Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২১ শুক্রবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

কিছু তথ্যের জন্য ৩ নেতাকে আনা হয়েছিল আটক করা হয়নি: ডিবি

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:৩৭ PM আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:০৬ PM

bdmorning Image Preview


মেরিনা মিতু।।

রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকা থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ৩ নেতাকে একটি তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা। এর পর ২ ঘণ্টা পার না হতেই আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রে জানা গছে। অবশ্য পুলিশ বলছে, তাঁদের তুলে নেওয়া হয়নি, বরং আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছিল।

সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে যেসব মামলা হয়েছে তা ২ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করা না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

এরপর দুপুরে সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন অভিযোগ করে বলেন,  সংবাদ সম্মেলন শেষে চানখারপুলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনে থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তাদের তুলে নেয়া হয়।

যদিও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, তিনজনকে তুলে নেওয়া হয়নি। তাঁদের আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে। হয়তো এতক্ষণ চলেও গেছেন। আন্দোলনকারী সংগঠনের ওই তিন যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র নুরুল্লাহ নূর, এমবিএর (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ) ছাত্র রাশেদ খান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ফারুক হোসেন। এর আগে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে যেসব মামলা হয়েছে তা ২ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করা না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নুরুল হক নুর, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান ও ফারুক হাসান।

এছাড়া সোমবার দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বিষয়েও আপত্তি তোলা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। ‘কোটা আন্দোলনের সেই চার নেতার একজন শিবিরের সক্রিয় কর্মী’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তরা বলেন, ‘ইত্তেফাক বিকেল ৫টার মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কাল থেকে সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাজ পত্রিকাটি বর্জন করবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, একটি কুচক্রীমহল আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী যখন ছাত্র সমাজের ক্ষোভের কথা বুঝতে পেরে দাবি মেনে নিয়েছেন তখন একটি মহল এটি বানচালের চেষ্টা করছে।

Bootstrap Image Preview