Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ মঙ্গলবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

সৌন্দর্য হারাচ্ছে কুয়াকাটা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০:৩৪ AM
আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০:৩৬ AM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক:

সাগর কন্যা খ্যাত কুয়াকাটা হারাতে বসেছে তার সৌন্দর্য। পর্যটকদের আকর্ষণ করার অন্যতম অনুষঙ্গ ইকোপার্কটি এখনো লণ্ডভণ্ড অবস্থায় পড়ে আছে সমুদ্র সৈকত ঘেঁষে। সিডর ও আইলার আঘাতে বিধ্বস্ত ইকোপার্কটি দ্রুত উন্নয়ন ও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীসহ পর্যটকরা। অবশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে ইকোপার্কটি উন্নয়নে দু'টি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।

২০০৫ সালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার পূর্ব গঙ্গামতি, পশ্চিম খাজুরা ও ফাতরার বন এলাকার প্রায় এক হাজার ৬শ' ১২ হেক্টর জমিতে নির্মাণ করা হয় দৃষ্টি নন্দন ইকোপার্ক। যা বর্তমানে জাতীয় উদ্যান নামে পরিচিত। তবে প্রলয়ঙ্করী সিডর ও আইলার আঘাতে বিধ্বস্ত পার্কটির ছাতার ছাউনি, বিশ্রাম বেঞ্চ, লেক ও কাঠের পুলসহ বিনোদনমূলক নানা স্থাপনা পড়ে আছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। সাগর গর্ভে বিলীন হওয়ায় নেই নারকেল বাগানের চিহ্ন। এ অবস্থায় পার্কটি দ্রুত উন্নয়ন ও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীসহ পর্যটকরা।

এ বিষয়ে পর্যটকরা জানান, উদ্যানে গাছপালা তেমন নেই, আছে কিছু ঝাউ গাছ। এখানকার পরিবেশ পরিচ্ছন্ন নয়। বসার জন্য আরো কিছু বেঞ্চ দরকার।

এলাকাবাসীরা জানান, এখানে একটা লেক আছে কিন্তু সেটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নেই। কেউ বসতে পারেনা, তাই এখানে পর্যটক কম। সিডরে ভাঙ্গার পর এই পার্কে কোনো পরিচ্ছন্নতা নেই। এখানে কর্মকর্তাদের কোনো খেয়াল নেই।

অবশ্য ইকোপার্কটি উন্নয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বন বিভাগ আলাদা দু'টি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।

পটুয়াখালীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অজিত কুমার রুদ্র বলেন, যেসব স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে সেগুলোর মধ্যে যেগুলো মেরামত যোগ্য তা মেরামতের জন্য ও নতুন স্থাপনা ঠিক করার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্প প্রণয়ন প্রায় শেষ পর্যায়ে।

২০০৫-২০০৭ অর্থ বছরে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে ২ কিলোমিটার পূর্বে ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ইকোপার্কটি নির্মাণ করা হয়।

Bootstrap Image Preview