Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ সোমবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৭ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

লঞ্চঘাটে স্থায়ী কাউন্টার ব্যবহারে ৩০ মে পর্যন্ত আল্টিমেটাম

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মে ২০১৮, ০২:৫৮ PM
আপডেট: ২৭ মে ২০১৮, ০৪:৩২ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

সড়ক, রেল ও আকাশ পথে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাউণ্টারের মাধ্যমে টিকেট কাটার ব্যবস্থা থাকলেও নদীপথে এখনো তা গড়ে ওঠেনি।সরকারিভাবে সদরঘাটে আধুনিক টিকেট কাউন্টার করে দেয়া হলেও তা ব্যবহার করছেন না লঞ্চ মালিকরা। তবে, ৩০ মে’র মধ্যে মালিক পক্ষকে স্থায়ী কাউন্টার ব্যবহার শুরু করার আল্টিমেটাম দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। এদিকে, সদরঘাটকে হকার-মুক্ত করা হলেও ঈদ মৌসুমে তা ধরে রাখা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

ঈদে যাত্রীরা যাতে সহজে টিকেট পান তাই গত বছর সদরঘাট টার্মিনালের নতুন ভবনের নিচ তলায় লঞ্চ মালিকদের জন্য ৪৫টি কাউন্টার করে দিয়েছিলো বিআইডব্লিউটিএ। তবে, লঞ্চ মালিকদের খামখেয়ালীতে সেগুলোর ব্যবহার শুরু না হওয়ায় কাউন্টারগুলো এখন পথ-শিশুদের দখলে।

লঞ্চ মালিকদের দাবি, ব্যবহার উপযোগী না হওয়া ও মোবাইল ফোনেই যাত্রীরা কেবিন বুকিংয়ে অভ্যস্ত হওয়ায় কাউন্টারগুলো ব্যবহার করা হয় না।

লঞ্চ মালিকরা বলেন, লঞ্চে যারা যাতায়াত করেন তাদের বেশিরভাগ পরিচিত লোক। মোবাইল ফোনেই বুকিং হয়ে যায়। তাই কাউন্টার ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। কাউন্টারগুলো এমন ভাবে তৈরি একজন লোক একটা টুল নিয়ে শুধু বসতে পারে। একটা খোপ বানিয়েছে তারা। যাত্রীরা কাউন্টার থেকে টিকেট নেয় না।

এদিকে পাল্টে গেছে সদরঘাটের চিরচেনা রূপ। যাত্রীদের লঞ্চে ওঠানামার সুবিধার্থে ঈদ সামনে রেখে ইতোমধ্যে হকার-মুক্ত করা হয়েছে পুরো সদরঘাট এলাকা। বৃষ্টির মৌসুম ও অতিরিক্ত যাত্রী চাপের কথা মাথায় রেখে যাত্রীদের জন্য করা হয়েছে কয়েক হাজার আসনের ওয়েটিং রুমও।

বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক বলেন, সবখানে হকার মুক্ত করা হয়েছে। অপেক্ষমাণ যাত্রীদের নতুন ও পুরাতন স্থানে বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

প্রভাবশালীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে টার্মিনাল হকার-মুক্ত করে কাউন্টারের মাধ্যমে টিকেট বিক্রয় করা যায়, তাহলে আসন্ন ঈদ-যাত্রা ঝুঁকি-মুক্ত হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।  হকার-মুক্ত করে তবে এজন্য সরকারের কঠোর অবস্থান প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

Bootstrap Image Preview