Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২১ বুধবার, নভেম্বার ২০১৮ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

পণ্য গুদামজাত করে রাখা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ জানুয়ারী ২০১৮, ০৭:৫৭ PM
আপডেট: ০৭ জানুয়ারী ২০১৮, ০৭:৫৭ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

মানুষের প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী বাজারে মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তা গুদামজাত করে রাখা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।কেননা যে সময় মানুষের যে দ্রব্যসামগ্রীর প্রয়োজন সে সময় পণ্য গুদামজাত করে রাখলে এর দ্বারা পণ্যমূল্য বেড়ে যায় এবং অন্যত্র পাওয়া যায় না।এতে  বাজারে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয় এবং ক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হন।

মূলত গুদামজাত করনের মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে বাজারে একচেটিয়া প্রভাব খাটানো। এজন্যই শরীয়তে হারাম করা হয়েছে।

হাদীসে মানুষের প্রয়োজনয়ের সময় গুদামজাতকারীকে অভিসম্পাত করা হয়েছে। অপরাধী আখ্যা দেয়া হয়েছে। তবে যেসব ভোগসামগ্রী মানুষের প্রয়োজন নেই অথবা এসব পণ্য বিক্রির জন্য আরও বাজার রয়েছে, মানুষ অন্যত্র পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং কষ্টসাধ্য নয় তাহলে যদি তা মজুদ করে রাখা হয় সেটা হারাম মজুদদারী হবে না। যা প্রাচীনকাল থেকে ব্যবসায়ীরা করে আসছে।

এজন্য মজুতদারি নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে। যেমন, পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির অপেক্ষায় থাকা। মজুদকৃত দ্রব্য মানুষের অতীপ্রয়োজনীয় হওয়া। এবং নিজের ও পরিবারের এক বছরের প্রয়োজনের অতিরিক্ত হওয়া।

এসব শর্ত পাওয়া না গেলে মজুদদারি হারাম হবে না। বরং ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ধরা হবে। প্রয়োজনের সময় মজুতদারীর প্রতি অভিসম্পাত করে বলেছেন, অপরাধী ব্যতিত অন্য কেউ যেন মজুতদারী না করে। বুখারি। আরেক হাদীসে এসেছে, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে চল্লিশ দিন খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে রাখবে আল্লাহ তার থেকে দায়মুক্ত হয়ে যাবেন এবং সেও আল্লাহ থেকে দায়মুক্ত হয়ে যাবে।

Bootstrap Image Preview