Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২১ বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ | ঢাকা, ২৫ °সে

জানুয়ারিতেই সাড়ে ৩ ঘণ্টার চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ‘সুপার ব্লাড মুন’

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:১৮ PM
আপডেট: ০৪ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:১৮ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


গতবছর জানুয়ারিতে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, সুপার মুন ও ব্লু-মুন। এবার ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম মাসেই দেখা যাবে ‘সুপার ব্লাড মুন’। বিভিন্ন দেশের সময়ের তারতম্য হিসেব করে জানুয়ারির ২০ অথবা ২১ তারিখে পূর্ণগ্রাসে দৃশ্যমান হবে এই মহাজাগতিক উপগ্রহ। তবে বাংলাদেশ বা এশিয়ার কোনো দেশ থেকে এ দৃশ্য দেখা যাবে না।

আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ আর আফ্রিকা থেকে মহাজাগতিক ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা যাবে। বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪১ মিনিটে ওইদিন পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় ‘সুপার ব্লাড মুন’ দেখা যাবে। ৬২ মিনিট চলবে চন্দ্রগ্রহণ। যদিও সম্পূর্ণ গ্রহণটি চলবে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় ধরে।

এরপর ২০২১ সালের ২৬ জুন দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগহণ। এর আগে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই দেখা গিয়েছিল এই ‘সুপার ব্লাড মুন’।

চাঁদ ও সূর্যের সঙ্গে এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে গেলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে আটকে গিয়ে আর চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয়।

চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ থেকে একটি লাল আভা দেখা যায়। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রতিসৃত আলো চাঁদের অন্ধকার জায়গাতে গিয়ে পড়ার জন্য এই লাল আভা দেখা যাবে। নীল ও বেগুনি রঙের থেকে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে পড়ে বলেই চাঁদকে লাল দেখায়। আর এই মহাজাগতিক ঘটনার নাম ‘সুপার ব্লাড মুন’।

কখন, কোথায় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (সুপার ব্লাড মুন) দেখা যাবে?

২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটের দিকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। ৬২ মিনিট ধরে চলবে গ্রহণ। এশিয়ার কোনো দেশ থেকেই এই গ্রহণ দেখা যাবে না। এছাড়াও পূর্ব আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপ থেকে এই গ্রহণের শুরু দেখা যাবে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণ ৬২ মিনিট ধরে চললেও সম্পূর্ণ গ্রহণটি চলবে ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ধরে।

চন্দ্রগ্রহণ কি

চাঁদ ও সূর্যের সঙ্গে এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে এলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে আটকে গিয়ে আর চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয়।

‘সুপার ব্লাড মুন' কী?

চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ থেকে একটি লাল আভা দেখা হবে। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রতিসৃত আলো চাঁদের অন্ধকার জায়গাতে গিয়ে পড়ার জন্য এই লাল আভা দেখা যাবে। নীল ও বেগুনি রঙের থেকে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে পড়ে বলেই চাঁদকে লাল দেখতে হবে। এই মহাজাগতিক ঘটনার নাম ‘সুপার ব্লাড মুন'।

Bootstrap Image Preview