Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ধরা পড়ল ২০,০০০ পিস ইয়াবা হয়ে গেল ২২০!

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০১৮, ০৮:৪৭ PM আপডেট: ২৫ জুলাই ২০১৮, ০৮:৪৮ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

মাগুরার শালিখায় গ্রামবাসীর অভিযোগে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ। তবে মামলা দায়েরের সময় ইয়াবার পরিমাণ কমে ২২০ পিস হয়ে যায়। এমনকি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তথ্য দেয়ায় একজনকে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ বুধবার শালিখা থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) বিরুদ্ধে মাগুরার দুর্নীতি দমন ট্রাইবুনাল আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন শালিখা উপজেলার সাবলাট গ্রামের বিশারত মোল্যার ছেলে মহব্বত হোসেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৩১ মার্চ কক্সবাজারের টেকনাফ এবং নারায়ণগঞ্জের তিন মাদক ব্যবসায়ী বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে মাগুরার শালিখা উপজেলার সাবলাট গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী কামরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছিল।

পরে গ্রামের বিশারাত মোল্লার ছেলে মহব্বত হোসেন বিষয়টি জানতে পেরে গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের সাবরাম শিকদার পাড়ার জামাল হোসেন, একই উপজেলার গুচ্ছগ্রামের সালিমুল্লাহ এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বিষনন্দী গ্রামের ইউসুফ আলীকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়।

তবে এ ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলেও শালিখা থানার ওসি রবিউল ইসলাম উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ ২২০ পিস হিসেবে উল্লেখ করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সরিয়ে ফেলেন এমনটা অভিযোগ করা হয়।

অন্যদিকে শালিখা থানার ওসি মাদক ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দেয়ায় আসামিদের সঙ্গে মহব্বত হোসেনের নামটিও জুড়ে নানাভাবে হয়রানি করছেন। শুধু তাই নয়, মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরবর্তিতে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায় করলেও হয়রানি বন্ধ হয়নি।

মামলার বাদী মহব্বত হোসেন বলেন, রবিউল ইসলাম এখানে ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরই মাদকের ব্যবসা বিস্তার লাভ করেছে।

শালিখা থানার ওসি রবিউল ইসলাম মামলাটি ‘শত্রুতামূলক’ বলে দাবি করে বলেন, এই মামলার বাদী মহব্বত হোসেন এলাকার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। কিছুদিন আগে তার নেতৃত্বে একটি খুনের ঘটনা ঘটে। সে ওই মলার অভিযুক্ত আসামি। তাছাড়াও তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে। সে বিশেষ উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করেছে।

মামলার আইনজীবী গোলাম নবী শাহিন জানান, বুধবার আদালতে মামলার আবেদন দাখিল করা হলে দুর্নীতি দমন ট্রাইবুনালের বিজ্ঞ বিচারক শেখ মফিজুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

Bootstrap Image Preview