Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৫ শনিবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

‘মানসিকভাবে বিধ্বস্ত’ আবিদ সুলতানতকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেপাল পাঠানো হয়

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০১৮, ১২:২৬ PM
আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৮, ১২:৩২ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটির পাইলট আবিদ সুলতানও মারা গেছেন। ইউএস বাংলার জনসংযোগ শাখার মহা ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ইউএস-বাংলার এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটির পাইলট আবিদ সুলতান দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে নেপালের কাঠমান্ডুর নরভিক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার শরীরের বেশির ভাগ অংশই বিমানের আগুনে পুড়ে গেছে।

ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানকে জোর করে হতভাগা ওই ফ্লাইটের ডিউটিতে পাঠানো হয়েছে। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ও অনিইচ্ছা প্রকাশ করার পরও তাকে পাঠানো হয়েছে ডিউটিতে। এ নিয়ে রবিবার রাতেই তিনি ইউএস বাংলার চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।চাকুরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার আরেকটি কারণ হলো ইথোওপিয়া নামের একটি বিদেশী এয়ারলাইন্সে তার চাকরির কথা ঠিক হয়েছে ফেব্রুয়ারিতেই। নতুন চাকুরিতে যোগ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই তার সঙ্গে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষের  সঙ্গে টানাপোড়েন আরো বেড়ে যায়। সোমবারের নেপালের ফ্লাইটটি অপারেট করতেও অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন আবিদ সুলতান। পরও তাকে বাধ্য করা হয়েছে ফ্লাইটটি পরিচালনা করতে।

বিমানের আইকাও আইন অনুযায়ী কোন পাইলটকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ফ্লাই পরিচালনা করতে বাধ্য করা অপরাধ। এটা রীতিমতো ফ্লাইটের সেফটির সঙ্গে আপোস করার সমান। দুনিয়াব্যাপী এই নিয়ম খুব কঠোরভাবে মানা হলেও ইউএস বাংলা আবিদ সুলতানের সাথে এই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন। পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

আবিদ সুলতানের সহকর্মী অপর পাইলটরা জানান, অনেকটা ইচ্ছার বিরুদ্ধেই তাকে নেপাল যেতে বাধ্য করা হয়েছিল।তাই তিনি স্বভাবতই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। মানসিক চাপ বা অশান্তি নিয়ে পাইলট যখন উড্ডয়ন ও অবতরণ করেন তখন একটার ঝুঁকি থাকবেই।

বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১১ বিমানটির পাইলট ছিলেন আবিদ সুলতান। তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একজন দক্ষ পাইলট ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আশংকাজনক অবস্থায় ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানকে কাঠমান্ডুর নরভিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো।সেখানেই তিনি মারা যান।

‘০২’ আর ‘২০’র দ্বিধায়- নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিচালন সংস্থা ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার আগ মুহূর্তে পাইলটের সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) রুমের সর্বশেষ কথোপকথনগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছে। ঐ কথোপকথনে ভুল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল  পাইলটকে। বিমানবন্দরের এটিসি থেকে ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের পাইলটকে অবতরণের জন্য দুইবার দুই রকম নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

কন্ট্রোল রুম থেকে ইউএস বাংলার পাইলটকে বিমানবন্দরের ডানদিকের রানওয়েতে (০২) অবতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পাইলটেরও সম্মতি ছিল বিমানটি ডানদিকের রানওয়েতে নামানোর।

নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমানবন্দরের ডান দিকেই কন্ট্রোল রুম থেকে বিমানকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু রানওয়ের কাছাকাছি এসে পাইলট দেখেন ডানদিকে রানওয়ে খালি নাই। তিনি আবার কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সাথে সাথে তাকে ভিন্ন বার্তা দেওয়া হলো কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে। কিন্তু দুই নম্বর রানওয়ে ফ্রি করার জন্য কন্ট্রোল রুমের কাছে অনুরোধ জানান পাইলট। বার বার অনুরোধ করে পাইলট কন্ট্রোল রুমকে বলেন, স্যার আমি আবারও অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন। কিন্তু তাকে তখনও ভিন্ন বার্তা দেওয়া হয়েছে কন্ট্রোল রুম থেকে। পাইলটের আর কিছু করার ছিল না।

এর পরপরই উড়োজাহাজটি থেকে বিকট শব্দ পাওয়া যায়। এর কিছু সময় পরে ২টা ১৮ মিনিটে উড়োজাহাজটি ত্রিভুবন বিমানবন্দরের পাশের একটি মাঠে আছড়ে পড়ে।

নেপালের ইংরেজি দৈনিক ‘নেপালি টাইমস’ মন্তব্য করেন, ‘কন্ট্রোল রুম থেকে ভুল বার্তা দেওয়ার কারণেই ককপিটে দ্বিধায় পড়েন পাইলট’। অর্থাৎ ‘০২ আর ২০ এর দ্বিধায় গেল এতোগুলো প্রাণ!’

