Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ বৃহস্পতিবার, নভেম্বার ২০১৮ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ভালবাসা দিবস ও বসন্তকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত কুয়াকাটা 

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৪:৫০ PM
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৪:৫০ PM

bdmorning Image Preview


জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

বাসন্তি রংয়ে সাজাবো তোমার মন পাখি হয়ে তোমার সুরে গাইব গান বাতাস হয়ে নেভাবো তোমার মনের আগুন চুপিসারে কানে কানে বলব-এ ধারাতে আজ বইছে ফাগুন।

আর এক বসন্তের উথাল-পাথাল উদাসী হাওয়ায়, ফাগুনের রঙ হৃদয়ে ধরে, প্রকৃতির নৈসর্গিক ছোয়া পেতে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় এখন হাজারো পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত। শীতের হিমেল পরশ লেগে থাকা ফাগুনের প্রথম দিনে, প্রকৃতির ছোয়ায় দু:খ-বেদনা, ক্লান্তি-শ্রান্তি ভুলে পর্যটকরদের আনন্দ-উম্মাদনায় পুরো সৈকত জুড়ে বিরাজ করছে এক উৎসব মুখর পরিবেশ।

শীতের জীর্নতা সরিয়ে ফুলে ফুলে সেজে উঠেছে প্রকৃতি। গাছে গাছে নতুন সিনিগ্ধ সবুজ কচি পাতায় দক্ষিনা হাওয়া দোল জাগিয়ে জানান দেয় ফাগুনের আগমনি দিনের। তাই ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত। শীত প্রকৃতির জড়তার অবসান ঘটিয়ে ফাগুনের প্রথম দিনে বসন্ত বরণ ও ভালবাসা দিবস উদযাপনে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের অগমনে মুখরিত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। শান্ত সমুদ্র, রোদেলা বেলাভূমি, ইকোপার্ক, ইলিশ পার্ক, শ্রীমঙ্গল ও সীমা বৌদ্ধ বিহার, ফাতরারবন, লেবুর চর, গঙ্গামতির চর, কাউয়ার চর, শুটকী পল্লী, রাখাইন পল্লী দেশী-বিদেশী নানা বয়সী পর্যটকদের ক্লান্তিহীন ছুটোছুটি আর উপস্থিতিতে মুখরিত।

সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত, সমুদ্রের ঢেউ, সবুজ বনানীর আপার ছোয়া আর গঙ্গামতির চরে লাল কাকড়ার অবাধ বিচরনের জন্য সাগরকন্যা কুয়াকাটা দিনদিন হয়ে উঠেছে পর্যকদের প্রিয় স্থান। রয়েছে উপজাতি রাখাইন সম্প্রদায়ের জীবনাচর ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধন, সুন্দরবনের একাংশ ফাতরার বনের দৃশ্য উপভোগের সুযোগ।

যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সারা বছর পর্যকদের আগমনে মুখরিত থাকে কুয়াকাটা। বসন্ত উৎসবে কুয়াকাটার আগত পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত দীর্ঘ বেলাভূমি। তাই দেশের অপরাপর পর্যটন কেন্দ্র গুলোর চেয়ে সার্বিক নিরাপত্তায় এগিয়ে থাকা কুয়াকাটায় বিরাজ করছে এক উৎসব মুখর পরিবেশ। রাখাইন মার্কেট, ঝিঁনুক মার্কেট, শুটকী মার্কেট, খাবার হোটেলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সেক্রেটারী জেনারেল মোতালেব শরীফ বলেন, যাতায়ত ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায়, সার্বিক দিক দিয়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের নিরপত্তা ব্যবস্থা ভাল থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে পর্যটকদের উপস্থিতি।

শিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলার জেনারেল ম্যানেজার এবং পর্যটন ব্যক্তিত্ব জয়নাল আবেদীন গোলদার বলেন, যে পরিমান পর্যটকের উপস্থিতি কুয়াকাটায় বাড়ছে সে তুলনায় এখানে হোটেল-মোটেলে সংখ্যা কম। তাছাড়া রাতের সীবিচে আলোর ব্যবস্থা নাই। এ বিষয়টিকে গুরুত্বে সংগে দেখা উচিত।

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জানান, পর্যকদের নিরাপদ ভ্রমণ আর নিারপত্তায় প্রস্তত কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ।

Bootstrap Image Preview