Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ বুধবার, এপ্রিল ২০২৪ | ৪ বৈশাখ ১৪৩১ | ঢাকা, ২৫ °সে

খুব সহজে দ্রুতসময়ে পাওয়া যাচ্ছে ভারতের ভিসা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারী ২০১৯, ০৪:২৭ PM
আপডেট: ২১ জানুয়ারী ২০১৯, ০৪:২৭ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


ভ্রমণ, চিকিৎসা বা শপিং ইত্যাদির জন্য অনেকেই বাংলাদেশ থেকে ভারত গিয়েছেন এবং অনেকেই যেতে চান। তাদের বেশিরভাগই ভারতের ভিসা প্রাপ্তির জটিল বিষয়ে আটকে যাওয়ার চিন্তায় পড়ে যান। যদিও এটা তেমন কঠিন কিছু নয়। কারণ বিদেশিদের আকৃষ্ট করতে ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছে ভারত সরকার।

আগে ভারতের ভিসা আবেদনের পর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়ের সিরিয়ালের প্রয়োজন হতো। এটি পেতে বেশ হিমশিম খেতেন অনেকেই। তবে এসব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। এখন বিষয়টি খুবই সহজ!

সম্প্রতি বাংলাদেশি নাগরিকদের সুবিধার্থে জন্য ভিসা প্রাপ্তি সহজ করতে ঢাকার জন্য মাত্র একটি ভিসাকেন্দ্র নির্ধারণ করেছে ভারতীয় দূতাবাস। ফলে এখন ঢাকায় একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকেই ভিসা সংক্রান্ত সব কাজ করা যায়। ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে ১৮ হাজার ৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে এখন ভারতীয় ভিসাকেন্দ্র।

প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার গ্রাহক এখান থেকে সেবা নিতে পারছেন। বলা হচ্ছে, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভারতীয় ভিসাকেন্দ্র। এখানে আছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত টোকেন ভেন্ডিং মেশিন (প্রত্যাশিত প্রতীক্ষা সময় নির্দেশিত হবে), আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অপেক্ষা করার স্থান, কফি ও কোমল পানীয় ভেন্ডিং মেশিন, খাবার দোকান ও আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ৪৮টি কাউন্টার। জ্যেষ্ঠ নাগরিক, নারী, মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যবসায় ভিসা আবেদনের জন্য রয়েছে আলাদা কাউন্টার। এছাড়া রয়েছে বিশেষ সহায়তা ডেস্ক ও প্রিন্টিং, ফটোকপি ইত্যাদি সুবিধা। মূল্য পরিশোধ করে এসব সেবা মিলবে।

ভিসা প্রাপ্তির জন্য প্রথম অনলাইনে https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/Registration এই ঠিকানায় গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। এর আগে সদ্য তোলা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি ছবি সংগ্রহ করে সেটি স্ক্যান করে নিন। কারণ অনলাইনে পূরণকৃত ফরমের সঙ্গে স্ক্যানকৃত ছবি যুক্ত করতে হবে। ছবির সাইজ হবে ১০-৩০০ কিলোবাইট। ফরম পূরণ করা হয়ে গেলে তা প্রিন্ট করে সদ্য তোলা ছবি যুক্ত করে নিন।

এবার ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের প্রবেশমুখে গিয়ে ভিসা ফি জমা দিন। প্রবেশমুখের সামনেই ভিসা ফি জমা দেওয়ার বুথ রয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্টরা আবেদনপত্র চেক করে ভিসা ফি নিয়ে ‘পেইড’ সিল দিয়ে দেবে। ভিসা ফি জমা হওয়ার পরেই আবেদনপত্রে উল্লেখ করা মোবাইল ফোনে নিশ্চয়তার মেসেজ চলে আসবে। এবার আবেদনপত্রটি নিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে প্রবেশ করে চলে যান ভিসা জমাদান কেন্দ্রে। সেখানে একটি সিরিয়াল নম্বরযুক্ত টোকেন দেওয়া হবে। টোকেনে থাকা নম্বরটি ভিসাকেন্দ্রে থাকা বোর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। এতে করে জানা যাবে ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে কোন বুথে যেতে হবে।

