Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৮ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বার ২০২২ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

রাজধানীতে মদ্যপ অবস্থায় উদ্ধার তরুণী, ধর্ষণের শিকার!

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:০৯ AM
আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:০৯ AM

bdmorning Image Preview


অচেতন অবস্থায় উদ্ধারকৃত এক তরুণীর দাবি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিনি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বলছে তারা কোনো আলামত পায়নি।

বুধবার ভোর ৬টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১১ নম্বর সেক্টর এলকায় রাস্তায় অচেতন অবস্থায় পরে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক ইয়াসিন গাজী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ওই তরুণীকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায়। তরুণীর ভাষ্যমতে, তিনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসে পুলিশ। চিকিৎসকরা তাকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারতে (ওসিসি) ভর্তি  করান বলে নিশ্চিত করেছেন তুরাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম।

শরিফুল ইসলাম বলেন, সেখান (টংঙ্গী হাসপাতাল) থেকে ৯৯৯ ফোন পেয়ে সেখানে যায় তুরাগ থানা পুলিশ। ওই নারী অভিযোগ করেন, তাকে দুটি ছেলে তুরাগ এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। যেহেতু তুরাগ থানা এলাকার কথা বলা হয়েছে। তাই বিষয়টি তদন্ত আমাদের ওপর পরে।

তিনি বলেন, মেয়েটি সঠিকভাবে কিছুই বলছে না, পাগলামি করছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। আমরা সেই এলাকার কিছু সিসিটিভির ফুটেজ দেখেছি, সেখানেও কিছু পাওয়া যায়নি। আশপাশের আরো ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছি।

শরিফুল ইসলাম আরো বলেন, মেয়েটি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ, ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা সেজন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে জানা যাবে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন কি না। পুরো বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

উদ্ধার তরুণীর বাবা সাভার এলাকায় থাকেন। স্বামীর সঙ্গে টঙ্গী এলাকায় ওই তরুণী থাকতেন বলে জানতেন তার বাবা। খবর দেওয়া হলে মেয়েটির বাবা প্রথমে আসতে অনিহা প্রকাশ করেন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তরুণীর বাবা পুলিশকে জানান, তার মেয়ের সঙ্গে স্বামীর বনিবনা নেই। তাকে তার স্বামী নিযার্তন করতেন।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, বেশ কিছু আগে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তরুণীকে আটক করে। সেখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান তার বাবা।  

Bootstrap Image Preview