Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ সোমবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৭ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

যৌতুকের টাকা না পেয়ে গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ মে ২০১৮, ০২:৩৫ PM
আপডেট: ১৬ মে ২০১৮, ০২:৩৫ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

যৌতুকের টাকা না পেয়ে শরীয়তপুরের দক্ষিণ ভাষানচর গ্রামের স্বামীর বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর নিহতের স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

বুধবার সকালে সদর উপজেলার দক্ষিণ ভাষানচর গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত খাদিজা বেগম (২০) সদর উপজেলার চরচটাং গ্রামের গোলাম মাওলা কাজীর মেয়ে।

নিহতের ছোট ভাই শাহিন কাজী জানান, দেড় বছর আগে খাদিজা বেগমের সঙ্গে একই উপজেলার দক্ষিণ ভাষানচর গ্রামের আ. সামাদ মৃধার ছেলে এবাদুল মৃধার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে জামাতাকে সোনা গহনা ও নগদ টাকা দেয়া হয়। বিয়ের কিছু দিন পর স্বামী এবাদুল পুনরায় টাকা জন্য স্ত্রী খাদিজাকে চাপ প্রয়োগ করে। বাবা-মা মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা দেন। একপর্যায়ে আরও টাকার জন্য মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে।

মঙ্গলবার এবাদুল ও খাদিজার মধ্যে যৌতুকের টাকা নিয়ে ঝগড়া হয়। এর পর রাতের খাবার খেয়ে সবাই শুয়ে পড়ে। পর দিন বুধবার সকালে পাশের বাড়ির এক লোকের মাধ্যমে গৃহবধূ খাদিজার অবস্থা খারাপ বলে খাদিজার বাবা ও মায়ের কাছে খবর পাঠানো হয়।

স্বজনরা এসে দেখেন ঘরের ভেতর চৌকির ওপরে মশারি পেঁচানো খাদিজার নিথর দেহ পড়ে আছে। স্বামীর বাড়ির কোনো লোকজন নেই। তারা খাদিজাকে হত্যা করার পর ঘরের মালামাল নিয়ে সবাই পালিয়ে গেছে। এর পর পালং মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

নিহতের মা আমেনা বেগম বলেন, বিয়ের সময় আমার মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে সোনার গহনা, টাকাপয়সা দিয়েছি। এর পর বারবার আমার মেয়েকে টাকার জন্য চাপ দেয়। বারবারই টাকা নেয়। এ পর্যন্ত দুই লাখ টাকা দিয়েছি। এর পর ও টাকার জন্য আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।

পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে খাদিজাকে হত্যা করা হয়েছে। তার গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Bootstrap Image Preview