Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৪ সোমবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

খাগড়াছড়ি দুর্বৃত্তের গুলিতে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী খুন

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ০১:০৭ PM আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ০১:১০ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

খাগড়াছড়ি সদরের আপার পেরাছড়া এলাকায় পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খুন হয়েছেন। দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ঐ পার্থীর নাম সূর্য বিকাশ চাকমা (৫৩)। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবে ইউপিডিএফ সমর্থক হিসেবে তাঁর পরিচিতি থাকলেও তা অস্বীকার করেছে আঞ্চলিক দলটি। তাঁকে কে বা কারা হত্যা করেছে তাও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। অবশ্য ইউপিডিএফ এ ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতির এম এন লারমা পক্ষকে দায়ী করেছে।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ ওই এলাকার জনৈক দয়াল কুমার চাকমার বাড়ির উঠান থেকে সূর্য বিকাশ চাকমার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহতের স্ত্রী রিপনা চাকমা জানান, সর্বশেষ দুপুর ২টায় তাঁর স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল। তখন ওই বাড়িতে নিমন্ত্রণ খাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্ত্রী।

যে বাড়ির সামনে লাশটি পড়েছিল; সেই বাড়ির গৃহিণী নিপু দেওয়ান বলেন, ‘বাড়ির পাশে সূর্য বিকাশের জমি থাকায় প্রায়ই তিনি এখানে আসতেন। আজ হয়তো নিমন্ত্রণ খেতে এসেছিলেন। হঠাৎ করে দুটি শব্দ পাওয়া যায়। পরে বাইরে এসে দেখি তার লাশ পড়ে আছে।’ অবশ্য খুনিদের দেখেননি বলে জানান তিনি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি পেয়ার আহমদ জানিয়েছেন, কে বা কারা তাঁকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার আলী আহমেদ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ নিহতের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।

কমলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাউপ্রু মারমা জানিয়েছেন, সূর্য বিকাশ চাকমা গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জেলা সদরের কমলছড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলা সদরের কমলছড়ি এলাকায়। তবে তিনি শহরের পানখাইয়াপাড়া স্লুচগেট এলাকায় ভাড়া বাসায়  থাকতেন।

ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক মাইকেল চাকমা বলেন, ‘সূর্য বিকাশ চাকমা একজন ত্যাগী সমাজকর্মী ছিলেন। গত ইউপি নির্বাচনে তাঁকে ইউপিডিএফ সমর্থন দিয়েছিল। বিশেষ মহলের ইন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাঁকে হত্যা করেছে।’

জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা) এক নেতা বলেন, ‘এ ঘটনায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনসংহতি সমিতিকে জড়ানো হচ্ছে।’

Bootstrap Image Preview