমার? বাংলাদেশের স্বাধীন ভূখণ্ডের একটি অংশকে মিয়ানমার দাবি করার পেছনে কোন শক্তিশালী যুক্তি বা গভীর ষড়যন্ত্র নেইতো?

অথচ মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তির সময় সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে ভিত্তি করেই বাংলাদেশ তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত উত্থাপন করেছিল আন্তর্জাতিক আদালতে। সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তির সময়ও আন্তর্জাতিক আদালতে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সেন্ট মার্টিন বির্তক। ২০১২ সালের পর দ্বিতীয় বারের মতো আরেকবার এই বিতর্কের জন্ম দিল মায়ানমার। এই বিতর্ক যে অদূর ভবিষ্যতে আবারো হবে না তার নিশ্চয়তা কে দিবে?

২০১২ সালের ১৪ মার্চ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (আইটিএলওএস) বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমাবিষয়ক বিরোধ নিষ্পত্তির রায় প্রদান করেন। ১৫১ পৃষ্ঠাব্যাপী সেই রায়ে বাংলাদে নীতিগতভাবে জয়ী হলেও মিয়ানমার কি একেবারেই হেরে গেছে? আইটিএলওএস সেদিন যদি উভয় দেশের কন্টিনেন্টাল শেলফের (সিএস) সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতো, তাহলে আজ মিয়ানমার এই দাবি করতে পারতো না।

সমুদ্রসীমাবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন UNCLOS III অনুযায়ী সমুদ্রতট থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে সিএসের সীমানা ধরে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্যে ট্রাইব্যুনাল উদ্যোগ নে সমুদ্রতটবর্তী পাশাপাশি দুটি দেশের Territorial Sea বিষয়ে তখন বাংলাদেশের যুক্তি ছিল সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ সাগরসীমা নিয়ে ১৯৭৪ ও ২০০৮ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি সমঝোতা চুক্তি আছে কিন্তু মিয়ানমারের আপত্তির মুখে সেটি দুর্বল হয়ে যায়। মায়ানমার দাবি করে ওই চুক্তিগুলো ছিল জাহাজ চলাচলবিষয়ক কিন্তু সীমানা নির্ধারণের চুক্তি নয় মিয়ানমারের জোরালো দাবি করে বলে যে, সেন্ট মার্টিন দেশটির স্থলসীমানার (নাফ নদ) ভেতরে পড়ে তাই সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির সময় সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে আলাদাভাবে দেখার জন্যে আইটিএলওএসকে অনুরোধ জানায় মিয়ানমার

ট্রাইব্যুনাল মিয়ানমারের যুক্তিকে মেনে নিয়ে সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ধরে বাংলাদেশকে সর্বাধিক ১২ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার) রাষ্ট্রীয় সমুদ্রের অধিকারই প্রদান করেন যার ফলে বাংলাদেশ তার সমুদ্রতটের দক্ষিণ সীমানা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ থেকে মূল ভূখণ্ডে টেকনাফের দিকে সরে আসে।

আন্তর্জাতিক আইন UNCLOS III এর ৭৬.১ ধারা অনুযায়ী, একটি দেশের সমুদ্রতীরবর্তী একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকা (ইইজেড) বলতে তার তটরেখা থেকে ওই সমস্ত এলাকাকে বোঝায়, যা ওই দেশের পলিপাতনের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পলির মাধ্যমে এর সাগরতল গঠিত হয়েছে, যা দক্ষিণমুখী রাখাইন সমুদ্রের দিকে বহমান

সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের বিরোধের মূল বিষয় ছিল, সমুদ্রতট থেকে সমদূরত্ব নীতির মাধ্যমে (ইইজেড) এলাকা নির্ধারণে মিয়ানমারের দাবি। কিন্তু যদি এটি করা হয় তাহলে বাংলাদেশ থেকে আসা পলির স্তরের ওপর মিয়ানমারের অধিকার চলে যাবে। তাই বংলাদেশ উভয় দেশের ইইজেড নির্ধারণের জন্য সমদূরত্ব নীতির ঘোর বিরোধিতা করেকিন্তু মিয়ানমার সমদূরত্ব নীতিতেই অনড় থাকে। ফলে বাংলাদেশের বিরোধিতার মুখেও ট্রাইব্যুনাল নাফ নদের মুখকে সমদূরত্ব রেখা ধরে বিচার করে।

ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পশ্চিমে মান্দারবাড়ী দ্বীপ থেকে পূর্বে কুতুবদিয়া দ্বীপ পর্যন্ত এবং উত্তরে কুতুবদিয়া থেকে দক্ষিণে টেকনাফ পর্যন্ত মোট দুটি তটরেখা প্রতিষ্ঠা করে। উভয় দেশের তটবর্তী ২০০ নটিক্যাল মাইল ইইজেড এলাকা ভাগ করে দেয়

ফলে সমুদ্রসীমাবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে বাংলাদেশ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম বরাবর তার ইইজেড এলাকা হারিয়েছে। সমদূরত্ব নীতি প্রয়োগ হওয়ায় বাংলাদেশ ২০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে ১৫০ নটিক্যাল মাইল সিএসের বিস্তীর্ণ এলাকা হারিয়েছে। ফলে এই সব এলাকায় বাংলাদেশের সকল ধরণের অধিকার হাতছাড়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধের লড়াইয়ে বাংলাদেশ অনেক যুক্তি দেখিয়েছে, অনেক পরিশ্রম করেছে, তার সবটা মিয়ানমার অস্বীকারও করেনি। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের সমদূরত্ব নীতি গ্রহণ করার কারণে বাংলাদেশ তার সম্ভাব্য সিএস এলাকার মধ্যে অনেক এলাকা হারিয়েছে, যা মিয়ানমারের অধিনে চলে গেছে। একইভাবে মিয়ানমারও তার সম্ভাব্য ইইজেড এলাকার মধ্যে অনেক এলাকা হারিয়েছে, যা বাংলাদেশ পেয়েছে। কিন্তু সেন্টমার্টিন কোনভাবেই হারায়নি এই রায়ে।

কিন্তু হঠাৎ করেই মিয়ানমার এমন দাবি করবে কেন? রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো চলমান একটি ইস্যু থেকে বিশ্ব মিডিয়ার দৃষ্টি সরাতে মিয়ানমার ইচ্ছাকৃতভাবে এমন দু:সাহস করেনিতো? রোহিঙ্গা ইস্যুটি বিশ্বে এখন অতি মানবিক ইস্যু।এই ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে মিয়ানমারকে চাপে ফেলেছে। জাতিসঙ্গের মানবাধিকার কাউন্সিলের তথ্যানুসারেও মিয়ামারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আন্তজার্তিক সম্প্রদায়ের এইসব পদক্ষেপে বেকায়দায় থাকা মিয়ানমার মানচিত্র নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে কতটুকু সফল হতে পারবে?

বাংলাদেশ সরকারকে এই রহস্যের সঠিক সত্য উদঘাটন করা উচিত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে। এমন উদ্ভট দাবির জন্যে শুধু দু:খ প্রকাশ নয়, মিয়ানমারকে আনুষ্ঠানকিভাবে ক্ষমাও চাইতে বাধ্য করা উচিত বলে আমি মনে করি। নতুবা আজ সেন্টমার্টিনকে যেমন দাবি করার সাহস পাচ্ছে মিয়ানমার, তেমনি কাল সিলেটকেও মেঘালয়ের অংশ দেখিয়ে ইন্ডিয়াও নিজেদের বলে দাবি করার সাহস দেখাতে পারে। সুতরাং আমাদের ভূখণ্ডের ব্যাপারে আমাদের এখনই সতর্ক না হলে অদূর ভবিষ্যতে ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশ বড় ধরণের হুমকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।

ভূরাজনীতির বিষয় বলে অনেকের কাছে বিষয়টি একেবারেই অস্পষ্ট থাকা অস্বাভাবিক লাগতেই পারে কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে এটি বাংলাদেশের জন্যে খুবই স্পশকাতর একটি বিষয়। এইসব বিষয়ে বিন্দুমাত্র চাড় দেওয়ার সুযোগ নেই কাউকে। মিয়ানমারের এমন অদ্ভুত দাবির যৌক্তিকতা আগেই বলে এসেছি কিন্তু তার পরেও অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি কি সত্যিই একদিন মিয়ানমার নিয়ে যেতে পারে? এই প্রশ্ন আসাটা অস্বাভাবিক কিছু নয় যদি ভূরাজনীতি সম্পর্কে আমাদের পরিস্কার ধারণা না থাকে। তাই আগে জানতে হবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি কিভাবে আমাদের হলো।

