Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ শুক্রবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

অপুষ্টির কারণে শিশুরা কৃশকায়-খর্বাকায়

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:১৬ PM
আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:১৬ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

বর্তমানে দেশে অপুষ্টিজনিত কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ শিশু খর্বাকায়। এছাড়া ১৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিশু কৃশকায় এবং ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ শিশু কম ওজনে ভুগছে।

‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপন উপলক্ষে গতকাল রবিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত সচিক হাবিবুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আজ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য হল- ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথা ভাবুন।

সংবাদ সম্মেলনে সচিব সিরাজুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে অপুষ্ট শিশুর হার কামিয়ে আনছি। পুষ্টি সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

পুষ্টিবিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ, আইওয়াইসিএফ, স্যাম ও সিম্যাম ও অন্যান্য অপুষ্টির ওপরে ৩৮ হাজার ৫৪১ জনকে (ডাক্তার, নার্স মাঠকর্মী) প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। শিশুদের পুষ্টিসেবার জন্য ৪২৪টি জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইএমসিআই ও পুষ্টি কর্নার স্থাপন করা হয়েছে।

মারাত্মক অপুষ্ট শিশুদের চিকিৎসার জন্য ২০২টি জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘স্যাম’ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। খাদ্যের মান নির্ণয়ের জন্য জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছে।

পুষ্টিকর খাদ্য শাকসবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, তেল-বীজের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি খাদ্য বিতরণে অনুপুষ্টি চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে আমরা ২০০৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে ১ শতাংশ হারে ৫ বছরের নিচের শিশুদের খর্বতা হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছি।’

সচিব জানান, ১৯৯৬-২০০১ সময়ে পুষ্টি সপ্তাহ পালিত হয়। মাঝখানে বহু বছর পুষ্টি সপ্তাহ পালিত হয়নি। গেল বছরের ১৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে পুনর্গঠিত জাতীয় পুষ্টি পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ২৩-২৯ এপ্রিল জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

পুষ্টি সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রথম দিন অর্থাৎ ২৩ এপ্রিল ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে। এদিন মেলা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিন মাতৃপুষ্টি, ৩য় দিন ৫ বছরের নিচে শিশু পুষ্টি (অটিস্টিক শিশুসহ), ৪র্থ দিন কিশোরী পুষ্টি ও স্কুল পুষ্টি, ৫ম দিন বৃদ্ধ বয়সে পুষ্টি ও স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিং, ৬ষ্ঠ দিন বহু-পাক্ষিক অবহিতকরণ ও সমন্বয় এবং ৭ম দিন পুষ্টি বিষয়ে রচনা লেখাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ করা হবে।’

Bootstrap Image Preview