Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ বৃহস্পতিবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ফরিদপুরের বারি সরিষা-১৭ উৎপাদনে কৃষক সমাবেশ

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:৫৪ PM
আপডেট: ২১ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:৫৪ PM

bdmorning Image Preview


হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের হাটগোবিন্দপুর গ্রামে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ফরিদপুর অঞ্চল এবং তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বারি গাজীপুরের যৌথ উদ্যোগে বারি সরিষা-১৭ উৎপাদন কার্যক্রমের উপর একটি কৃষক সমাবেশ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার বিকেলে কৃষক সমাবেশে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, ফরিদপুর অঞ্চলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. মোঃ মহি উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুছ এর সঞ্চালনায় এ কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে তেলবীজ ও ডাল ফসলের গবেষণা এবং উন্য়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ আঃ লতিফ আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেসরকারী সংস্থা এসডিসি’র নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান ও তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বারি, গাজীপুরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র সাহা। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সেলিম আহমেদ।

এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন, সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও বারি উদ্ভাবিত স্বল্প-মেয়াদী বারি সরিষা-১৭ উৎপাদন কলাকৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, ফরিদপুরের বিজ্ঞানীবৃন্দ। তাঁদের সহায়তা করেন বৈজ্ঞানিক সহকারী ও সংশ্লিষ্ট এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে শতাধিক জন কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বারি উদ্ভাবিত স্বল্প মেয়াদী বারি সরিষা-১৭ উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সরেজমিনে দেখানো ও এ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন বারি এর বিজ্ঞানীবৃন্দ। অংশগ্রহণকারী কৃষকগণের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী কৃষকগণ বারি উদ্ভাবিত স্বল্প-মেয়াদী বারি সরিষা-১৭ উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রতি কৌতুহলী হন এবং জাতটির সম্ভাব্য ফলন, রোগ-পোঁকা প্রতিরোধ ক্ষমতা, উৎপাদন খরচ, দানায় তেলের পরিমাণ ইত্যাদি সম্বন্ধে সম্যক ধারণা লাভ করেন। তাঁরা প্রচলিত জাতগুলির সাথে এ জাতটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট তুলনা করে জাতটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁরা প্রত্যক্ষ করেন যে প্রচলিত জাতের তুলনায় এটা দেড়গুন থেকে দ্বিগুন ফলন দেবে। তাঁরা আশা করেন যে আগামীতে কৃষক পর্যায়ে জাতটির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং এতে সরিষার মোট উৎপাদন যেমন বাড়বে তেমনি কৃষকের আয়ও বাড়বে।

Bootstrap Image Preview