Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ বুধবার, অক্টোবার ২০১৮ | ২ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

কোটা স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী: আসাদুজ্জামান ইব্রাহীম

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০১৮, ১০:৩৭ AM
আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৮, ১০:৩৭ AM

bdmorning Image Preview


আরিফুল ইসলাম, ঢাবি প্রতিনিধিঃ

কোটা সংস্কারের গঠনমূলক যুক্তি উপস্থাপন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস ইন্সপেক্টর এবং ৩৬তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত আসাদুজ্জামান ইব্রাহীম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবাধেই হোক, মুক্তবুদ্ধির চর্চা করার কারণেই হোক অথবা আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে বেড়ে উঠে হৃদয় দিয়ে ছাত্রলীগ এর রাজনীতি করার কারণেই হোক, আমি জননেত্রী দেশরত্নের প্রতিটি ভালো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি বা করবো এটাই স্বাভাবিক। বিবেকের তাড়নায় সব সময় সাদাকে সাদা বলতেই পছন্দ করি। বিগত কয়েক বছর যাবত সকল সরকারি চাকরিতে প্রচলিত কোটা ব্যবস্থার প্রতি সকল শ্রেণি বা পেশার মানুষের অসন্তোষ ও স্বাধীনতার চেতনা বাস্তবায়িত না হওয়া নিয়ে চাপা ক্ষোভ এর কারণ পর্যবেক্ষণ করে যথাসম্ভব দ্রুত কোটা সংস্কারের কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরছি-

১। যে কতগুলো লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ সর্বোপরি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তার প্রধান কারণ ততকালীন বৈষম্যমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। তখন হিসেব করা হত ব্রিটিশ বনাম ভারতীয় উপমহাদেশ, পশ্চিম পাকিস্তান বনাম পূর্ব পাকিস্তান,আর এখন হিসেব করা হয় কোটাধারী বনাম মেধাবী, সুবিধাভোগী বনাম মেধাবী। এই তুলনা করা আমাদের সমাজকে দুই ভাগে বিভক্ত করে দিচ্ছে, যা আগামীর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতির কারণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন বৈষম্যহীন সমাজ কিন্তু এইক্ষেত্রে হচ্ছে তার উল্টোটা।

২। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হল- যার কারণে সে বঞ্চিত হয় তাকে দোষারোপ করা, তাকে নানা রকম কটুক্তি করা। এর ফলে কোটাধারী এই গোষ্ঠীর প্রতি জন মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের অব্যক্ত ক্ষোভ দানা বাধছে যা কখনো কখনো উকি দেয়ার চেষ্টা করছে। যার প্রতিফলন হল কোটাধারীদের নিয়ে নানা রকম ব্যঙ্গ করা, খোঁচা দিয়ে কথা বলা, দেশকে স্বাধীন করেছিস এখন লুটেপুটে খা এসব মন্তব্য করা।রস+আলোতে কোটা নিয়ে ব্যঙ্গ করা। এটা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে পরস্পরের মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিচ্ছে যা শুভ লক্ষণ নয়।

৩। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দেশের মানুষের অনুভূতি দিন দিন ভোতা হয়ে যাচ্ছে- তোর বাবা যুদ্ধ করেছে তুই সুবিধা পাচ্ছিস, আমার বাবা যুদ্ধ করে নাই এর মানে এই নয় যে সে বিরোধিতা করছিল, কিন্তু কেন আমি বঞ্চিত হচ্ছি? আমি কি দেশ মাতৃকার সন্তান নই? আমি কি ছোট বেলা থেকে জাতীয় সংগীত, জাতীয় চেতনাকে একদিনের জন্যও ভুলে গেছি? তাহলে কেন আমি মেধার মূল্যায়ন পাব না? কেন আমার চেয়েও এত কম নাম্বার পেয়ে একজন অধিক যোগ্য বিবেচিত হবে? তাহলে একজনকে কি সামনে ঠেলে দেয়া হচ্ছে না? একজন চাকরি না পাওয়া যুবক বা যুবতী যদি বলেই বসে, "বাবা তুমি যদি যুদ্ধ করতে তাহলে আমি চাকরিটা পেতাম"। বাবা কেন যাও নি? যার কারণে একই প্রজন্মের মধ্যে এত বৈষম্য হচ্ছে? তাহলে কি আমাদের বর্তমান বৈষম্য ২লক্ষ ৪৭ হাজার বনাম ১৬ কোটি? এই ধারণা মনে আসা কি ভালো কিছুর ইঙ্গিত দেয়?