নেপালি ইংরেজি দৈনিকটি থেকে পাওয়া পাইলট আবিদ সুলতান ও কন্ট্রোল রুমের  পুরো কথোপকথনটি তুলে দেওয়া হলো-

কন্ট্রোল রুম: ‘বাংলা স্টার ২১১’ (ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ) আমি আবারও বলছি, রানওয়ে ২০ তে যাবেন না। এখনকার অবস্থানেই থাকুন।

আবিদ সুলতান: ঠিক আছে। আমরা ডান দিকে যাচ্ছি। আমরা রানওয়ে ০২ এর দিকে যাচ্ছি।

কন্ট্রোল রুম: সেটা ভালো। কিন্তু এখনই নামবেন (ল্যান্ড) না। রানওয়ে ০২ এখনও পরিষ্কার নয়।

আবিদ সুলতান: ঠিক আছে। আমরা অপেক্ষা করছি।

এরপর ‘ভিটি-৫২০’ নামে অন্য উড়োজাহাজকে নির্দেশনা দেওয়া হয় কন্ট্রোল রুম থেকে। স্থানীয় এবং ইংরেজি ভাষায় অস্পষ্ট কিছু সংকেত আসে।

কন্ট্রোল রুম: (ইউএসবাংলাকে প্রশ্ন করা হয়) আপনি এখন নামতে পারেন। জানান, রানওয়ে ০২ নাকি ২০-এ নামবেন?

আবিদ সুলতান: ২০-এ নামার কথা জানান।

কন্ট্রোল রুম: ঠিক আছে। রানওয়ে ২০ খালি করা হচ্ছে। বাতাস ২৭০ ডিগ্রি, ৬ উত্তর।

এরপর বেশ খানিকক্ষণ উড়োজাহাজের শব্দ।

কন্ট্রোল রুম: ২১১ আপনি কি রানওয়ের উদ্দেশে উড়ছেন?

আবিদ সুলতান: নেগেটিভ স্যার।

এরপর নির্দেশনা আসে, বাংলা স্টার ২১১ আপনি ডানে ঘুরুন।

কন্ট্রোল রুম: নিশ্চিত করুন (কিছুটা অনিশ্চিত গলার স্বর) আপনি উত্তর দিক থেকে আসছেন? ঠিক কি না?

আবিদ সুলতান: ঠিক। আমরা উত্তর দিক থেকে আসছি। নামার জন্য অনুরোধ করছি।

কন্ট্রোল রুম:  ঠিক আছে। ইউএস-বাংলা ২১১, আপনারা নামুন।

আবিদ সুলতান: আমি ০২ রানওয়েতে নামার অনুরোধ করছি।

কন্ট্রোল রুম থেকে অন্য আরেকজন রানওয়ে ০২-এ ‘বাংলা স্টার ২১১’ নামার জন্য তৈরি করতে বলা হয়। এরপর আরেকটি কন্ঠে বলা হয়,  ট্রাফিকের কারণে ‘বাংলা স্টার ২১১’ কে রানওয়ে ২০ তে নামতে হবে। সেটি এখন ২০ এর অবস্থানেই আছে। আপনি বর্তমান অবস্থান ধরে রাখুন।

আরেকটি উড়োজাহাজকে নির্দেশ দেন কন্ট্রোল রুমের ওই কণ্ঠটি। ওই উড়োজাহাজটি জবাবও দেয়। (এখানে কিছুটা অস্পষ্ট কণ্ঠস্বর)। এরপর আবার উড়োজাহাজের শব্দ। এরপর নির্দেশ আসে ইউএস বাংলার প্রতি- (উত্তেজিত কণ্ঠে) বাংলাস্টার ২১১ আমি আবারও বলছি ঘুরুন। এরপর অগ্নিনির্বাপক দলের প্রতি নির্দেশ দেন কন্ট্রোল রুমের ওই কণ্ঠ। এরপর ২টা ১৮ মিনিটে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে দেখানো হয়।

এই কথোপকথন বিষয়ে কথা হয় একজন বৈমানিকের সঙ্গে। ওই বৈমানিক জানান, বৈমানিকদের পরিভাষায় ০২ মানে ০২০ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর অর্থ উত্তর দিক থেকে ২০ ডিগ্রি ডানদিকে। অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব দিকে। আর ২০ মানে দক্ষিণ-পশ্চিম।

