Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২১ বুধবার, নভেম্বার ২০১৮ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক আগামীকাল

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৮, ১২:১০ PM
আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৮, ১২:১০ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খসড়া পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন ।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নির্বাচন ভবনে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সঙ্গে বসবে কমিশন।পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজশাহীতে ১৫ প্লাটুন, বরিশালে ১৫ প্লাটুন, সিলেটে ১৪ প্লাটুনসহ মোট ৪৪ প্লাটুন বিজিবি নিয়োগ করা হবে।

পুলিশের আইজি, র‌্যাবের ডিজি, বিজিবি, আনসার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেবেন। নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও তিন সিটির রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন-পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়েই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ছক চূড়ান্ত করবে ইসি। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, ভোটের আগের দুই দিন থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বলা হয়, তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ২৪ জন নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন রাখা যেতে পারে। এছাড়া পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে মোবাইল ফোর্স এবং প্রতিটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে।

মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোটের দুই দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরে একদিন মিলিয়ে চার দিন মাঠে থাকবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র‌্যাব-পুলিশের টিম ও কয়েক প্লাটুন বিজিবি রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে সংরক্ষিত রাখার সুপারিশও করেছে ইসি সচিবালয়

এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষে প্রচারণা শুরু হলেই প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী হাকিম মাঠে থাকবে।এ সময় তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে বিচারিক হাকিমও নিয়োগ করবে ইসি।

Bootstrap Image Preview