Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ শনিবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

পটুয়াখালীতে আগুনে ১০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাই

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০১:০৯ PM
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০২:৩১ PM

bdmorning Image Preview


রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ 

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে বাহের চর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানায়, রাত পৌনে ২টার দিকে বাহেরচর বাজারের মুদি মনহারি ব্যবসায়ী সবুজ প্যাদার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে মুহূর্তেই তা আশপাশ দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক খবরটি মসজিদের মাইক দিয়ে প্রচার করলে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসা লোকজন সাড়ে তিন ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি নিক্ষেপ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতক্ষণে ৮টি মার্কেটে আব্বাস হাওলাদার, বশার হাওলাদার, বাদল মাতুব্বর, শাকিল আহম্মেদসহ ৩৪জন ব্যবসায়ীর মুদি মনহারি, শাড়ি-কাপড়, কসমেটিক্স, ডিজেল-গ্যাস সিলেন্ডারের দোকান এবং গুদাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার ক্ষতি হয়।

বাহেরচর বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত মুদি মনহারি পাইকারী-খুচরা বিক্রেতা আব্বাস হাওলাদার বলেন, আমার দোকান এবং মালামাল পুড়ে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানদার শাকিল আহম্মেদ বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে পুরো বাজার ছাই হয়ে যেত। ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় ব্যবসায়ীদের এ বড় ধরণের ক্ষতি হলো।

এদিকে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল ইসলাম লিটু ও রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র প্রমুখ। এসময় এমপি মাহবুবুর রহমান বলেন, বুধবার আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের ৭ হাজার টাকা, তিন বান্ডেল ঢেউটিন ও ৩০ কেজি চাল বিতরণ করা হবে।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র বলেন, সবুজ প্যাদা নামের এক ব্যবসায়ীর দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে সঠিক কিছু জানা যায়নি। এঘটনায় তদন্ত চলছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ৮টি মার্কেটে ৩৪টি দোকান ভস্মীভূত হয়। অগ্নিকাণ্ডে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মাদ আলিমউল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হয়েছে।

Bootstrap Image Preview