৪। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্বের জায়গা, অহংকারের প্রতীক। কিছু মানুষকে সুবিধা দেয়ার জন্য আমাদের এই চেতনার সাথে কি আমরা আপস করছি না? আজকে বিশ্ববিদ্যালয় এর হলগুলোতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা গর্ব করে বলতে পারছে না আমি গর্বিত আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এমনকি হলে থাকার সময় দেখেছি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা পরিচয় দিতে লজ্জা পায় তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তাহলে কি আমরা আমাদের গর্বের জায়গা কে চাকরি পাওয়ার বিনিময়ে কোটার কাছে বিসর্জন দিচ্ছি না? মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা স্বাধীন দেশে, স্বাধীন ভূ-খন্ডে কেন বন্ধুদের সাথে বসে চাকরির ফর্ম পূরণ করতে পারবে না শুধু কোটায় টিক দিবে বলে?

৫। কেউ যদি গর্ব করে বলতে পারে যে, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তাহলে কেন মেধা ও কোটাকে আলাদা করে বিসিএসসহ অন্য পরীক্ষার ফলাফল দেয়া যাবে না? আমরা কি নিরবে মেনেই নিচ্ছি যে, আলাদা কোটার রেজাল্ট প্রকাশ করলে বিসিএস এর মত চাকরিতে গর্বের জায়গাটা তরুণ প্রজন্মের কাছে উন্মোচিত হয়ে যাবে? স্বাধীন বাংলাদেশে সুবিধাভোগ করলে স্বীকার করতে ভয় কোথায়? তবে কি এ ব্যবধান আকাশ-পাতাল? তাহলে কি বলা যায় না যে, এক শ্রেণিকে এগিয়ে দেয়ার জন্য অন্য সব মেধাবীদের মেধাকে অস্বীকার করার সুযোগ করে দিচ্ছে রাষ্ট্রযন্ত্র। এটা তো পুঞ্জিভূত ক্ষোভ জন্ম দেয়ার কারখানা।

৬। একজন মুক্তিযোদ্ধার ছেলে বা মেয়ে কি মেধাবী হতে পারে না? তাহলে, কোটার সুবিধা পেয়ে চাকরি নেয়ার জন্য কেন ঐ ছেলে বা মেয়ের মেধাকে সমাজ গ্রহণ করছে না? তবে, কি কোটার অধিকাংশ তুলনামূলক কম মেধার অধিকারী? রাষ্ট্র কি ভূগোল বুঝাতে চাইছেন তরুণ প্রজন্মকে? না খরগোশ এর গল্পের মত নিজে চোখ বুজে আছে এর অর্থ হল আমাকে কেউ দেখছে না।

৭। একজন কোটাধারী ছেলে বা মেয়ে যদি ১৫০০/২৫০০তম হয়ে এএসপি বা প্রশাসন ক্যাডার পাওয়ার ব্যবস্থা রাষ্ট্র করতে পারে তাহলে বুক পকেটে কেন লিখে রাখতে বাধ্য করা যাবে না, নাম:----অমুক, মেধাক্রম:১৫০০তম, বিসিএস: প্রশাসন (গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারী) । তাহলে কি ঐ ছেলে বা মেয়ে শুধু চাকরি পেতে চায়? গর্বিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিতে লজ্জা পায়? কথিত মেধাবীর লেবাস পরতে অনেক কিছুকে মেনে নিতে পারে? ২২২/২২১তম হয়ে কেন একটি ছেলে বা মেয়ে পিএসসি কর্তৃক "মেধাবী কিন্তু কোটাধারীদের জন্য চাকরি দেয়া সম্ভব হল না " এই সার্টিফিকেট টুকু পাবে না? তার মেধার কি কোনই মূল্য নাই?

