Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৯ বুধবার, জুন ২০২২ | ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত বিমানবন্দর

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০১৮, ০৫:৪০ PM
আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০১৮, ০৫:৪০ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত বিমানবন্দরের উদ্বোধন হয়ে গেল তুরস্কে। দেশটির জনবহুল শহর ইস্তাম্বুলের নামে এ বিমানবন্দরের নাম হবে ‘ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর’। সোমবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই বিমানবন্দর উদ্বোধন করেন৷ এদিন দেশটির ৯৫তম স্বাধীনতা দিবস। কয়েক মাসের মধ্যেই ইস্তাম্বুলের প্রধান বিমানবন্দর আতাতুর্কের পরিবর্তে এই বিমানবন্দর দিয়েই যাত্রীরা বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে যাবে।

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরকেই ট্রানজিট বিমানবন্দর হিসেবে অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন। দিন দিন এই এয়ারপোর্টে যাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে। ইস্তাম্বুলের এই বিশাল নতুন বিমানবন্দর তৈরি করতে প্রথম ধাপে খরচ হয়েছে ৫১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ৭৬০০ হেক্টর আয়তনের এই বিমানবন্দরই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর।

আপাতত দু'টি রানওয়ে ও একটি টার্মিনাল চালু করা হবে বলে জানা গেছে। যা দিয়ে বছরে ৯ কোটি যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। এর সঙ্গে একটি প্রধান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার, একটি কার্গো হাউজও চালু হবে। চালু হওয়া দুই রানওয়ের একটি ৪.১ কিলোমিটার এবং অপরটি ৩.৭৫ কিলোমিটার লম্বা। এ অংশে আপাতত ৩৪৭টি বিমান অবস্থান করতে পারবে। আতাতুর্ক বিমানবন্দর থেকে প্রধান ফ্লাইটগুলো এ বিমানবন্দরে সরিয়ে আনতে খুব বেশি দিন সময় লাগবে না বলেই মনে করছে তুরস্ক সরকার।

২০২৩ সাল নাগাদ এ বিমানবন্দরের কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে। ততদিনে এই বিমানবন্দরে যুক্ত হবে আরও ৬টি রানওয়ে। ৫০০টি বিমান তখন এক সঙ্গে এ বিমানবন্দরে অবস্থান করতে পারবে এবং বছরে ২০ কোটি যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে তখন এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় করমুক্ত শপিং কমপ্লেক্সেও পরিণত হবে, যার আয়তন হবে ৫৩ হাজার বর্গমিটার।

এই বিমানবন্দর থেকে আঙ্কারার উদ্দেশে প্রথম ফ্লাইট উড়েছে ইস্তাম্বুল থেকে সাইপ্রাস পর্যন্ত। চলতি বছরের শেষেই এই নতুন বিমানবন্দর থেকে ৩৫০টি গন্তব্যে বিমান যাতায়াত করতে পারবে।

ইস্তাম্বুলে এই বিশাল বিমানবন্দর তৈরি করাটা যেমন তুরস্কের কাছে খুব গর্বের বিষয় তেমনি বিমানবন্দরকে ঘিরে বেশ কিছু বিতর্কও রয়েছে। কারণ শ্রমিকরা এখানে কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খারাপ মানের খাবারের পাশাপাশি আরও অনেক অত্যাচারও শ্রমিকদের সহ্য করতে হয়েছে। প্রচুর সংখ্যায় শ্রমিকের মৃত্যুও হয়েছে এই বিমানবন্দর তৈরি করতে গিয়ে। যদিও তুরস্কের সরকার এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

Bootstrap Image Preview