Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ বুধবার, অক্টোবার ২০১৮ | ২ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

দখল প্রবণতায় রংপুর-দিনাজপুর অস্তিত্ব হারিয়েছে ৩০টি নদী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০১৮, ০৮:৫২ AM
আপডেট: ১৪ মার্চ ২০১৮, ০৮:৫৫ AM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক: গেলো দু’শ বছরে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে অস্তিত্ব হারিয়েছে ৩০টি নদী। মরতে বসেছে আরও ৭০টি। উজান দেশে উৎপত্তি হলেও বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন জেআরসির তালিকায় নেই ১২টি নদীর নাম। নালা বা নর্দমার মতো এটি দেখে বোঝার উপায় নেই একদিন প্রমত্তা নদী ছিলো। নদীর ধারে নোঙর করতো দেশ-বিদেশের বড় বড় জাহাজ। সেই ঘাট ঘিরে গড়ে উঠেছিলো কোলাহল মুখর বিশাল বন্দর। যে বন্দরে গোড়াপত্তন আজকের শহর রংপুরের। কিন্তু সেই ইতিহাস, নদীর নাম নিয়ে বিভ্রান্তি। স্থানীয়রা বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই জেনে আসছি, এটা শেরাসুন্দরী খাল। এখানে আগে নদী ছিল। এটা ঘিরে ছিলো বাজার, ব্যবসা-বাণিজ্য। বড় বড় জাহাজও ছিলো এখানে। রিভারাইন পিপলের গবেষণায় ইছামতী নদীর তীরে গড়ে উঠেছে রংপুরের সভ্যতা। দু’শ বছর আগেও এ অঞ্চলে প্রবহমান ছিলো শত নদী। যার ৩০টি অস্তিত্ব হারিয়েছে, মরা অবস্থার দিকে যাচ্ছে আরও প্রায় ৭০টি। তাই নদীগুলো রক্ষার করুণ আকুতি। বাংলাদেশ রিভারাইন পিপলের সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, এই নদীর প্রকৃত ইতিহাস মানুষকে জানাতে হবে। এবং একই সঙ্গে নদীর যে অংশ দখল করার প্রবণতা তা এখনই বন্ধ করা প্রয়োজন। সারা বছর ব্রহ্মপুত্র, মহানন্দা, ধরলা, আত্রাই, গঙ্গাধর আর দুধকুমোর নদীতে নূন্যতম প্রবাহ থাকে। তিস্তাসহ বাকি সব পরিণত হয়েছে মৌসুমি নদীতে। সামান্য পানির প্রয়োজনেও তাই করতে হয় ’চাতক প্রতীক্ষা’। ভারতের সঙ্গে ৫৪টি অভিন্ন নদীর ১৮টি রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। কিন্তু ফুলকুমার, গঙ্গাধর, শানিয়াজান, গীদারি, চাওয়াই, বেরঙ, ভ্যারাই, শিঙ্গিমারীসহ ১২টি নদীর নাম নেই জেআরসি’র তালিকা।
Bootstrap Image Preview