Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ শুক্রবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

১০ বছর বয়সে বই লিখেছিলেন অর্থমন্ত্রী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০১৮, ০৫:৩০ PM
আপডেট: ১০ মার্চ ২০১৮, ০৫:৩৭ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তার শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানিয়েছেন, ‘আমার বয়স যখন ১০ বছর, তখন আমি বই লিখে স্কুল থেকে পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। পরবর্তীতে জীবনে আমি এটা থেকে বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম।

আজ শনিবার শিশু একাডেমি মিলনায়তনে অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশু সাহিত্য পুরস্কার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান।

৭ বিভাগে মোট ৩৯ জন শিশু সাহিত্যিকদের এ পুরস্কার দেয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

উপস্থিত শিশুদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, তোমরা এখনই ঠিক করে নেবে বড় হয়ে তুমি কী হতে চাও। এ কাজে তোমরা শিক্ষক, অভিভাবক ও সহপাঠীদের সহায়তা নেবে। এখনই যদি তোমরা এটা ঠিক করতে পারো তাহলে অবশ্যই তোমরা সফল হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতার মধ্যে একটি হলো এখন সব শিশু স্কুলে যায়। ঝরে পড়ার হারও কমেছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে।

শিশু একাডেমির পরিচালক আনজীর লিটক স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ১৯৮১ সালে অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ২০০৭ সালে থেকে এটি ‘অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার’ নামে দেয়া হতো। ২০০৮ সাল থেকে এর নাম করা হয় ‘অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার’। বাংলা বছর অনুযায়ী প্রকাশিত বইয়ের ওপর ভিত্তি করে এ পুরস্কারের আয়োজন করা হয়। প্রতি বছর ৭টি শাখায় পুরস্কার দেয়া হয়। এ বছর এক সঙ্গে গত ৬ বছরের পুরস্কার দেয়া হলো।

যে ৭টি শাখায় এ পুরস্কার দেয়া হয় সেগুলো হলো- কবিতা-ছড়া-গান, গল্প-উপন্যাস-রূপকথা, অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনী, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, নাটক ও বই অলঙ্করণ।

১৪১৮ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কবিতা-ছড়া-গানে রাশেদ রউফ ও খালেদ হোসাইন, গল্প-উপন্যাস-রূপকথায় মোহিত কামাল, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধে কাজী কেয়া, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে তপন চক্রবর্তী এবং বই অলংকরণে নাসিম আহমেদ।

১৪১৯ বঙ্গাব্দে কবিতা-ছড়া-গানে হাসনাত আমজাদ, গল্প-উপন্যাস-রূপকথা দন্ত্যস রওশন, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে শেখ আনোয়ার, নাটকে হানিফ খান এবং বই অলংকরণে মনিরুজ্জামান পলাশ।

১৪২০ বঙ্গাব্দে কবিতা-ছড়া-গানে আখতার হুসেন, গল্প-উপন্যাস-রূপকথায় দীপু মাহমুদ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধে সোহেল আমিন বাবু, অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনিতে ফারুক হোসেন, নাটকে আ শ ম বাবর আলী এবং বই অলংকরণে বিপ্লব চক্রবর্তী।

১৪২১ বঙ্গাব্দে কবিতা-ছড়া-গানে রোমেন রায়হান, গল্প-উপন্যাস-রূপকথায় ইমতিয়ার শামীম, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধে তপন বাগচী, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে মনসুর আজিজ এবং বই অলংকরণে মোমিন উদ্দীন খালেদ।

১৪২২ বঙ্গাব্দে কবিতা-ছড়া-গানে পলাশ মাহবুব, গল্প-উপন্যাস-রূপকথায় ইমদাদুল হক মিলন, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধে রীতা ভৌমিক, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ড. আলী আসগর মাহফুজুর রহমান, অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনিতে হাসান খুরশীদ রুমী, নাটকে আশিক মুস্তাফা এবং বই অলংকরণে সব্যসাচী মিস্ত্রী।

১৪২৩ বঙ্গাব্দে কবিতা-ছড়া-গানে মারুফুল ইসলাম ও আহমাদ উল্লাহ, গল্প-উপন্যাস-রূপকথায় মোশতাক আহমেদ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধে শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল, অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনিতে মশিউর রহমান জামিল বিন সিদ্দিক, নাটকে আবুল মোমেন এবং বই অলংকরণে উত্তম সেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন-মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম।

Bootstrap Image Preview