Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৭ সোমবার, জুন ২০২২ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

'মাস্টারমাইন্ড হলে তারেক রহমানের ফাঁসি হওয়া উচিত'

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:১৫ PM
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:১৫ PM

bdmorning Image Preview
ফাইল ছবি


অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড হলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অবশ্যই ফাঁসি হওয়া উচিত। মাস্টারমাইন্ড যিনি অবশ্যই তার ফাঁসি হওয়া উচিত।

বুধবার (১০ অক্টোবর) রায় ঘোষণার পর এ মন্তব্য করেন তিনি।

২১ আগস্টের ঘটনার রায়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, পড়ে দেখব (মামলার রায়)। যদি রায়ে উল্লেখ করা থাকে যে, মাস্টারমাইন্ড যিনি, অবশ্যই তার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে আপনাদের সাংবাদিকদের মুখে শুনলাম, যে তারেক রহমানকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যে কোনো হত্যাকাণ্ডে যিনি মাস্টারমাইন্ড হন, যেটা আপনাদের কাছে শুনলাম; অবশ্যই সেক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলায় ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। বুধবার (১০ অক্টোবর) সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত ঢাকার ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত ৪৯ জন আসামির মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছেন। বাকি আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন ৩১ জন। কারাগারে থাকা ৩১ আসামি হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আশরাফুল হুদা, পুলিশ কর্মকর্তা শহুদুল হক, খোদা বক্স চৌধুরী, বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান, আব্দুর রশীদ, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ, জঙ্গি সংগঠন হুজির সদস্য আবু বক্কর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, শাহদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে ইউসুফ ভাট, আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মহিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ড. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ও হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া।

পলাতক ১৮ আসামি হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জেল হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ, ডিএমপির সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিসি (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, হুজি সদস্য মাওলানা তাজউদ্দিন, মহিবুল মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন, খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন ওরফে দোলোয়ার হোসেন ওরফে জুবায়ের, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও রাতুল আহম্মদ বাবু।

Bootstrap Image Preview