Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ শনিবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

দ্রব্যমূল্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে: সাঈদ খোকন

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৮, ০৭:৪৪ PM
আপডেট: ১৭ মে ২০১৮, ০৮:০৯ PM

bdmorning Image Preview


রায়হান শোভন।।

দ্রব্যমূল্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে দাবি করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, বিগত বছরের রমজানের আগের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা করলে অধিকাংশ দ্রব্যমূল্যের দাম কম। তবে গত ২-৩ সপ্তাহ আগে আরো কম ছিল। যদিও কিছু কিছু পণ্যে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।

আসন্ন রমজান উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার হাতিরপুল কাঁচা বাজারে বাজার মনিটরিং ও দ্রব্যমূল্য যাচাই করতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, আজ থেকে রাজধানীতে আমাদের ৫টি মনিটরিং টিম রাজাধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে মনিটরিং করবে। আমাদের সিটি কর্পোরেশনের যে মূল্য তালিকা আছে সে মূল্য তালিকা অনুযায়ী সবাইকে প্রথম রমজান থেকে ২৬ রমজান পর্যন্ত বিক্রি করতে হবে। যারা আমাদের মূল্য তালিকা মেনে পণ্য বিক্রি করবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেয়র বলেন, আমাদের একটাই লক্ষ্য আসন্ন রমজানে যাতে করে কোনো ক্রমেই দ্রব্যমূল্যের দাম না বাড়ে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই মূল্য তালিকা খুচরা বাজারসহ বিভিন্ন সুপারশপের জন্যও প্রযোজ্য। সবাই এই মূল্য তালিকা মানতে বাধ্য, কারণ সকল ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেই এই মূল্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

তবে সরজমিনে গ্রীণ রোডে অবস্থিত সুপার শপ স্বপ্নে গিয়ে দেখা গেছে সেখানে গরুর মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫১০ টাকায় এবং প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮২০ টাকায়। তবে তারা কারণ হিসেবে বলেছেন, আগামীকাল থেকে অর্থাৎ পহেলা রমজান থেকে তারা সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রি করবে মাংস।

কারওয়ান বাজারের মাংস ব্যবসায়ী আমিন বিডিমর্নিংকে বলেন, সিটি কর্পোরেশন থেকে যে মূল্য তালিকা দেওয়া হয়েছে সে অনুযায়ী আমাদের কেনা দামও আসে না। আমরাতো আর লোকসান দিয়ে ব্যবসা করব না।

হাতিরপুল কাঁচা বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা সালাউদ্দিন বিডিমর্নিংকে বলেন, আমার মনে হয় মনিটরিং যথাযথ হয়নি। এভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে মনিটরিং হয় না। মনিটরিং করতে হলে গোপনে মনিটরিং করতে হবে। আর রোজার সাত দিন আগে থেকেই মনিটরিং করা উচিত।

আমান নামের এক ক্রেতা বিডিমর্নিংকে বলেন, বাজারের যে মূল্য তালিকা আছে তার সাথে বাজারের মূল্যের কোনো মিল নাই। মেয়র এখানে পরিদর্শনে এসেছে তাই ব্যবসায়ীরা বলছে সব ঠিক আছে। কিন্তু মেয়র গেলেই আবার তাদের দাম বেড়ে যাবে। এভাবে একদিন মনিটরিং করলে চলবে না। বরং প্রত্যেক দিন বাজার মনিটরিং করে আমাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে সকল পণ্যে আনতে হবে।

Bootstrap Image Preview