৭। একই বাংলাদেশে বাস করে যখন একজন বিসিএস এর আবেদন ফি দেয় ১০০টাকা আর অন্য সবাই দেয় ৭৩০টাকা, তখন ঐ কম আবেদন ফি ওয়ালা সবার সামনে গর্ব করতে পারবে সে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান? সবার জন্য একই শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেন একজন আবেদন এর জন্য পাবে ৩২, অন্য সবাই ৩০ বছর। এটা কোন ধরণের সমাজ যেখানে গড় আয়ু সমান হওয়া সত্ত্বেও অবসরের বয়স সুবিধাভোগীদের জন্য বেশি? এমনিভাবে সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি, না সমাজকে চিরদিনের জন্য বিভক্ত করার শপথ নিতে সহায়তা করছি?

৮। আমরা কি এক একটি মুক্তিযোদ্ধা কোটা সার্টিফিকেট দিচ্ছি, না আলাউদ্দিন এর চেরাগ বা পরশ পাথরের লাইসেন্স দিচ্ছি? যা কিছু চাওয়া যাবে তাই পাওয়া যাবে অথবা কোমল স্পর্শে সব কিছু স্বর্ণ হয়ে যাবে এমন গ্যারান্টি দিচ্ছি? এক ঘরে সবাই ফরেন, এডমিন বা পুলিশ, আর সারা গ্রামেও কোন মেধাবী নেই যে সহজে একটি চাকরি জুটাতে পারে। মেধা কি অমাবস্যা বা পূর্নিমা তিথিতে শুধু ঐ ঘরেই বর্ষিত হয়েছিল?

অনেকে কোটা সংস্কারের বিরোধিতা করতে পারেন তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ভাই বা বোন একবার ভাবুন তো ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে কেনা স্বাধীনতা এবং এতে অবদান রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শুধু কোটার কারণে কেউ মনঃক্ষুণ্ণ হবে, কোটাধারীদের জন্য বঞ্চিত হয়ে কেউ নীরবে চোখের জল ফেলবে এটা কি আপনি মেনে নিতে পারবেন? আমি পারি না কেননা দেশ স্বাধীন হয়েছিল ঘরের কোনে লুকিয়ে কাঁদতে থাকা বালিকার চোখের জল মুছে দেয়ার জন্য।শিক্ষিত সন্তান চাকরি পেয়ে মাকে বুকে নিয়ে উল্লাস করার জন্য, সাবালিকা বোনের বিবাহ দেয়ার জন্য পিতার দায়িত্ব কাদে তুলে নিয়ে পিতার দুঃখকে লাঘব করার জন্য। দেশ স্বাধীন হয়েছিল একই মাঠে সকল শিশু খেলতে যাওয়ার অধিকার পাবে তার জন্য, কিন্তু বড় হয়ে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়াবে এর জন্য নয়। শিক্ষাগ্রহণ ও পরিবারের চাহিদা মেটানোর দায়ভার নিয়ে আত্মহত্যা বেছে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে দেশে ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে, মায়ের আঁচলে মুখ মুছে পরিবারের দুখ ঘুচানোর জন্য দিনরাত ত্যাগ স্বীকারের বিনিময়ে প্রিয়জনের মুখে হাসি ফুটাতে, দীর্ঘদিন এক সাথে সুন্দর মুহুর্ত কাটিয়ে চাকরি পেয়ে প্রিয়জনকে ঘরে তুলে সুখ-সমৃদ্ধির স্বপ্ন সাজাতে, কারো স্বপ্ন ভাঙ্গার ফেরিওয়ালা হতে নয়।

