Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ সোমবার, এপ্রিল ২০২৪ | ৮ বৈশাখ ১৪৩১ | ঢাকা, ২৫ °সে

আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে পায়রা তাপ বিদ্যুতের প্রথম ইউনিট

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০১৯, ০৬:৩৬ PM
আপডেট: ২৬ জুন ২০১৯, ০৬:৩৬ PM

bdmorning Image Preview


ফের কর্ম চাঞ্চল্য হয়ে উঠেছে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইতিমধ্যে পাওয়ার প্লান্টের ক্ষতিগ্রস্থ যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে চীনা শ্রমিকরা। এছাড়া কর্মপরিবেশ সৃষ্টি ও ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশী-বিদেশী শ্রমিকদের সমন্বয়ে পুরোদমে কাজ শুরু করা যাবে। বুধবার বেলা ১২ টায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রর ভিআইপি হলরুমে এক মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (বিসিপিসিএল) এর প্রকল্প পরিচালক শাহ আব্দুল মাওলা। এসময় বিসিপিসিএল এর নির্বাহী প্রকৌশলী রেজওয়ান ইকবাল খান, জোবায়ের আহমেদ, মোঃ তারিক নূর, ওয়াং শিয়াং শি, পিনজুর রহমান, শহিদুল ইমন, কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন মাননু, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বুলেটসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় শাহ আব্দুল মাওলা আরও বলেন, গত মঙ্গলবারে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনাটি অনভিপ্রেত। এ ঘটনায় যেসব চাইনীজ ও বাঙ্গালী শ্রমিক আহত হয়েছে বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে। অনেকেই ইতিমধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। যে সব মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার পর্যালোচনা চলছে। কিছু মালামাল বিদেশ থেকে আনার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এগুলো স্থাপন ও ক্ষতিগ্রস্থ যস্ত্রপাতি মেরামত সাপেক্ষে খুব শিঘ্রই এখানকার কর্মযজ্ঞ শুরু হবে এবং আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যেই এ প্রকল্পের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যাবে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশী ছয় থেকে সাত হাজার শ্রমিকদের ঈদ বোনাস সহ সকল পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে। তাদের ১৫ দিনের জন্য ছুটি দেয়া হয়েছে। এছাড়া চায়না এবং বাঙালি শ্রমিকদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরী করার জন্য নতুন করে বিসিপিসিএলের পক্ষ থেকে ১০ জন দো'ভাষী নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ভবিষ্যত এ ধরনের কোন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

Bootstrap Image Preview