Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ মঙ্গলবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে মশলার বাজারে আগুন

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৮, ০২:৫৪ PM
আপডেট: ১৩ জুন ২০১৮, ০২:৫৪ PM

bdmorning Image Preview


রায়হান শোভন।।

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর আসছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈদ। ঈদে ধনী-গরীব ভেদাভেদে সবার বাড়িতেই থাকে কম-বেশি বাহারি রকম রান্নার আয়োজন। আর এসব মজাদার রান্নায় ব্যবহৃত হয় নানা রকম মশলা। তাই ঈদের সময় ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঝোঁক বুঝে কোপ বসিয়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুন দামে বিক্রি হচ্ছে মশলা।

প্রতিবছর ঈদের এই সময় নিয়মিত ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অলিতে গলিতে অথবা বাজারের সামনে তাদের মশলার পসরা সাজিয়ে বসেন। ঈদ দোরগোড়ায় চলে আসে বলে দাম নিয়ে যাচাই বাছাই করার মত সময়ও থাকে না ক্রেতাদের। তাই এসব মৌসুমী ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমত দাম হাকিয়ে প্রতারিত করছেন ক্রেতাদের।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি এলাচি বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকায়, দারুচিনি প্রতি কেজি ৩০০-৪০০ টাকায়, লবঙ্গ ১২০০ টাকা কেজি, জিরা ৫০০ টাকা কেজি, জাইফল প্রতি পিস ১০ টাকা, গোলমরিচ ১০০০ টাকা কেজি, আলুবোখরা  ৪০০ টাকা কেজি, পেস্তাবাদাম বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকায়, কাজুবাদাম বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায় এবং প্রতি কেজি কিসমিস বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়।

অপরদিকে রাজধানীতে বিভিন্ন জায়গায় পসরা সাজিয়ে বসা মশলার মৌসুমী ব্যবসায়ীরা দ্বিগুন থেকে তিনগুন দাম নিচ্ছেন ক্রেতাদের কাছ থেকে। এসব মৌসুমী ব্যবসায়ীরা কোনো রকম মাপ ছাড়াই প্রতিটি ছোট প্যাকেটে বিভিন্ন রকম মশলা দিয়ে দাম নিচ্ছেন ৮০-১০০ টাকা। মশলার এসব প্যাকেটগুলো পরিমাপ করে দেখা গেছে একেকটি মশলার প্যাকেটের ওজন মাত্র ৪০-৫০ গ্রাম।

প্রতিবছরই ঈদের এই সময় মশলার ব্যবসা করেন মামুন। তিনি বিডিমর্নিংকে বলেন, ঈদের আগে এই দুই-তিনদিনই আমাদের ব্যবসা। দু-চার টাকা লাভ হলে বাড়িতে গিয়ে বউ- বাচ্চা নিয়ে ভালোভাবে ঈদ করতে পারবো এই আরকি।

মশলার খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মশলার দাম ঈদ উপলক্ষে বাড়েনি। মশলার দাম রমজানের আগে যা ছিল এখনো তাই আছে। ঈদ উপলক্ষে মশলার দাম বাড়ারও কোনো সুযোগ নেই বলে তারা জানিয়েছে।

মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দ্বিগুন থেকে তিনগুন দামে মশলা বিক্রি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বনজী জেনারেল ষ্টোরের স্বত্তাধিকারী কুরবান আলী বিডিমর্নিংকে বলেন, অনেক ক্রেতা মশলার সঠিক দাম জানে না। আর তাছাড়া ঈদের এসময় মশলার জন্য মানুষের দরদামেরও সময় থাকে না। তারা ঝোঁক বুঝে ক্রেতাদের প্রতারিত করছেন।

জান্নাতুল বাকী ষ্টোরের স্বত্তাধিকারী মামুন বিডিমর্নিংকে, মশলার দাম স্বাভাবিক আছে। তবে যারা মৌসুমী ব্যবসায়ী তারা বেশি দামে বিক্রি করছেন মশলা।

Bootstrap Image Preview