Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ সোমবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৭ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মে ২০১৮, ১০:০২ PM
আপডেট: ১৫ মে ২০১৮, ১০:৩৮ PM

bdmorning Image Preview


মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধিঃ

মিরাজ ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস নামের এক জনশক্তি রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র জালিয়াতি করে এক কোটি বিশ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জানা যায়, মনোহরদী উপজেলা পরিষদ থেকে চার বারের নির্বচিত উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান পাঁচকান্দী গ্রামের মৃত ডা.আব্দুর রশিদের ছেলে মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত(সিএমএম)। গত সোমবার আদালত এ আদেশ জারি করেন বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী সাহাদাত হোসেন ফকরুল।

মামলার এজহার এবং তদন্ত প্রতিবিদন সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স মিরাজ ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক মিরাজ উদ্দিন ভুঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ব্যবসা পরিচালনা কালে উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরুর মাধ্যমে মনোহরদীর পাঁচকান্দী গ্রামের মোখলেছুর রহমান লিবিয়ার ৩৮০টি ভিসা আদান প্রদান সংক্রান্ত একটি চুক্তি করেন।

চুক্তি মোতাবেক ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত উপজেলা চেয়ারম্যান বীরুকে অবহিত করে মিরাজ উদ্দিন ভুঁইয়া বিভিন্ন সময় মোখলেছুর রহমানকে মোট এক কোটি আঠার লাখ আশি হাজার টাকা দেন।

পরবর্তীতে লিবিয়ায় কর্মী নেওয়া কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেলে মিরাজ উদ্দিন সাইফুল ইসলাম খান বীরু এবং মোখলেছুর রহমান নিকট টাকা ফেরত চাইলে তারা টাল বাহানা করেন। পরে ঘটনায় মিরাজ উদ্দিন ভুঁইয়া বাদি হয়ে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনা তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দিলে গুলশান থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো: ছাদেক মিয়া তদন্ত করে এ ঘটনার সত্যতা পান।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিল করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মনোহরদী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরু এবং মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরুর সাথে বার বার ফোনে যোগাযোগ করলে পাওয়া যায়নি।

মনোহরদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফখরুদ্দীন ভুঁইয়া বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই এবং গ্রেফতারি পরোয়ানার কোন কাগজ পত্র আমি পাইনি।

Bootstrap Image Preview