Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ মঙ্গলবার, মে ২০২২ | ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

উত্তপ্ত দেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড জগৎ

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল ২০২২, ০৪:০৪ AM
আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২২, ০৪:০৪ AM

bdmorning Image Preview
ছবি সংগৃহীত


দুই দশক আগে ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল তখনকার সরকার। তাদের মধ্যে কয়েকজন ধরা পড়েছে। কেউ ক্রসফায়ারে মারা গেছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার তাড়া খেয়ে বিভিন্ন দেশে গিয়ে আত্মগোপনে আছে কেউ। আত্মগোপনে থেকেই দেশের আন্ডারওয়ার্ল্ডের কলকাঠি নাড়ছে তারা। কিন্তু সম্প্রতি রাজধানীতে একজন আওয়ামী লীগ নেতা খুনের পর আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপরাধ জগৎ (আন্ডারওয়ার্ল্ড) উত্তপ্ত হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, পলাতক ১৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর নিয়ন্ত্রণে আছে অপরাধজগৎ। তাদের ধরতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল ‘রেড নোটিস’ জারি করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহযোগীদের মাধ্যমে বিদেশ থেকে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে তারা।

আন্ডারওয়ার্ল্ড আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। এ নিয়ে পুলিশ ও র‌্যাব কর্মকর্তারা কয়েক দফায় বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও আলাদাভাবে বৈঠক করেছে। ওইসব বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিস জারি করার পরও কেন পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ধরা পড়ছে না তা খতিয়ে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ঢাকাসহ দেশের যেসব স্থানে তাদের সহযোগীরা সক্রিয় আছে তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে বলা হয়েছে।

গত সপ্তাহে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সবকটি মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন ইউনিট প্রধানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী ও তাদের সহযোগীদের বিষয়ে কঠোর হতে বলা হয়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে।

জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান  বলেন, ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড বলেন আর গ্রাউন্ড বলেন, কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। দেশে বা বিদেশে বসে কেউ দেশের শান্ত পরিবেশ অশান্ত করলে তাদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। অপরাধ করলে কাউকে ক্ষমা করা হবে না। ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কাজ করছে। সামনের দিনগুলোতে আরও বড় অভিযান চালানো হবে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক খান মিল্কী হত্যা মামলার আসামি মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু খুনের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টনক নড়েছে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনদের সেকেন্ড ম্যান হিসেবে যারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। কিলার গ্রুপের সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ তৎপরতা চালাতে র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর তোড়জোড় শুরু হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপর হয়ে উঠছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর কয়েক দফা বৈঠক করেছে। ওই বৈঠকে শিগগির সাঁড়াশি অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাদের নামে ইন্টারপোলের রেড নোটিস রয়েছে তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে বলা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ করতে মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জের প্রধান (উপমহাপরিদর্শক) ও জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আন্ডারওয়ার্ল্ডের পলাতক সন্ত্রাসীরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বলে আমাদের কাছে তথ্য এসেছে। শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যাকান্ডের সঙ্গে পুরস্কার ঘোষিত সন্ত্রাসীরা জড়িত। সামনের দিনগুলোতে যেন কোনো ঘটনা না ঘটে সেদিকে আমাদের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কোন্দলের অংশ হয়ে প্রভাব বাড়ানো, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও আধিপত্য বিস্তারই তাদের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মূল লক্ষ্য। বিদেশে বসে কিছু সন্ত্রাসী তাদের কার্যক্রম চালালেও দেশেও তাদের সিন্ডিকেট রয়েছে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।’

পুলিশ সূত্র জানায়, সরকারের পুরস্কার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর মধ্যে ১৩ জন বিদেশে আত্মগোপনে আছে। ২০০৩ সালে মালিবাগের সানরাইজ হোটেলে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) দুই সদস্যকে হত্যার পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান দুবাইয়ে আত্মগোপনে রয়েছে। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তার সহযোগী জাফর আহমেদ মানিক ওরফে ফ্রিডম মানিক ভারতে পালিয়ে থাকলেও তার ইশারাতেই দেশে দখলবাজি, টেন্ডারবাণিজ্য ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেই আছে। মতিঝিল, কমলাপুর, পল্টন ও শাহজাহানপুর ও আশপাশের বিশাল এলাকার আধিপত্য দীর্ঘদিন যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার হাতে থাকলেও ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে তিনি জেলে যাওয়ার পর নিহত টিপুর হাতে চলে যায়। বিদেশে আত্মগোপনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান তাকে ‘গাইড’ করছিলেন। ফলে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাণিজ্যসহ সব ধরনের আধিপত্য সহজেই তার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে এসব অপরাধের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থের বড় অংশই জিসানের হাতে চলে যাওয়ায় টিপু নতুন ‘আশ্রয়’ খুঁজছিলেন। যা টের পেয়ে জিসান তার অন্য সহযোগীদের দিয়ে টিপুকে খুনের পরিকল্পনা করেন। যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে কারাবন্দি হওয়ার পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহেল শাহরিয়ার ওরফে শটগান সোহেল তড়িঘড়ি করে বিদেশ থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন। তাকে দিয়ে মূলত মানিক আন্ডারওয়ার্ল্ড দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ধারাবাহিকতায় মানিকের ওই সহযোগী দেশে ফিরেই অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মতিঝিল, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও ও পল্টন এলাকার চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাণিজ্য তার দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। এর ধারাবাহিকতায়ও টিপু খুন হতে পারেন বলেও সন্দেহ করছেন গোয়েন্দারা।

