Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৫ সোমবার, আগষ্ট ২০২২ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

জোনাকী পোকার আলোভেবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২২, ০৭:২৯ PM
আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২২, ০৭:২৯ PM

bdmorning Image Preview
ছবি সংগৃহীত


কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈদ্যুতিক ছেড়া তারে বৃষ্টির পানির স্পার্কিং’কে জোনাকি পোকার আলো ভেবে ধরতে যেয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার উত্তর ভিংলাবাড়ি “নূরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা’র পুকুর ঘাটে।

নিহত সাইফুল ইসলাম(১০) ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামúুর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের সিএনজি চালক নাসির উদ্দিনের পুত্র। উক্ত নূরানী মাদ্রাসায় নিহত সাইফুলের বড় ভাই বশির আহমেদ একইসাথে পড়ত এবং চাচা হাফেজ মাওলানা মোঃ এরশাদুল হক উক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার ইফতার শেষে ওই মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী অজু করে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পুকুর পাড়ের একটি মেড্ডা গাছের ডালে জোনাকী পোকার আলো মিট মিট করে জ¦লতে দেখতে পায়।

এদের মধ্য থেকে সাইফুল ইসলাম (১০) কাল বৈশাখী ঝড়ে বৈদ্যুতিক ছেড়া তারে বৃষ্টির পানি স্পার্কিং’কে জোনাকি পোকার আলো ভেবে ধরতে যেয়ে বিদ্যুতের তারে আটকে যায়। এসময় পার্শ^বর্তী দোকান কর্মচারী ভিংলাবাড়ি গ্রামের বাচ্চু মিয়ার পুত্র ফয়সাল(২৩) তাকে উদ্ধার করতে যেয়ে তিনিও বৈদ্যুতিক শক খেয়ে আহত হন।

অপর এক শিক্ষার্থী দ্রæত মসজিদের মেইন সুইচ বন্ধ করে দেন। স্থানীয়রা দ্রæত আহত দু’জনকে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত দোকান কর্মচারী ফয়সালকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। 

হাফেজ মাওলানা মোঃ এরশাদুল হক জানান, আমি এ মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করি। আমার তিন ভাইস্তার মধ্যে দুই ভাইস্তা বশির আহমেদ(১২) ও সাইফুল ইসলাম (১০) একই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত।

বুধবার সন্ধ্যায় পুকুর ঘাটে অজু করতে যেয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ছেড়া বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে সাইফুল ইসলাম মারা যায়। তাকে রাতেই পুলিশের অনুমতি নিয়ে নিজ গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করে আসি।  
এ ব্যপারে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরিফুর রহমান’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা রাতেই শোনেছি। কোন অভিযোগকারী না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়া এবং একটি লিখিত রেখে রাতেই দাফন সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়েছি। 
 

Bootstrap Image Preview