Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ মঙ্গলবার, অক্টোবার ২০১৮ | ১ কার্তিক ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

চালের বাজার নিয়ে চলছে চালবাজি

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০:২২ AM
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০:২২ AM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক:

রাজধানীতে কেবল পাইকার থেকে খুচরা ব্যবসায়ীদের হাত ঘুরে ভোক্তার কাছে আসতেই কয়েক দফায় বেড়ে যাচ্ছে চালের দাম। খুচরা বাজারে ৮-১০ টাকা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৫-২০ টাকা ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে বেশির ভাগ চাল। ফলে দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের নানা পদক্ষেপ সত্ত্বেও সুফল পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ।

রাজধানীর অন্যতম প্রধান পাইকারি চালের বাজার মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট। বর্তমানে এখানে মানভেদে প্রতিকেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫৭-৫৯ টাকা দরে। যেটি মিলারদের কাছ থেকে ৫৬-৫৭ টাকা দরে কিনে কেজিতে মাত্র ১-২ টাকার লাভে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন এখানকার পাইকাররা। অথচ বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে ভোক্তাদের কাছে আসতেই সেই চালের দাম এক কেজিতে বেড়ে যাচ্ছে ৮-১০ টাকা।

পাড়া-মহল্লার দোকানিরা আবার কৃষি মার্কেট থেকে কিনে মাত্র কয়েকশ গজ দূরে মুদি দোকানে ঢুকেই কেজিতে যোগ হচ্ছে ১৫-২০ টাকা।

চালানের কপিতে দেখা যায়, পাইকারদের থেকে ৫৩-৫৫ টাকায় কিনে প্রতিকেজি নাজির শাইল খুচরা ব্যবসায়ীরা কেজিতে ১৫-২০ টাকা বাড়িয়ে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছেন ৭০-৭৮ টাকায়।

এছাড়া বিআর ২৮ কেজিতে ১০-১২ টাকা বাড়িয়ে ৫৬-৫৮ টাকা এবং মোটা চালের মধ্যে আমদানি করা গুটি স্বর্ণা ও পাইজাম ৮-১০ টাকা ব্যবধানে ৪২-৪৮ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা। ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপের কোনো সুফল পাচ্ছে না ভোক্তারা।

এক পাইকার বলেন, আমরা সবচেয়ে ভালো নাজির শাইল বিক্রি করেছি ৫৫ টাকায়। আমার সামনেই সেটা আবার বিক্রি করেছে ৭৫ টাকায়। পাইকারি বাজার আর খুচরা বাজারে দামের এতো পার্থক্য যে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যায়।

ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদন্ত বিভাগ থাকলেও নিজ উদ্যোগে তাদের কার্যক্রম খুব কমই।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম লস্কর বলেন, চালের কথা বলছেন যে, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা ব্যবসায়িরা অনেক বেশি দাম নিচ্ছে। আমাদের কাছে এমন কোনো অভিযোগ নাই। অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই যেতাম।

দেশের প্রধান এই ভোগ্য পণ্যের দাম নিয়ে খুচরা ব্যবসায়ীদের এমন অতি মুনাফার প্রবণতা কমাতে সরকারি সংস্থাগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

Bootstrap Image Preview