Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৮ সোমবার, আগষ্ট ২০২২ | ২৩ শ্রাবণ ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

চবিতে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে নিপীড়ন: দুই ছাত্রলীগ কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৪

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২২, ১১:৫৭ AM
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২২, ১১:৫৭ AM

bdmorning Image Preview


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে নিপীড়নের ঘটনায় মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে দুজন ছাত্রলীগের কর্মী। বাকি দুজন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এসময় তাঁদের কাছ থেকে ওই ছাত্রীর মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন- মেহেদী হাসান ওরফে হৃদয়, আজিম হুসেন, বাবু ও বহিরাগত শাওন। তাদের মধ্যে মেহেদী ও আজিম ছাত্রলীগের কর্মী। মেহেদী ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ ও আজিম ইতিহাস বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। গতকাল শুক্রবার রাতে রাউজান ও হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে  তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএ ইউসুফ। দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেপ্তারকৃতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। 

এদিকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় চিহ্নিতদের আটক করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলে শনিবার প্রথম প্রহরে তল্লাশি চালানো হয়। পুলিশের সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছেন প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া।

উল্লেখ্য, ১৭ জুলাই (রোববার) রাত সাড়ে নয়টায় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এসময় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টাও করে তারা।

ঘটনার পরদিন সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ওই ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের বাধায় তা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রীর এক বন্ধু। তবে রুবেলের দাবি, তিনি ওই ছাত্রীকে অভিযোগ দিতে বাধা নয়, বরং সহযোগিতা করেছেন। ইতোমধ্যে রুবেলকে ‘শৃঙ্খলা পরিপন্থী’ কাজ করায় শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সেই নোটিস পেয়ে বুধবার ঢাকায় যান রুবেল।

যৌন নিপীড়নের শিকার ওই ছাত্রী মঙ্গলবার থানায় মামলা করেন, তাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে। সেদিন তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ও তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যৌন নিপীড়নের এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা কর্মসূচি পালন করছে।

Bootstrap Image Preview