Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২১ বুধবার, নভেম্বার ২০১৮ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

আজব নিয়ম; ঋতুস্রাবে পানি স্পর্শ করতে পারবে না নারীরা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:১২ PM
আপডেট: ১৩ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:১২ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

ঋতুস্রাব একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া মহিলাদের৷ কিন্তু সমাজের এক শ্রেণীর মানুষের কুসংস্কারচ্ছন্ন চিন্তাভাবনার জেরে আজও অপবিত্র হিসেবে মানা হয় এই দিনগুলি৷ ঢুকতে দেওয়া হয় না মন্দিরে৷ এছাড়াও আরও বেশ কিছু বাধা নিষেধ রয়েছে৷ কিন্তু ঘানা এই সমস্ত কুসংস্কারকেও ছাপিয়ে গিয়েছে৷

ঋতুস্রাব চলাকালীন মেয়েদের নদী পেরোনো একেবারে নিষিদ্ধ৷ ঘানার আপার দেনকিয়ারা গ্রামে এমনই একটি নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে মেয়েদের উপরে৷ ওই এলাকায় এমনই এক চিরাচরিত রীতি প্রচলিত রয়েছ৷ ওই গ্রাম থেকে বাইরে যেতে গেলে একমাত্র ভরসা অফিন নদী৷ কিন্তু মেয়েরা ওই নদী পারাপার করতে পারেন না সবসময়৷

ওই গ্রামের নিয়ম কানুন যারা নির্ধারিত করেন, তাদের নেওয়া সিদ্ধান্তের জেরেই পিরিয়ডস চলাকালীন মেয়েরা অপবিত্র৷ এইসময় তারা সমস্তরকম কাজকর্ম থেকে যেমন একদিকে বিরত থাকেন৷ তেমনই নিষেধাজ্ঞার ঝুলি চাপিয়ে দেওয়া হয় তাদের উপরে৷

অফিন নদী পারাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করার ফলে মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে যেতে পারেন না ওই গ্রামেরই ছাত্রীরা৷ এরফলে শিক্ষাব্যবস্থার উপরেও একটি মারাত্মক প্রভাব পরছে বলে মনে করছেন ওই গ্রামেরই বাসিন্দারা৷ এই নিয়মই এতটা কঠোর যে, গ্রামের কেউ এই নিয়মের বিরোধিতা করতে পারেন না৷ কেউ যদি আপত্তি করার চেষ্টাও করেন৷ তাহলে কড়া নিয়মের খাড়া এসে নামে তাদের উপর৷

ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের রিপোর্টে উঠে এসেছে একটি ভয়াবহ তথ্য৷ ঘানার জনসংখ্যা প্রায় ২৮মিলিয়ন৷ যেখানে মহিলাদের সংখ্যা প্রায় ১১.৫মিলিয়ন৷ কিন্তু এই দেশে সঠিক শৌচালয়ের ব্যবস্থা নেই একবিংশ শতাব্দীতেও৷ পাশাপাশি ইউনেস্কোর থেকেও একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে৷ সেই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, পিরিয়ডসের জন্য দেশের ১০শতাংশ মেয়েরা স্কুলে যেতে পারেন না৷ যদিও এই চিরাচরিত প্রথার বিরোধিতা করেছেন ইউনিসেফ মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন অ্যাম্বাসাডার শামিমা আলহাসান৷ কলকাতা।

Bootstrap Image Preview