এর পাশাপাশি মতিঝিলের এজিবি কলোনিতে রিজভী হাসান ওরফে বোচা বাবু হত্যাকান্ড ও যুবলীগ নেতা মিল্কী হত্যাকা-ের প্রতিশোধ হিসেবেও টিপুকে খুন করা হতে পারে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সন্দেহ। টিপুর খুনের পরিকল্পনাকারী হিসেবে মতিঝিলের ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা ওমর ফারুককে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ ও র‌্যাব জানিয়েছে, টিপু হত্যাকা-ে জিসান ও মানিকের লোক জড়িত। এছাড়া বোচা বাবু হত্যাকান্ডও একটি কারণ বলে জানায় এ দুই বাহিনী। ওমর ফারুক রাজনৈতিক অভিলাষ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য এ হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা করে ও অর্থ জোগান দেয়। এ হত্যাকান্ড সমন্বয়কারী জিসানের সহযোগী মুসা, যিনি দুবাই থেকে ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে টিপু হত্যাকান্ড ঘটান।

পুলিশ সূত্র জানায়, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনে হামলা মামলার অন্যতম আসামি মানিকের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সোহেল শাহরিয়ার টিপু কিলিং মিশনের পরিকল্পনাকারী সন্দেহে গোয়েন্দা জালে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ৩ জুন ধানমন্ডি এলাকা থেকে পুরস্কার ঘোষিত সন্ত্রাসী আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাস কারাবন্দি আছেন। তার বিরুদ্ধে ৬টি হত্যাসহ ১০টি মামলা বিচারাধীন। আরেক সন্ত্রাসী টিটনকে ২০০৪ সালে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ওই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট বাবর এলাহী হত্যা মামলায় আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয় তাকে। ২০০৪ সালের ২৬ জুন আশুলিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নান মারা যান। ২০০৩ সালের মার্চ মাসে হাতিরঝিল এলাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যার পর পালাতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত হন সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন। শীর্ষ সন্ত্রাসী কালা জাহাঙ্গীর জীবিত না মৃত এখনো খোলাসা হয়নি। আরেক সন্ত্রাসী জব্বার মুন্না ভারতে পালিয়ে আছেন। কামরুল হাসান হান্নান জার্মানি ও মানিক ভারতের ত্রিপুরায় অবস্থান করছেন। মোল্লা মাসুদ কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে মুক্ত হয়ে কলকাতায়ই আছেন। আরেক সন্ত্রাসী আমিন রসুল সাগর ওরফে টোকাই সাগর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আগা শামীম আছেন কানাডায়। কামাল পাশাকে তার বাবা মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কৌশলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার পর তিনি কারাগারে আছেন। সুব্রত বাইন কয়েক মাস আগে ভারতের একটি কারাগার থেকে বের হয়ে মালয়েশিয়ায় আছেন বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য এসেছে। ২০১২ সালে সরকারের তালিকাভুক্ত আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশ কুমার বিশ্বাস কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে গোপনে দেশত্যাগ করেন। তেজগাঁও থানায় করা একটি মামলায় আদালত থেকে জামিনের পর কাশিমপুর কারাগার-২ থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়ার পরপরই দেশত্যাগ করেন বিকাশ। তার ভাই প্রকাশও শীর্ষ সন্ত্রাসী। দুই ভাই এখন জার্মানি আছেন। ২০০৪ সালে ফ্রিডম রাসুকে ধানমণ্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি এখন কারাগারে আছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, অপরাধজগতের নতুন মেরুকরণের ধারাবাহিকতায় নিজ নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে আছে মালয়েশিয়ায় পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইব্রাহীম, দুবাইয়ে পলাতক রবিন ও ভারতে পলাতক শাহাদাত হোসেন। অপরাধজগতের দখল ধরে রাখতে তাদের নতুন সহযোগীরা এখন অতিমাত্রায় সক্রিয়। ইব্রাহীম ও শাহাদাতকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মিরপুর এলাকার অপরাধ সাম্রাজ্য দখলে নিতে মরিয়া কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাসের সহযোগীরা। আবার একসময় শাহাদাতের হয়ে যারা কাজ করত সম্প্রতি তাদের কেউ কেউ নিজস্ব অস্ত্রধারী গ্রুপ গড়ে তুলেছে। ঢাকার অপরাধজগতে একসময় ‘মুকুটহীন সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তানভীর ইসলাম জয় টেন্ডার, চাঁদাবাজি, খুনখারাবির পথ থেকে সরে দেশের রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তির উত্থানে ‘রাজনৈতিক অ্যাসাইনমেন্ট’ তামিলে নতুন তৎপরতা শুরু করেছেন। কলকাতা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ঘুরে তার অবস্থান এখন ব্যাংককে। সেখানে বসেই তিনি কলকাঠি নাড়ছেন। রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, পল্লবী ও কাফরুলসহ আশপাশ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের সহযোগীরা তৎপর। একসময় মিরপুর এলাকার অপরাধ-সাম্রাজ্যের পুরোটাই ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু এখন তাকে ছাপিয়ে গেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইব্রাহীম। ঘুরে-ফিরে মালয়েশিয়া ও ব্যাংককে থাকেন তিনি। বিদেশে বসেই নিয়ন্ত্রণ করছেন মিরপুর এলাকার অপরাধজগতের বড় অংশ।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেন, ‘একসময় আন্ডারওয়ার্ল্ড উত্তপ্ত থাকলেও পরে তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। দীর্ঘদিন ধরে আন্ডারওয়ার্ল্ডে শীতল পরিবেশ বিরাজ করছিল। তবে তা আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভাগবাটোয়ারা, আধিপত্য বিস্তার ও নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জের ধরে খুনোখুনির ঘটনা ঘটছে। যা সবার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সূত্রঃ  দেশ রূপান্তর/ সরোয়ার আলম

Bootstrap Image Preview