ওই বৈমানিক আরও জানান, কাঠমান্ডুর রানওয়েটি সিঙ্গেল রানওয়ে হলেও দুই দিক থেকে অবতরণ করা যায়। বিভিন্ন মৌসুম ও বাতাসের দিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে উড়োজাহাজের অবতরণ।

তিনি বলেন, কাঠমান্ডু বিমানবন্দর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮-২০ হাজার ফুট উপরে। এত উপরে উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণ অনেক কষ্টকর। কারণ উড়োজাহাজ যতই উপরে ওঠে, বাতাসের ঘনত্ব ততই কমতে থাকে।

এই পরিস্থিতিতে বাতাসের দিক পরিবর্তনের (প্যাটার্ন অব উইন্ড) দিকে নজর দেওয়াই কষ্টকর। সেখানে কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা হলে দুর্ঘটনা ঘটা বিচিত্র কিছু নয়।

এদিকে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই নেপাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, চালকের ভুলের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক সঞ্জিব গৌতম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, পাইলটের ভুলেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।

সঞ্জিব জানান, দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে আসা ‘বিএস-২১১’ উড়োজাহাজটিকে রানওয়ের দক্ষিণ পাশ থেকে নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটি কম গতি নিয়ে উত্তর দিক থেকে অবতরণ করার চেষ্টা করে। যে কারণে রানওয়ের পাশে ছিটকে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়।

নেপালে এই দুর্ঘটনায় মোট ৬৭ যাত্রীর মধ্যে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে অন্তত ২৪ জনকে। জীবিত ১৭ জনের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছে। মারা গেছেন পাইলট আবিদ সুলতানও।

ওই ফ্লাইটে সিলেটে পড়ুয়া ১৩ নেপালি মেডিকেল শিক্ষার্থী ছিলেন তাদের মধ্যে দুজন বেঁচে আছে এমন খবর আসলেও নিশ্চিত জানা যায়নি। ক্রুদের মধ্যে কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ ও খাজা হোসেন মারা গেছেন। ক্রু মেম্বার কেএইচএম শফি বেঁচে নেই।

এদিকে আনিকা পাণ্ডে নামে এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বিজনেস ইনসাইডার জানায়, নামার সময় স্বাভাবিক গতি ছিল না ইউএস বাংলার উড়োজাহাজটির। নামতে গিয়ে শেষ মুহুর্তে গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করে। এর পর মূহুর্তেই এটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই নেপালের সিভিল এভিয়েশনের মহাপরিচালক সঞ্জীব গৌতমকে উদ্ধৃত করে কাঠমাণ্ডু পোস্ট জানায়, অবতরণের সময়ে বেশ অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায় ফ্লাইটিতে।

সেটি অনেকটা নিয়ন্ত্রণহীন ছিল। রানওয়ের দক্ষিণ দিকে অবতরণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দক্ষিণ দিকের অনুমতি নিয়ে সেটি উত্তর দিকের রানওয়েতে ল্যান্ড করে। তিনি সন্দেহ করছেন, কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণেই এমনটা ঘটেছে। যদিও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ঢাকায় ইউএস-বাংলার একজন কর্মকর্তা জানান, আবেদ সুলতানই ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন ছিলেন। নেপাল টিভি জানাচ্ছে, পাইলটের সহকারী হিসেবে ছিলেন একজন নারী। তিনিও মারা গেছেন।

অন্যদিকে ইউএস বাংলার দাবি, নেপালে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ কন্ট্রোল রুমের ভুল। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোল রুমের ভুলের কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

সোমবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বারি ধারায় ইউএস-বাংলার করপোরেট অফিসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা একেকবার একেক নির্দেশনা দিচ্ছিল, যে কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমাদের পাইলট আবিদ সুলতান বিমান বাহিনীতে ছিলেন। ১৭ হাজার ঘণ্টা ফ্লাই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) থেকে পাইলটকে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ায় টেকনিক্যাল গাফিলতি দেখা যাচ্ছে। আমার মনে হয় না, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো গাফিলতি ছিল।

তিনি বলেন, উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের দেড় ঘণ্টা পর আমরা দুর্ঘটনার খবর পাই। ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন ফ্লাইটে। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উড়োজাহাজে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। এটা দুর্ঘটনা।

তিনি বলেন, গত তিন বছরে ইউএস-বাংলা ৩৬ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে কোনো ত্রুটি ছাড়া। এই ফ্লাইটটিতেও কোনো ত্রুটি ছিল না। এটি একটি দুর্ঘটনা। নেপালের সিভিল এভিয়েশন দুর্ঘটনার কারণ জানতে কাজ করছে। আর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা ইতোমধ্যে একটি হটলাইন চালু করেছে। যাত্রীদের স্বজনরা প্রতিমুহূর্তের খবর পাচ্ছে।

Bootstrap Image Preview