Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ শনিবার, মে ২০২৪ | ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ | ঢাকা, ২৫ °সে

১২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৫১ টাকা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৩৮ PM
আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৪৩ PM

bdmorning Image Preview


এক মাসের মাথায় আবার বাড়ল রান্নার কাজে ব্যবহৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম।

কেজি প্রতি দর বেড়েছে ৪.২৫ টাকা। সেই হিসেবে ১২ কেজি সিলিন্ডারে ৫১ টাকা দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫১ টাকা। অক্টোবরে যা ছিল ১২০০ টাকা।

অন্যদিকে অটোগ্যাসের দর লিটার প্রতি নির্ধারণ হয়েছে ৫৮.২৮ টাকা। নতুন দর বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

অক্টোবরে দাম কমার পর নভেম্বরে আবার বাড়ানো হলো এলপিজির দাম। ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ডলার ও জ্বালানির দামের সংকটের মধ্যে এলপিজির দাম ওঠানামা করছে।

বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নতুন দর ঘোষণা করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আবু ফারুক, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, কামরুজ্জামান, মোকবুল-ই ইলাহি, আবু ফারুকসহ সংশ্লিষ্ট বিইআরসির সচিব খলিলুর রহমান খান।

টানা কয়েকমাস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর মে মাসে থেকে কমতে থাকে এলপিজি গ্যাসের দাম। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ন্ত গ্যাসের দাম এপ্রিলে ( ১২ কেজি) গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৩৯ টাকায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোর এলপিজির সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় এ বছর।

এপ্রিল মাসে (সৌদি আরামকো) সর্বোচ্চ দর ওঠে প্রোপেন ৯৪০ বিউটেন ৯৬০ ডলার। ২০১৪ সালের পর আর কখনও এতো বেশি দরে বেচাকেনা হয়নি বাংলাদেশে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত জ্বালানিটি।

চলতি মাসে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম ৬১০ ডলারে বেচাকেনা হচ্ছে। প্রোপেন বিউটেনের অনুপাত ৩৫ ও ৬৫ গড়েপ্রতি টনের দাম পড়ছে ৬১০ ডলার।

২০২১ সালের ১২ এপ্রিলের আগে পর্যন্ত এলপিজির দর ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন বলা হয়েছিল, আমদানি নির্ভর এই জ্বালানির সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তি মূল্য ধরা হবে। সৌদির দর উঠানামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠানামা করবে। অন্য কমিশন অরপরিবর্তিত থাকবে। ঘোষণার পর থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।

এলপিজি আমদানিকারকরা অপরেশনাল কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। এ নিয়ে ১১টি কোম্পানি বিইআরসিতে লিখিত আবেদন দেয়। তাদের দাবি হলো, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় জাহাজ ভাড়া বেড়েছে, অভ্যন্তরীণ রুটেও ভাড়া বেড়েছে।

সম্প্রতি কমিশনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে তারা। সেখানে গণশুনানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোম্পানিগুলো আবেদন জমা দিলেই গণশুনানি গ্রহণ হবে।

Bootstrap Image Preview