Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ শনিবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

বইমেলায় 'তরুণদের' মন নেই বইয়ে

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৫:৫৭ PM
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৫:৫৭ PM

bdmorning Image Preview


রায়হান শোভন।।

পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বই মেলার আজ ১৩ তম দিন।বই মেলায় দেখা মেলে ছোট বড় সকল বয়সী পাঠকদের।এবারের বই মেলায় পরিসরের সঙ্গে আধা ঘণ্টা সময়ও বাড়িয়েছে বাংলা একাডেমি। বিস্তৃত হয়েছে মেলার পরিসর ,বৃদ্ধি পেয়েছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। কিন্তু পাঠকের মন যেন পরে আছে অন্য কোথাও।মেলায় সকল বয়সী মানুষ আসলেও বেশিরভাগ মানুষের মন নেই বইয়ে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মেলায় আগত বেশিরভাগই তরুণ-তরুণী।তাদের অল্প কিছু সংখ্যক পাঠক মেলায় এসে বই দেখছেন আর কিনছেন।মেলায় আসা এসব তরুণীদের এক বিরাট অংশই ব্যস্ত হয়ে পরছেন ঘোরাঘুরি আর সেলফি তোলায়।কিন্তু যে জন্য এই মেলার আয়োজন সেই দিকে দৃষ্টিক্ষেপন নেই কারো।তবে বয়োজেষ্ঠ পাঠকদের দেখা গেছে মেলায় এসে তারা সুন্দরভাবে ঘুরে দেখছেন মেলার একেকটি স্টল এবং সেখান থেকে বাছাই করে ক্রয় করছেন তাদের পছন্দের বই।

তরুণদের বইয়ের প্রতি অনাগ্রহের কথা জানতে চাইলে, আবুল কালাম আজাদ(৫৫) নামের এক পাঠক বিডিমর্নিংকে বলেন, বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা ইন্টারনেট মুখী হয়ে গেছে।তারা সবসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ডুবে থাকে।কিন্তু এর বাইরেও যে একটা জগত আছে সেটা তাদের বুঝতে হবে।তিনি, আরো বলেন আমি ইন্টারনেটের বিরুদ্ধাচারণ করছিনা।কারণ তরুণ প্রজন্ম চাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-বুকেও বই পড়তে পারেন।বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।আমাদের সকল জ্ঞানের আধার হচ্ছে।এই সোস্যাল নেটওয়ার্ক বা ফেসবুকের যুগেও আমি সাংঘাতিকভাবে বইপন্থি মানুষ। যতই দিন যাচ্ছে আমি ততই বেশি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে, একটা মানুষকে পরিপূর্ণ হতে হলে তাকে অবশ্যই বই পড়তে হবে।

সিফাত ইসলাম নামের এক তরুণ বিডিমর্নিংকে বলেন,আমরা অনেকেই ইন্টারনেট এবং আমাদের নিজেদের কাজে এত বেশি সময় দেই যে এর বাইরে আমরা চাইলেও সময় দিতে পারিনা।আমাদের উচিত বই পড়া।কারণ আমাদের জীবনটা অনেকটাই পাঠ্যপুস্তক আর ইন্টারনেট জগতে আবদ্ধ হয়ে গেছে।

Bootstrap Image Preview