Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১১ মঙ্গলবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ফরিদপুরে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১৫ জন আহত

বিডিমর্নিং : সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৫৯ PM আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৫৯ PM

bdmorning Image Preview


ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় জমি বিরোধের জেরে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।  

আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গোপালিয়া গ্রামে জমিজমা নিয়ে আইয়ুব আলীর সাথে হাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সোমবার রাতে আইয়ুব আলীর সাথে হাফিজুর রহমানের কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে আইয়ুব আলীর সমর্থক খোকন ও সেলিম মাঠে জমিতে কাজ করার সময় হাফিজুর রহমান ও তার লোকজন তাদেরকে ধাওয়া দেয়। এরই সূত্রধরে উভয় দলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় তারা দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-কাতরা, সড়কি-ভেলা, রামদা, ইটপাটকেল নিয়ে উভয় দলের সমর্থকরা ২ঘন্টা ব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চালায়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

এসময় আজিজল মৃধা (৩৭), আবেদ মৃধা (২০), লাইলী বেগম (৪০), ওলিয়ার মোল্যা (৪০), মিলন মোল্যা (৩০), জামাল মোল্যা (২৮) ও সুমন মাতুব্বার (২৬) সহ উভয় দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহত দুইজনকে নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিরোধের বিষয়ে আইয়ুব আলী জানান, হাফিজ মাষ্টারের কাছ থেকে কিছু জমি কিনেছি। কয়েক বছর আগে জমির টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হাফিজ মাষ্টার দলিল করে দেয়নি। এ নিয়ে কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। ঘটনার দিন সকালে আমার দুইজন লোককে হাফিজ মাষ্টার মারার জন্য ধাওয়া দেয়। এ নিয়েই সংঘর্ষ বাধে।

তবে হাফিজুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, গোপালিয়া গ্রামের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ শর্টগানের ১২ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১০ টি টিয়ারসেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় থানায় এখনও কোন অভিযোগ আসেনি। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। 

Bootstrap Image Preview