নির্দিষ্ট বুথে গিয়ে ফরম জমা দিন। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা মোবাইল ফোনে জমা হওয়ার মেসেজ আসবে। ভিসা আবেদনপত্র জমা শেষেও আরেকটি টোকেন দেওয়া হবে। এটি পাসপোর্ট সংগ্রহের বেলায় লাগবে। তাই সেটি সংরক্ষণ করা জরুরি। দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট যখন ভিসাকেন্দ্রে আসবে তখনও একটি মেসেজ পাঠানো হবে মোবাইল ফোনে। নির্দিষ্ট দিনে টোকেন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে নিতে হয়।

পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পর চাইলে পাসপোর্টের অবস্থান জানা যাবে। এজন্য https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/StatusEnquiry এই ঠিকানায় গিয়ে টোকেনে থাকা অ্যাপ্লিকেশন আইডি, পাসপোর্ট নম্বর ও স্ক্রিনে দেখানো অ্যাকসেস কোড লিখে জমা দিলেই ভিসা স্ট্যাটাস বা আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস সামনে আসবে।

ভাবছেন এত বড় প্রক্রিো শেষ করতে কতক্ষণ লাগবে? ফরম নিয়ে ভিসাকেন্দ্রে জমা দেওয়াসহ পুরো কাজটি করতে লাগবে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট! আর পাসপোর্ট সংগ্রহ করতেও এর চেয়ে বেশি সময় লাগবে না। ভিসাকেন্দ্র রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চালু থাকে। আর প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়।

তো আর চিন্তা কি! দ্রুততার সঙ্গে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চলে যান যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসাকেন্দ্রে। যমুনা ফিউচার পার্কের প্রবেশমুখেও নিয়মাবলীর বিস্তারিত রয়েছে।

ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি:

অনুগ্রহ করে লক্ষ্য করুন যে, নিন্মবলিখিত ডকুমেন্ট/ দলিলাদি সহকারে আপনার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে:

  • মূল পাসপোর্ট, ভিসার আবেদন দাখিল করার তারিখের আগে থেকে সর্বনিন্ম ৬ মাস মেয়াদী হতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত: দু’টি সাদা পাতা থাকতে হবে। পাসপোর্টের অনুলিপি (দ্বিতীয় পৃষ্ঠা এবং তৃতীয় পৃষ্ঠা এবং বৈধতার মেয়াদ বাড়ানোর এসডোর্সমেন্ট, যদি থাকে) সংযুক্ত করতে হবে।
  • আবেদনপত্রের সাথে সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • একটি সদ্য তোলা (৩ মাসের বেশী পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি যেন পুরো মুখমন্ডল দেখা যায়।
  • আবাসস্থলের প্রমাণপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি।
  • পেশার প্রমাণপত্র : চাকুরীদাতার কাছ থেকে সনদ। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আইডি কার্ড এর অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবসরপ্রাপ্ত কাগজপত্র, বিজনেস ব্যক্তির বাণিজ্য সনদপত্র প্রয়োজন।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/ অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে।
  • অনলাইন ভিসা এপ্লিকেশন ফরম যেটাতে বিজিডি (BGD) নিবন্ধন নং থাকবে।
  • আবেদনকারীকে অনলাইন এপ্লিকেশন ফরম এ দেয়া নির্ধারিত স্থানে তাদের ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
  • আবেদনকারীকে অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে হবে যেন বর্তমান পাসপোর্টের জন্মতারিখ এবং জন্মস্থান এর সাথে পুরোনো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং/ অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্যের মিল থাকে।
  • সাক্ষাতের দিন আবেদনপত্রের সাথে অবশ্যই সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে; সব পুরোনো পাসপোর্ট ছাড়া আবেদনপত্র অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে।
  • বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে সব ধরণের ভারতীয় ভিসা, শুধুমাত্র ট্যুরিস্ট ভিসা (টি) ব্যতীত, কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ ই-টোকেন ছাড়াই ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হয়। কোথায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে |
  • আবেদনপত্র অবশ্যই ৮ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে |

 

ভিসার ধরণ :

বিজনেস/ ব্যবসায়িক ভিসা

মন্তব্য: ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে (কমার্শিয়াল/ ইকনোমিক/ট্রেড) ভারত গমনে ইচ্ছুক আবেদনকারীদেরকে জারি করা হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি : আবেদনপত্রের পক্ষে, সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যে ডকুমেন্ট/ দলিলাদি প্রয়োজন:

  • বাংলাদেশে আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ের নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগের নম্বর
  • ভারত থেকে যে প্রতিষ্ঠান/ কোম্পানী স্পন্সর করছে, তার চিঠি;
  • বাংলাদেশের স্বীকৃত কোন চেম্বার অব কমার্স থেকে সুপারিশ চিঠি;
  • কোন ভারতীয় কোম্পানীর সাথে হয় শেষ ব্যবসায়িক লেনদেন এর ব্যাপারে, নতুবা ব্যবসায়িক লেনদেনের আবেদনপত্র (লেটার অফ ক্রেডিট);
  • টিন সহ ট্রেড লাইসেন্স এর একটি কপি;
  • সফরের উদ্দেশ্য এবং ব্যবসায়িক চুক্তির প্রকৃতি বর্ণনা করে সহায়ক পত্র (কভারিং লেটার);
  • আবেদনকারীর কোম্পানীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের);
  •  আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের);
  • কোন কোম্পানী বা প্রাইভেট ফার্মে কর্মরত থাকলে, কর্মসংস্থান চুক্তিপত্রের কপি যেটাতে আবেদনকারীর চুক্তিবদ্ধ হওয়ার তারিখ, অধিষ্ঠিত পদ এবং মাসিক বেতন উল্লেখ থাকবে |
  • ভারতে কোন বাণিজ্য / ব্যবসায় প্রদর্শনী/মেলায় অংশগ্রহণ করতে বা ঘুরতে গেলে, অংশগ্রহণের ধরণের বর্ণনা এবং ফেডারেশন/চেম্বার এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অথবা প্রদর্শনী/মেলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পত্র। স্বল্পমেয়াদী একক সফর ভিসা

মন্তব্য: সাধারণত ভ্রমণ/ আত্মীয়দের সাথে সাক্ষাৎ/ তীর্থযাত্রা প্রভৃতির উদ্দেশ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করার সময় জারি করা হয়। এ ধরণের ভিসার অধীনে ভারতে প্রবেশের কাল ভিসা ইস্যু করার তারিখ থেকে

এক মাস মেয়াদী হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি

দীর্ঘমেয়াদী ভ্রমণ ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে)
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • পেশা প্রমাণপত্র
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: সেসব ব্যক্তিদেরকে এই ভিসা জারি করা হয় যাদের সন্তানেরা ভারতে পড়াশোনা করছে, তাদেরকে এবং ভারতে কর্মরত ব্যক্তিদের পরিজনদেরও অথবা অন্য যেকোন শ্রেণীর মানুষদের, যাদের দীর্ঘ সময় ব্যাপী ভারতে থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে সমর্থিত কাগজপত্র (যথা- বিদ্যালয় থেকে চিঠি, ভারতের নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চিঠি, ইত্যাদি)

ট্রানজিট একক প্রবেশাধিকার ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • বাস টিকেট এবং হোটেল বুকিং নিশ্চিত করুন
  • পেশা প্রমাণ
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: ভারতের ভেতর দিয়ে স্থলপথ/ জলপথ দিয়ে গমনকারী ব্যক্তিকে টিকিট উপস্থাপন ও তৃতীয় পক্ষীয়

দেশের বৈধ ভিসা সাপেক্ষে ট্রানজিট ভিসা জারি করা হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে নিশ্চিত টিকিট ও তৃতীয় পক্ষীয় দেশের ভিসা।হোটেল বুকিং এর কপি দিতে হবে।

ট্রানজিট দ্বি-প্রবেশাধিকার ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • বাস টিকেট এবং হোটেল বুকিং নিশ্চিত করুন
  • পেশা প্রমাণ
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: দ্বি-প্রবেশাধিকার ট্রানজিট ভিসা বিমানে ভ্রমণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর জারি করা হয়, তাদের

অবস্থানের সময় ৭২ ঘন্টা অতিক্রম না করার চুক্তি সাপেক্ষে এবং তাদের অবশ্যই নিশ্চিত ফিরতি টিকেট রাখতে হবে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে নিশ্চিত টিকিট উপস্থাপন।হোটেল বুকিং এর কপি দিতে হবে।

মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে)
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে ভারত থেকে মেডিকেল আমন্ত্রণ পত্র
  • সব ঔষধ মূল নথি
  • পেশা প্রমাণ
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট
  • স্বীকৃত হাসপাতাল/ ডাক্তার এর কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসাধীন অবস্থার বিশদ নির্দেশ সহকারে চিকিৎসার মূল সনদপত্র;
  • প্রথম ভ্রমণের ক্ষেত্রে, বিদেশে চিকিৎসা সুবিধা উপভোগের জন্য উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ;
  • ভারতে অব্যাহতভাবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভারতের উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ;
  • হাসপাতালে ভর্তি বা দীর্ঘমেয়াদী

চিকিৎসার জন্য, আর্থিক সম্পদের প্রমাণ, যেমনটি প্রয়োজন হতে পারে: (ক) ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের), (খ) ব্যাংক থেকে সচ্ছলতার সনদ।

মন্তব্য: ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গমনকারী ব্যক্তি।

স্টুডেন্ট/শিক্ষার্থী ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদ ( আঠারো বছরের নিচে)
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • বোনাফাইড সার্টিফিকেট
  • পেশা প্রমাণ
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: সম্ভাব্য শিক্ষার্থী।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতের কোন স্বীকৃতবিশ্ববিদ্যালয়/বোর্ড এর প্রতিষ্ঠান/কোর্সে ভর্তির প্রমাণপত্র; (২) অনুমোদিত ব্যাংক এর মাধ্যমে পিতা-মাতা/ অভিভাবকের কাছ থেকে অঙ্গীকারপত্র, এই মর্মে যে, আবেদনকারীর ভারতে পড়াশোনা করার মত যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে এবং পিতা-মাতা/ অভিভাবকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক পরিশোধ করবে।

রিসার্চ/ গবেষণা ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে)
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
  • পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: আবেদনকারীকে গবেষণার ক্ষেত্রের পূর্ণ বিবরণী সহ, তার কাজ গ্রহণ করার জন্য ভারতে ভ্রমণের অন্তত: এক সপ্তাহ পূবের্, ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণ পত্র, ইত্যাদি।

কনফারেন্স/ সম্মেলন ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র (আঠারো বছরের নিচে)
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
  • পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: ভারতে ইভেন্ট/সেমিনার/ কনফারেন্স এ অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রিত ব্যক্তি।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতে সম্মেলনের আয়োজনকারীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র; এবং (২) বাংলাদেশে নিয়োগকর্তার তরফ থেকে চিঠি।

এমপ্লয়মেন্ট/ কর্মসংস্থান ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে)
  • ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • ভারত থেকে আমন্ত্রণ চিঠি
  • পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
  • চুক্তি পত্র এবং কাজের প্রস্তাব পত্র
  • নিয়োগকর্তার সমস্ত আইনি দলিল।
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি:

সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং (১) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগপত্র; (২) ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় নিয়োগকর্তার চিঠি; (৩) ভারতে সাক্ষাৎকারের প্রামাণিক সাক্ষ্যপত্র; (৪) ভারতে পদ সংক্রান্ত প্রেস প্রজ্ঞাপন; (৫) ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক; (৬) কর্মসংস্থান ভিসা নিয়ে ভারতে গমনকারী ব্যক্তির নিকটবর্তী এফ আর আর ও -তে নিবন্ধন করা প্রয়োজন।

ট্রেইনিং/ প্রশিক্ষণ ভিসা

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
  •  ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি (গত ছয় মাসের ভিতরে)।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে
  • ভারত থেকে আমন্ত্রণ পত্র
  • পেশা প্রমাণ এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট

মন্তব্য: ভারতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করার জন্য।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: প্রশিক্ষণ ভিসার জন্য আবেদনকারী ব্যক্তি “সাধারণ শর্তের” অধীনে ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যা দাখিল করবে: ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত চিঠির কপি, ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের চিঠি, ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক।

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র ( আঠারো বছরের নিচে )
  • সর্বশেষ ইউটিলিটি বিল অনুলিপি
  • ব্যাংক বিবৃতি / ডলার সমর্থন / সক্রিয় আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড
  • পেশা প্রমাণ
  • মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট - মূল ও ফটোকপি উভয়ই
  • মুক্তিযুদ্ধ গ্যাজেট কপি।
  • শেষ পাসপোর্ট কপি এবং সমস্ত পুরাতন পাসপোর্ট

 

Bootstrap Image Preview