Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

সালমার ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে দোহার-নবাবগঞ্জ

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ মে ২০১৮, ০৫:৫৭ PM আপডেট: ৩০ মে ২০১৮, ০৫:৫৭ PM

bdmorning Image Preview


মো. নাজমুল হোসেন, দোহার প্রতিনিধি-

একটি দেশ বা একটি রাষ্ট্র তখনই পাল্টে যায় যখন উন্নয়ন বা সেবার মান তৃণমূলে পৌঁছায়। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় সেবার মানকে তৃণমূলে পৌঁছানো ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বদ্ধপরিকর।

২০১৪-২০১৮ বর্তমান সরকারের কেটে গেছে চারটি বছর। বেড়েছে সেবার মান, লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। বলছি ঢাকা জেলার আওতাধীন দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলার উন্নয়নের কথা। বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগ হলেও ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের স্থানীয় সাংসদ জাতীয় পার্টির।

২০১৪ সালের নির্বাচনে এ্যাড. সালমা ইসলাম জাপার লাঙ্গল মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা নিয়ে আসা এ্যাড. আব্দুল মান্নান বিপুল ভোটে পরাজিত হয়। কিন্তু ঢাকা-১ আসনে বর্তমান সরকারের সংসদ সদস্য না থাকার পরেও থেমে থাকেনি উন্নয়ন। বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও এ্যাড. সালমা ইসলামের একান্ত প্রচেষ্টায় উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের চিত্র।

স্বাধীনতার ৪৩ বছরে যে সকল উন্নয়ন হয়েছে, বর্তমান সরকারের চার বছরে দোহার-নবাবগঞ্জে তাঁর চেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছে ক্ষতাসীন সরকার ও স্থানীয় সাংসদ।

বর্তমান সরকার ও এ্যাড. সালমা ইসলামের প্রচেষ্টায় যে সকল উন্নয়ন দোহার নবাবগঞ্জে হয়েছে তাঁর কিছুটা চিত্র তুলে ধরা হলো। ঢাকা জেলা তথা জিনজিরা-কেরানীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ-দোহার-শ্রীনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণে সবচেয়ে বড় বাজেট ৪৬৭টি কোটি টাকা (কাজ চলমান)। এটি বর্তমান সরকারের একটি বড় সাফল্য। সেই সাথে দোহারে সর্বনাশা পদ্মা নদীর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ২১৭ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা (কাজ চলমান)। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও সাবলীল করার লক্ষে ৭২টি কার্পেটিং রাস্তা, আরও ২৪টি রাস্তা প্রক্রিয়াধীন, গ্রাম পর্যায়ে ৫১টি কাঁচা রাস্তা, ৪০টি ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, নদী ও খালে ১০টি ঘাটলা নির্মাণ, বন্যা কবলিত এলাকা হওয়ায় ৩টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, শুকনো মৌসুমে ইছামতি নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কোমরগঞ্জ থেকে বান্দুরা পর্যন্ত নদী খনন। বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঢাকা রক্ষা বাঁধ (কাশিয়াখালি স্লুইস গেট) নির্মাণ (টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন)।

শিক্ষা: শিক্ষার মান আরো বৃদ্ধির লক্ষে ৪২টি স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ। তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, লেখা পড়ার মান বৃদ্ধি ও খরচ কমানোর জন্য দুই উপজেলার ২টি স্কুল ও দুটি কলেজ সরকারিকরণ, ৭৮টি মসজিদ, ২২টি কবরস্থান ও ৩৭টি মন্দিরের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য অনুদান।

স্বাস্থ্যসেবা: স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে ১২টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, দোহার ও নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর জন্য ২টি এ্যাম্বুলেন্স এক্স-রে মেশিন, আল্টাসনোগ্রাম মেশিন, নতুন পানির পাম্প প্রদান। নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কেবিন স্থাপন, ১০ শয্যাবিশিষ্ট কৈলাইল মা ও শিশু হাসপাতাল (প্রক্রিয়াধীন)। ১৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত নলকুপ স্থাপন। নবাবগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমির ভবন নির্মাণ (চলমান), ১৮,২৭২টি পরিবারে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান, গরীব-দুস্থ নারীদের মাঝে ১,৬২২টি সেলাই মেশিন প্রদান, আইনের সহায়তা বৃদ্ধির লক্ষে নবাবগঞ্জে ২টি পুলিশ ফাঁড়ি নির্মান, দোহার উপজেলায় ১টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন।

যাতায়াত: দুই উপজেলার সড়ক উন্নয়নের জন্য জিডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ১১৫ কোটি টাকার বরাদ্দ (টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন)সহ দুই উপজেলার ২২ টি ও একটি পৌরসভার ৪টি ইউনিয়নকে ডিজিটাল সেবার মানন্নোয়ন করা হয়েছে। এছাড়া কৃষিকাজে সহায়তার জন্য সরকার প্রতিবছর বিনামূল্য বীজ ও সার প্রদান করা হচ্ছে।

এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে থানাটির উন্নয়নমূলক কাজে তারা সন্তুষ্ট।

Bootstrap Image Preview