আরে ভাই, যে সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নিলে আপনি বন্ধু মহলে মুখ দেখাতে পারেন না, পিতাকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতে লজ্জা পান, আমি মেধাবী এটা উচ্চস্বরে বলতে পারেন না, সেই সুবিধা কি এতই জরুরি? আপনার পিতার ত্যাগের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা উঠতে পারে এমন সুবিধা নেয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। মনে রাখবেন, আপনার বয়স অল্প কিছুদিনের কিন্তু আপনার বাবার ত্যাগ, মায়ের সম্ভ্রমহানির প্রতি রাষ্ট্রের শ্রদ্ধা চিরদিনের একবার নষ্ট হয়ে গেলে আর ফিরিয়ে আনা যাবে না। আরে আপু, আপনি কি মেধাবী না?

যে কোটা ব্যবহার করলে কেউ আপনার মেধার মূল্যায়ন করবে না, আপনার চাকরি পাওয়ার কৃতিত্ব দিবে না, তা কি এত প্রয়োজনীয় হয়ে গেল আপনার কাছে? চাচা, মুক্তিযুদ্ধে গেছেন আপনারা দেশের জন্য জীবন দিতে পারেন এটা প্রমাণ করতে, তাহলে যে সার্টিফিকেট আপনার অবদান নিয়ে প্রশ্নের উদ্ভব ঘটায় তা কেন ব্যবহারের অনুমতি দিবেন? যে সার্টিফিকেট ভুয়া কিনা তা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকায় হরহামেশাই নিউজ হয়, তা কি নেয়া খুবই দরকার? আমারতো মনে হয়, আপনারা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন তারা কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়, দেশ মাতৃকাকে রক্ষা করার জন্য, দেশের তরুণ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণের জন্য যুদ্ধে গিয়েছিলেন।

তাহলে, যে সুযোগ সুবিধা নিলে তরুণ প্রজন্ম ধিক্কার দেয়, যে সুবিধা নিতে গেলে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কাজ বাধাগ্রস্ত হয়, তা আপনারা হাসি মুখে গ্রহণ করতে পারেন না। দেশের ১৬কোটি মানুষের অভিশাপের উপর দিয়ে আপনার সন্তান সে সুযোগ পাওয়ার জন্য রাস্তায় নামতে চাইলে আপনি বাধা না দিয়ে থাকতে পারেন না।

অনেকে হয়তো বলবেন যে, অনেকেরই এই কোটা সংস্কারের প্রতি সমর্থন নেই। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই- একবার কিছু সময়ের জন্য মাতৃভূমির মাটিতে কান পেতে দেখুন, তরুণ প্রজন্মের হৃদয় কি বলছে? একটি বার সোস্যাল মিডিয়ায় কোটা সংস্কারের বিরোধিতা করে একটি স্ট্যাটাস দিন- দেখবেন লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতীর গালমন্দ শুনতে সময় লাগবে কয়েক মিনিট। কোটি পরিবারের অসন্তোষের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে যাবে মুহূর্তের মধ্যে।

এরপরও পরিক্ষা করতে চান? তাহলে জনমত জরিপের জন্য গণভোটের আয়োজন করুন। এই ভোটে কোটা সংস্কার জরুরি পক্ষ পাবে ৯৯% ভোট। আর একভাগ? না- তারাও কোটা আগের জায়গায় রাখার পক্ষে ভোট দেয়নি। তারা ভোট কেন্দ্রে যায়নি এই কথা ভেবে যে, এই মুহুর্তে কোটা সংস্কার জরুরি তা বুঝার জন্য যদি গণভোট লাগে, তাহলে বুঝতে হবে সূর্য আগামীকাল কোন দিকে উঠবে তার জন্যও গণভোটের দরকার আছে।

পরিশেষে বলতে চাই, পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও কোন সময় তরুণ প্রজন্মের দাবি আদায় হতে না দিয়ে কোন সমাজই ঠিকে থাকতে পারে নাই, আমরা কি পারব তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। আপনি ভাবুন, আর পরক্ষণেই প্রতিধ্বনিত করুন, "কোটা স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী, কোটা সংস্কার চাই"।

Bootstrap Image Preview