Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ রবিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

রসিক নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকতে চায় বিএনপি

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:৩২ PM আপডেট: ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:৩২ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং পলিটিক্যাল ডেস্ক-

রংপুর সিটি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রংপুর সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ইকবাল হাসান টুকু বলেন, তবু আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকতে চাই। নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেখতে চাই সরকার আসলে কী করে। তারা নির্বাচনে কারচুপি করে কি না।

রবিবার রংপুর মহানগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিএনপির নেতা।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো হয়নি। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থীরা যেভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদের নির্বাচন কমিশন কিছুই বলে না। অথচ আমাদের প্রার্থী হোটেলে বসে চা পান করলেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়।

২০১২ সালে রসিকের প্রথম নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বর্তমান বিএনপির দলীয় প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা। কিন্তু সেনা মোতায়েন না হওয়ায় ভোটের আগের রাতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এবারও তিনি সেনা মোতায়েন নিয়ে সরব। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম নুরুল হুদা ৭ ডিসেম্বর রংপুরে এসে বাবলার দাবি নাকচ করে দেন।

টুকু আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে তারা ভোট না পেলেও জয়ী হবে। শুধু তাই নয় ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট থাকলে পরিণতি খারাপ হবে।’ আসলে সরকার প্রথম থেকে চাইছিল না বিএনপি রংপুর সিটি নির্বাচনে অংশ নিক-এমন দাবি করে টুকু বলেন, ‘তার পরেও আমরা নির্বাচনে অংশ নেবার সিদ্ধান্ত নিই। তখন সরকার আমাদের প্রার্থী কাওছার জামান বাবলাকে বারবার ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেবার চেষ্টা করে। কিন্তু হাইকোর্টে তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়।’

আওয়ামী লীগ একক দল হিসেবে নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চেয়েছিল মন্তব্য করে টুকু বলেন, ‘কিন্তু সে সুযোগ তাদের (আ.লীগ) দেয়া হবে না। দেশের জনগণ তাদের চারিত্রিক মুখোশ খুলে দেবে।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক, বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিজু, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ প্রমুখ।

Bootstrap Image Preview