Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৫ বুধবার, অক্টোবার ২০২২ | ২০ আশ্বিন ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

বাড়তি কর দিয়ে আনা যাবে ২৫০ থেকে ৫০০ সিসির মোটরসাইকেল

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ জুন ২০২২, ০৭:০২ PM
আপডেট: ০৯ জুন ২০২২, ০৭:০২ PM

bdmorning Image Preview
ছবি সংগৃহীত


দেশে এতদিন ১৬৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানি ও বাজারে ছাড়া নিষিদ্ধ ছিল। তবে গত ২৪ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে দেয়া নতুন আমদানি নীতি আদেশে এটা ৫০০ সিসি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এক্ষেত্রে ২৫০ সিসির ওপরে এবং ৫০০ সিসির নিচে যে কোনো সিসির মোটরসাইকেল আমদানিতে কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২৫০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেল তৈরি করতে দেশে কারখানা হচ্ছে। এ পণ্য আমদানিতে বর্তমানে কোনো শুল্ক আরোপ করা নেই। ২৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানিতে বর্তমানে ফোর স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ ও টু স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ২৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা আছে। তাই ২৫০ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানিতে ফোর স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ এবং টু স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ২৫০ শতাংশ শুল্ক প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত এই বাজেট পাস হলে ২৫০ সিসির চেয়ে বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের মোটরসাইকেল আমদানি করার ক্ষেত্রে আরও বেশি শুল্ক দিতে হবে। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে অধিক সিসির মোটরসাইকেলের দাম দেশের বাজারে আরও বাড়বে।

এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) নিজেই গত বছর সিসি সীমা তুলে দেয়ার সুপারিশ করেছিল।

বিশ্বের কোথাও এমন সিসিসীমা নেই জানিয়ে সংস্থাটি বলেছিল, ৩০০ বা ৫০০ সিসির মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ যে গতি তোলা সম্ভব, ১৬৫ সিসি মোটরসাইকেলেও একই গতি তোলা যায়। স্থানীয় মোটরসাইকেল শিল্পের বিকাশে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ইঞ্জিনক্ষমতার সীমা তুলে নেয়া দরকার।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ছিল ৪ লাখ ১ হাজার ৪৫২টি। কোভিডের প্রভাবে ২০২০ সালে তা কমে ৩ লাখ ১১ হাজার ১৬টিতে দাঁড়ায়। ২০২১ সালে আবার তা কিছুটা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৭৫ হাজার ২৫২টি।

Bootstrap Image Preview