Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ মঙ্গলবার, অক্টোবার ২০১৮ | ১ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

লোকবল সংকটে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, উত্তোলন নিয়ে শঙ্কা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৮, ০২:২৭ PM
আপডেট: ১০ আগস্ট ২০১৮, ০৪:২৯ PM

bdmorning Image Preview


মোঃ হারুন-উর-রশীদ,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উত্তোলিত কয়লার মধ্যে ১ লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লা ঘাটতির ঘটনায় গত ১৯ জুলাই ৫ জন মহাব্যস্থাপকের মধ্যে তিনজনকে বরখাস্ত করে খনিটির নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা। এতে খনিটিতে কর্মরত ৫ জন মহাব্যস্থাপকের মধ্যে তিনজন মহাব্যস্থাপকের পদ শূণ্য হয়ে যায়। অপরদিকে দুজন মহাব্যস্থাপক কর্মরত থাকলেও তারা অন্য প্রকল্পে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় এখন প্রশাসনিক জট বেধেচে। ফলে স্থবীর হয়ে পড়েছে সাভাবিক দাপ্তরীক কাজকর্ম।

এরআগে খনি কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন আগামী সেপ্টেম্বর মাসে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে। কিন্তু খনিটির সাভাবিক কাজকর্ম স্থবীর হয়ে পড়ায় আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে আশঙ্কা। সময়মত খনি থেকে কয়লা উত্তোলন না হলে অকেজো হয়ে থাকবে বড়পুকুরিয়ার ৫২৫ মেগাওয়াড তাপ বিদুৎ কেন্দ্রটি। গতকাল বৃহস্পতিবার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের কর্মচঞ্চল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির গেটটি এখন জন শূন্য হয়ে পড়েছে। খনির ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তা কর্মিরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়ার অনুরোধ করেন, কিন্তু কে অনুমতি দেবে তা সঠিক করে কেউ বলতে পারেনি। কোন কর্মকর্তা কারো সাথে কোন কথা বলতেও রাজি নন। এমন কি ফোনে একাধিক কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও শুধু আমার দায়িত্ব নয় বলে ফোন কেটে দেন।

খনির কয়েক জন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত ১৯ জুলাই খনিটির এমডি সহ চার কর্মকর্তাকে পদচ্যুত করার পর থেকে এই আতঙ্ক ও প্রশাসনিক জটিলতা শুরু হয়।

গত ২৪ জুলাই খনির কর্মকর্তাদের নামে মামলা ও দুদুকের তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন আতঙ্কের জায়গায় পরিণত হয়েছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি। গত ৫ ও ৬ আগষ্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক শফিকুল আলম খনি পরিদর্শন করে গত ১৭ বছরের কাগজপত্র জব্দ করায় এই আতঙ্ক আরো প্রকট হয়ে পড়ে।

এদিকে খনিতে কয়লা না থাকায় গত ২২ জুলাই থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে  ৫২৫ মেগাওয়াট  ক্ষমতা সম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ কেন্দ্রের।

ওই কর্মকর্তারা বলেন খনিটিকে বাচিয়ে রাখতে হলে খনির প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন করতে হবে, কারন এই খনিটির উপর নির্ভশীল বড়পুকুরিয়া ৫২৫ গেওয়াড তাপ বিদুৎ কেন্দ, এই খনিটি অচল হয়ে পড়লে, তাপ বিদুৎ কেন্দ্রটিও অচল হয়ে পড়বে।

Bootstrap Image Preview