Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ মঙ্গলবার, অক্টোবার ২০১৮ | ১ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

একাত্তরের এই দিনে মুক্ত হয়েছিলো বাংলাদেশের যেসব এলাকা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ১১:০৯ AM
আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ১১:১৭ AM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বরের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় গাইবান্ধা, নোয়াখালী, সাতক্ষীরা শেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা। সেদিন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছিল স্বাধীনতাকামী জনতা।

সাতক্ষীরা: ৬ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের কঠোর প্রতিরোধে পিছু হটে হানাদাররা।সবশেষে সাত ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাস্ত হয়ে পাকিস্তানিরা পালিয়ে গেলে শত্রু মুক্ত হয় সাতক্ষীরা। উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।

সাতক্ষীরার জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মশিউর রহমান মশু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে যে স্মৃতিচিহ্ন নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে অনেক রাজাকারেরও নাম রয়েছে। আমরা বহুবার এটা সংশোধনের দাবি জানালেও তা সংশোধন করা হয়নি। এছাড়া একাত্তরের এইদিনে শত্রুমুক্ত হয় শেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা।

উত্তরের জনপদ গাইবান্ধায় মুক্তিবাহিনীর আক্রমণে টিকতে না পেরে কোণঠাসা হয়ে পড়ে হানাদার বাহিনী। বাদিয়াখালীর যুদ্ধ, হরিপুর অপারেশন, কোদালকাটিতে সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর জয়ের পর পিছু হটতে শুরু করে পাকবাহিনী। সবশেষ ৭ ডিসেম্বর চারদিকের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে গাইবান্ধা ছেড়ে লাজ গুটিয়ে পালায় হানাদাররা।

নোয়াখালী: যুদ্ধের শুরু থেকেই নোয়াখালীর পিটিআই স্কুলটিতে শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল পাকবাহিনী। ৬ ডিসেম্বর ভোরে ঘাটিটি ঘেরাও করে মুক্তিবাহিনী। দিনভর যুদ্ধের পর রাতের আধারে পালিয়ে যায় পাক হানাদাররা। শত্রুমুক্ত হয় নোয়াখালী।

Bootstrap Image Preview