Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ বৃহস্পতিবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারবাসীর বন্যা-সাইক্লোন পুনর্বাসনে ১২০ মিলিয়ন অর্থ দিবে ডেনমার্ক

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৭, ১১:৩১ PM
আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০১৭, ১১:৩১ PM

bdmorning Image Preview


কূটনৈতিক প্রতিবেদক-

বাংলাদেশে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দ্বারা নির্যাতিত আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও কক্সবাজারের স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ১২০ মিলিয়ন অর্থ প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে ডেনমার্ক।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্র সচিব মার্টিন বিল হারমেন আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হকের সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে আলোচনার সময় এ কথা জানান।

আজ (১৪ নভেম্বর-২০১৭) রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় দু-দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বাংলাদেশের প্রশংসা করেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কারণে।

মার্টিন বিল তার দেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজের দেশে স্থান দিয়ে বাংলাদেশ একটি অসাধারণ কাজ করেছে।

২৫ আগস্ট থেকে আগত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে উন্নত হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক ও ডেনমার্কের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মার্টিন বিল হারমেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দুটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে।

তারমধ্যে একটি হচ্ছে রাজনৈতিক অপরটি কক্সবাজার এলাকায় রোহিঙ্গাদের জীবনমান উন্নয়ন, বন্যা ও সাইক্লোন মোকাবেলা, স্থানীয় পর্যায়ে কৃষিশিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন কাজ করতে ৩৩ মিলিয়ন (৫ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সাহায্য-সহযোগিতা প্রদানের।

পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক ডেনমার্কের পররাষ্ট্র সচিব মার্টিন বিলকে সমন্বিত উন্নয়নের কথা বলেন।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্র সচিব মার্টিন বিল দারিদ্র্য নিরসন, শিক্ষার সুযোগ এবং স্বাস্থ্যখানে বাংলাদেশের অবদানের কারণে অভিনন্দন জানান।

তিনি সাস্টেইনেবল ডেভেলোপমেন্ট গোলস (এসডিজি) পরিপূর্ণ করার প্রশংসা করেন।

সচিব পর্যায়ের উন্নয়ন লক্ষ্য পূরণে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডেনমার্ক ও বাংলাদেশ ঢাকায় আগামী বছরের এপ্রিল মাসে একটি যৌথ 'গ্রিন গ্রোথ কনফারেন্স'র আয়োজন করেছে যেখানে উভয় দেশের বিশেষজ্ঞরা সবুজায়ন নিয়ে আলোচনা করবেন।

দুই কর্মকর্তাকে ডেনমার্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বি-পক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা করেন। গত পাঁচ বছরে দু'দেশের মধ্যে এটি দ্বিগুণ হয়েছে। বাণিজ্যে উভয়ের সহযোগিতা অব্যাহত থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে মাইগ্রেশন, মানবাধিকার এবং আসন্ন নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও আলোচনা করেন।

Bootstrap Image Preview