কবে প্রথম এই দ্বীপটিকে মানুষ শনাক্ত করেছিল তা কারোই জানা নাই। ইউকিপিডিয়ার তথ্য মতে, প্রায় ২৫০ বছর আগে আরব বণিকরাই প্রথম এই দ্বীপটি আবিষ্কার করেন। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক বন্দর চট্টগ্রাম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যাতায়াতের সময় এই দ্বীপটি তাদের চোখে পড়ে। তারা এই দ্বীপকে নিজেদের বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করতেন এই দ্বীপে প্রচুর নারকেল গাছ ছিল বলে তারা এর নাম দেন জিঞ্জিরা দ্বীপ। কালক্রমে চট্টগ্রাম এবং তৎসংলগ্ন মানুষের কাছেও দ্বীপটি জিঞ্জিরা দ্বীপ হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।

এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন ১৯৭৭ একর বা ৮ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ১৯টি মসজিদ, ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেন্ট মার্টিনের স্বাক্ষরতার হার ১৫.১৩ শতাংশ। ২০১১ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই দ্বীপের জনসংখ্যা ৬ হাজার ৭ শত ২৯ জন। সেন্ট মার্টিনে যাবার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হলো নৌপথ।

দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ এই দ্বীপে ৬৮ প্রজাতির প্রবাল আছে। ১৫১ প্রজাতির শৈবাল, ১৯১ প্রজাতির মোলাস্ক বা কড়ি-জাতীয় প্রাণী, ৪০ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৩৪ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, চার প্রজাতির উভচর, ২৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১২০ প্রজাতির পাখি, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে। এ ছাড়া ১৭৫ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এখানে দুই প্রজাতির বাদুড় ও পাঁচ প্রজাতির ডলফিনেরও বাস।

১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে বাঙালিরা প্রথম বসতি স্থাপন করে এই দ্বীপে। তার পরে মায়ানমার থেকে রাখাইন সম্প্রদায় বা আজকের রোহিঙ্গারা আরাকান থেকে এসে এই দ্বীপে বসতি করে। এরা প্রত্যেকেই ছিল মৎস্যজীবি। বাঙ্গালী ও রোহিঙ্গাদের সাথে অধিবাসী ১৩টি পরিবার বসতি স্থাপন করেছিল এই দ্বীপভাবেই দ্বীপটি বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় পরিণত হয়। এই দ্বীপের বৃক্ষ হলো কেয়া এবং ঝাউগাছ নারকেল গাছ এই দ্বীপের প্রধান বৃক্ষ। বর্তমানে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রায় দেড় লাখ নারকেল গাছ আছে।

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০০ সালে ভূমি জরিপের সময় এ দ্বীপটিকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সে সময়টিতে বার্মা ব্রিটিশ শাসনের আওতায় থাকলেও সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে বার্মার অন্তর্ভুক্ত না করে ব্রিটিশ-ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিলতখন ব্রিটিশরা জিঞ্জিরা নামের পরিবর্তে খ্রিষ্টান সাধু মার্টিনের নামানুসারে সেন্ট মার্টিন দ্বীপটির নতুন নামাকরণ করেন। সেই থেকেই নারকেলের জিঞ্জিরা দ্বীপটি সেন্ট মার্টিন নামেই পরিচিত

ভূতত্ববীদদের গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ৩৩ হাজার বছর আগে সে এলাকায় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। ৫০০০ বছর আগে টেকনাফের মূল ভূমির অংশ ছিল এই দ্বীপটি। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে ধীরে ধীরে এটি সমুদ্রের নিচে চলে যায়। এরপর প্রায় ৪৫০ বছর আগে বর্তমান সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ পাড়া জেগে উঠে। এর ১০০ বছর উত্তর পাড়া এবং পরবর্তী ১০০ বছরের মধ্যে বাকি অংশ জেগে উঠে।

বাংলাদেশে ও বিদেশের পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা সেন্ট মার্টিন দ্বীপ  কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে নয় কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় এ দ্বীপটি অবস্থিত। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প থেকে এবছর প্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি রাজস্ব এসেছে। অর্থনৈতিক জোন, পর্যটন এরিয়া, প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের অপার সম্ভাবনা এবং জিওগ্রাফিক্যাল বিভিন্ন দিক বিবেচনা করলেও সেন্ট মার্টিন একটি অতিগুরুত্বপূণ স্থান। তাই এই দ্বীপটি নিয়ে ভূরাজনীতি করার আগে আমাদের যেমন সতর্ক থাকতে হবে, ঠিক কোন বিরোধ দেখা দিলে তার মোকাবেল করতে হবে সুসম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে।

শিক্ষার্থী, আন্তাজার্তিক সম্পর্ক ডিপার্টমেন্ট, মাস্টার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখার জন্য কর্তৃপক্ষ কোনও ধরনের দায় নেবে না।


 

Bootstrap Image Preview