Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ফোর-জির পর এবার ফাইভ-জির দ্বারপ্রান্তে দেশ: প্রযুক্তিমন্ত্রী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০১৮, ০৫:২৯ PM আপডেট: ০৮ জুলাই ২০১৮, ০৬:০১ PM

bdmorning Image Preview


রায়হান শোভন।।

ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফোর-জি চালুর পর বাংলাদেশ এখন ফাইভ-জি এর দ্বারপ্রান্তে দেশ।  আর পঞ্চম প্রজন্মের এই নেটওয়ার্ক চালু হলে সমস্ত পৃথিবীর মানুষের জীবনধারনের আমূল রূপান্তর হবে। আজ রবিবার দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল সংযোগ সেবা প্রতিষ্ঠান রবি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্যোক্তারা সঠিকভাবে পরিকল্পনা করতে পারছেন না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের  ব্যর্থতার মূল কারণ অর্থ নয়,  বিজনেস প্লান নষ্ট হওয়া। আর সঠিক পরিকল্পনার অভাবে তাদের স্বপ্ন-ভঙ্গ হয়।

মোস্তাফা জব্বার আরো বলেন, আমাদের সময় উদ্যোগগুলো ছিল কায়িকশ্রম ভিত্তিক। আমাদের সময় রবির এরকম উদ্যোগ পেলে আমাদের এত কষ্ট করতে হতো না।

রাজধানীর একটি হোটেলে রবির উদ্ভাবনী ডিজিটাল উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম আর-ভেঞ্চারস কার্যক্রমের শুরু উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।  অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, এতদিন পৃথিবী কায়িক শ্রম নির্ভরশীল ছিল। এখন তা মেধাশ্রম দিয়ে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। আর এই মেধাশ্রমকে গুরুত্ব দিয়েই নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে আমাদের।

অনুষ্ঠানে রবির আর-ভেঞ্চারস প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন তার কারণ এই যে, তারা সেভাবে নিজেদের মেধা গড়ে তুলতে পারেন না। আমি দেখেছি, প্রায় ৯৫ শতাংশ উদ্যোক্তাই বিজনেস প্ল্যান তৈরি করতে পারেন না। ক্যাশ ফ্লো কীভাবে হবে তার পরিকল্পনা করতে পারেন না। এগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।

এসময় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়েও কথা বলেন তিনি। মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল্ভাবে সব রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ত্রুটি ধরা পরে নাই। তিনি আরও বলেন আমরা আজ থেকে আনুষ্ঠানিভাবে নৌ-মন্ত্রনালয়ের সাথে স্যাটেলাইট ব্যবহারের জন্য চুক্তি করবো।

অনুষ্ঠানে রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দীন আহমেদ বলেন, চাকরি করলেও অনেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার বা নিজে কিছু করার সুপ্ত স্বপ্ন থাকে। কর্পোরেট দুনিয়ায় কাজ করে অনেকেই তাদের এসব স্বপ্ন শেষমেষ পূরণ করতে পারেন না। আমরা আমাদের কর্মীদের জন্য এই সুযোগটিই তৈরি করে দিচ্ছি। এখানে আমাদের কর্মীরা তাদের চাকরি দায়িত্ব পালন করেও নিজেদের স্বপ্ন পূরণে আমাদের থেকে সবধরনের সহযোগীতা পাবেন।

প্রসঙ্গত, নিজেদের কর্মীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হতে চায় এমন কর্মীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা করতে ২০১৬ সালে প্রাথমিকভাবে শুরু হয় রবির আর-ভেঞ্চারস প্রকল্প। এতে প্রাথমিকভাবে মৌলিক ২১২টি পরিকল্পনা জমা দেয় রবিতে নিয়োজিত কর্মীরা। সেখান থেকে শীর্ষ ৬টি পরিকল্পনার উদ্যোগকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে রবি।

Bootstrap Image Preview