Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২১ শুক্রবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

তুর্কি প্রেসিডেন্টকে হত্যার আহ্বানে সুইজারল্যান্ডে ব্যানার

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৭, ০৯:৩৭ PM আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৭, ০৯:৩৭ PM

bdmorning Image Preview


আন্তর্জাতিক ডেস্ক-

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে সুইজারল্যান্ডে জনসম্মুখে ব্যানার প্রদর্শন করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবারের এ ঘটনায় আইনের লঙ্ঘন করে সহিংসতায় উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ এনে সুইজারল্যান্ডের প্রসিকিউটররা তদন্ত শুরু করেছে বলে সোমবার জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার সুইস শহর বার্নে এরদোগানের ক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কয়েক হাজার ব্যক্তি বিক্ষোভ করে। এতে একদল কুর্দিও ছিল। এ সময় একটি ব্যানারে লেখা ছিল 'এরদোগানকে নিজের অস্ত্র দিয়েই হত্যা করো'। এতে এরদোগানের একটি ছবি জুড়ে দিয়ে তার মাথা বরাবর একটি পিস্তল তাক করে রাখা হয়। এ ঘটনায় আংকরায় সুইস কূটনীতিকদের তলব করে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায় তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিজেও এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জার্মানি এবং নেদারল্যান্ড নাৎসি-স্টাইলে তার সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবের পক্ষের সভা-সমাবেশ বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু সুইজারল্যান্ড এর চেয়েও বেশি অগ্রসর হয়েছে। এরদোগান বলেন, তাদের বামপন্থী দলগুলো এবং সন্ত্রাসীরা একজোট হয়েছে, সুইস পার্লামেন্টের সামনে তারা একসঙ্গে মিছিল বের করে আমার মাথায় বন্দুক তাক করা ছবি ঝুলিয়েছে। বার্ন পুলিশের মুখপাত্র ডমিনিকি জায়েগি বলেন, তদন্তকারীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ওই ব্যানারটির মাধ্যমে সুইস আইন লংঘন করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ওই ব্যানারটি বাজেয়াপ্ত করেনি। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, বিক্ষোভকালে পুলিশ সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনি। তবে আমরা নিশ্চিত করছি যে সেখানে ওই ব্যানারটি ছিল। তুর্কি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই বিক্ষোভের আয়োজক ছিল তুরস্কের কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি-পিকেকে। এ দলটিকে তুর্কি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করলেও সুইজারল্যান্ড তা করেনি। এদিকে এক ইমেইলে জানানো হয়েছে, শনিবারের ওই বিক্ষোভকে একাধিক দল সমর্থন করেছে। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহৎ দল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং কুর্দি-তুর্কি-সুইস সংস্কৃতি সমিতি থাকলেও এতে পিকেকে নেই। দলের সদস্যরা ওই ব্যানার থেকে দূরে ছিল জানিয়ে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন মুখপাত্র বলেছেন, বিক্ষোভদের আয়োজকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন একটি বিচ্ছিন্ন গ্রুপ ব্যানারটি ঝুলিয়েছিল।

Bootstrap Image Preview