Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৪ বুধবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৯ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ফুলবাড়ী ছোট যমুনা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৭:৪৬ PM
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৭:৪৬ PM

bdmorning Image Preview


হারুন উর-রশিদ, ফুলবাড়ী প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ছোট যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে বালু মজুদ ও বিক্রির ঘাট। ঘাটের বালু বহনকারী ট্রাক্টরগুলো বেপরোয়াভাবে যাতায়াত করায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ গ্রামীণ সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, শিবনগর ইউনিয়নের ছোট যমুনা নদীর তীরবর্তী বেলতলী ও গোপালপুর নামক দুটি স্থান বালু মহালের জন্য নির্দিষ্ট করে আতিয়ার রহমান মিন্টু কে সরকারী ভাবে ঘাট ইজারা প্রদান করা হয়েছে। শর্তানুযায়ী ইজারাকৃত নির্দিষ্ট ঘাট ব্যতীত অন্য স্থানে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ অবৈধ। অভিযোগ উঠেছে সরকারী নিয়মনিতি না মেনে ইজারাদার আতিয়ার রহমান মিন্টু নির্দিষ্ট স্থান থেকে বালু উত্তোলনের পাশাপাশী তার নেতৃতে উপজেলার দৌলতপুর, খয়েরবাড়ী ইউনিয়নসহ ছোট যমুনা নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এমনকি ক্ষোদ ইজারাদার কতৃক সরকারী ডাককৃত ঘাট থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়েও বালু তোলার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে খয়েরবাড়ী ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এনামুল হক ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে নদীর পাশে স্তুুপ করে রেখে দেধারছে বিক্রয় করছে। বারাই পাড়া গ্রামের মতি ও তোজাম্মেল হাজী নামে দুইজনও বারাইপাড়া ঘাট থেকে অব্যইধ ভাবে বালু তুলছে। এছাড়াও ইউনিয়নের জানিপুর বাঁধ সংলগ্ন যমুনা নদীর তীর ঘেঁষে একটি বিশাল এলাকায় গর্ত করে বালু উত্তোলন করায় হুমকির মুখে পড়েছে বাঁধটি। এদিকে নদী থেকে যত্রতত্র বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে যেমন কৃষকের কৃষি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে বালু বোঝাই ট্রাক্টর চলাচল করায় গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভেঙে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এদিকে অব্যইধ বালু উত্তলন কারী বারাই পাড়া গ্রামের মতি’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন শুধু আমরাই নয় আরো অনেকেই এভাবে বালু তোলে।ঘাট মালিক আতিয়ার রহমান মিন্টু’র সাথে কথা বলে কন্ট্রাকের মাধ্যমে বালু তুলছি তিনি আমাদেরকে বালুতোলার বিষয়ে কপ্রমাইস করেছে। অপরদিকে বালু ইজারাদার আতিয়ার রহমান মিন্টুর সাথে কথা বললে তিনি জানান নদীতে পানি থাকায় বালু তোলা সম্ভব হচ্ছে না সে কারনেই মেশিন দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। তবে সারা দেশে মেশিন দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে অন্যরা যদি তুলতে পারে তাহলে আমরা কেন পারবো না। নিদৃষ্ট ঘাট ছাড়া অন্য কোথাও যারা বালু তুলছে তারা মিথ্য কথা বলেছে তাদের সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। তাদের কে অনেক বার বাধা প্রদানের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে তারা সুনছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরীর বলেন, ইজারাকৃত নির্দিষ্ট ঘাট ব্যাতীত অন্য জায়গা থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ অবৈধ। ইজারাদার নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অন্য স্থানে বালু উত্তোলন করতে পারবে না।এ বিষয়টি অনেকে জানিয়েছে ব্যাবস্তা গ্রহনের জন্য তাই পুলিশ পাঠানো হচ্ছে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
Bootstrap Image Preview