Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৫ রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ | ঢাকা, ২৫ °সে

আমেরিকাতে রেজিস্ট্রি ছাড়াই বিয়ে, দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে উধাও টুটুল

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২২, ০৩:৩৮ PM আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২২, ০৩:৩৮ PM

bdmorning Image Preview
ছবি সংগৃহীত


কণ্ঠশিল্পী এস আই টুটুল ও মডেল-অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ ২৩ বছরের সংসার জীবনের ইতি টেনেছেন । যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শারমিনা সিরাজ সোনিয়াকে দ্বিতীয় বিয়ে করে সেই খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন এই কণ্ঠশিল্পী। এক বছর আগেই তানিয়া আহমেদকে ডিভোর্স দিয়েছেন এই তারকা গায়ক। গণমাধ্যমেও এমনটি জানিয়েছেন তানিয়া ও টুটুল।

এবার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো ভিন্নচিত্র। নিউইয়র্কে বসবাসরত একাধিক জানায়, টুটুল রেজিস্ট্রি ছাড়াই বাসায় হুজুর ডেকে এনে শারমিনা সিরাজ সোনিয়াকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কিছুদিন একসঙ্গে থাকলেও হঠাৎ করেই সোনিয়াকে রেখে নিউইয়র্ক ছেড়ে আমেরিকার ফ্লোরিডাতে চুপিচুপি বসবাস করছেন এই গায়ক।

সূত্র আরও জানায়, বিয়ের পর টুটুল তার স্ত্রী সোনিয়ার কাছে ব্যবসার কথা বলে টাকার জন্য বারবার চাপ দেন। এতে সোনিয়ার মনে সন্দেহ দানা বাধায় টাকা দিতে রাজি হননি। এরপর টুটুল কাউকে কিছু না বলেই ১ আগস্ট বাসা থেকে উধাও হয়ে যান। এখন দুজনের মধ্যে যোগাযোগও নেই।

বিষয়টি জানতে টুটুলের দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করিনি। বাসায় হুজুর ডেকে এনে দুজন দুজনকে বিয়ে করেছি। আমেরিকাতে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করতে হলে অনেক নিয়ম-কানুন মানতে হয়। টুটুলের আগের স্ত্রীকে নাকি ডিভোর্স সংক্রান্ত কি ঝামেলা আছে এখনো। এ ছাড়া, আরও কিছু জটিলতা থাকায় টুটুল রেজিস্ট্রি করেনি। টুটুল আর আমি একসঙ্গে থাকছি না। টুটুল কিছু করতে চায়। পরিবারের জন্য টাকা পয়সা রোজগার করবে, তাই মনে হয় সে ফ্লোরিডাতে থাকছে। টুটুল আমাকে বাংলাদেশেও নিয়ে যেতে চেয়েছে। ফ্লোরিডাও থাকতে বলেছে। কিন্তু আমিতো নিউইয়র্কে ভালো চাকরি করছি। এখানে আমার প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার। আমার ছেলে রয়েছে। আমি চাইলেই তো কোথাও যেতে পারি না। টুটুলের গ্রিনকার্ড এখনো হয়নি। আবার ওর ছেলেকেও বাংলাদেশ থেকে এখানে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।’

যেহেতু আপনারা হুজুর ডেকে বিয়ে করেছেন। আর ওখানে টুটুেলর তেমন ব্যস্ততাও নেই। আপনারা চাইলেই একসঙ্গে থাকতে পারতেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সোনিয়া বলেন, ‘টুটুল আগে থেকে ফ্লোরিডাকেই থাকতো। মাঝে মাঝে নিউইয়র্কে বেড়াতে আসতো। রেজিস্ট্রি বিয়ের আগে আমরা একসঙ্গে থাকব না। কারণ, আমাদের পরিবার আছে। এখানে আরও অনেক ব্যাপার আছে। এরচেয়ে বেশি কিছু আপাতত বলতে পারছি না। আমি আপনাকে রিকুয়েক্ট করছি এ বিষয়ে আপাতত কিছু লিখবেন না। আরেকটু সময় যাক তারপর আমি বিস্তারিত বলব।’

এদিকে, সোনিয়ার একটি ঘনিষ্ট সূত্র ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমেরিকায় লিগ্যালি বিয়ে করতে হলে অবশ্যই কোর্টে গিয়ে ম্যারিজ রেজিস্ট্রি করতে হয়। কোর্টে রেজিস্ট্রি ছাড়া বাসায় হুজুর ডেকে আনলেও হুজুর ম্যারিজ সার্টিফিকেট ছাড়া বিয়ে পড়ায় না। এটা এখন নিয়ম করেছে আমেরিকায়। আগে কিন্তু হুজুর ডেকেও বিয়ে করা যেত। এখন এটা সম্ভব নয়। এ ছাড়া, টুটুলের গ্রিনকার্ডের আবেদনেও স্ত্রী হিসেবে এখনো তানিয়ার নামই দেওয়া আছে। সেখানে ডিভোর্সের কোনো কাগজ জমা দেয়নি টুটুল। তাই আমেরিকায় এখনো টুটুল ও তানিয়া লিগ্যালি স্বামী-স্ত্রী। লিগ্যালি টুটুল ও সোনিয়া এখনো স্বামী-স্ত্রী নয়। আইনিভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে তারা বৈধও নয়।’

এ বিষয়ে জানতে এস আই টুটুলকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কাছে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: ঢাকাপ্রকাশ

Bootstrap Image Preview